বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে কোনো শত্রুতা নেই। বরং দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
বাংলাদেশ ও ইরানের সম্পর্কের মূল দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:
*ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধন* মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে এবং পারস্য সংস্কৃতির ঐতিহাসিক প্রভাবের কারণে দুই দেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক যোগাযোগ রয়েছে।
কূটনৈতিক সহযোগিতা: ওআইসি (OIC), ডি-৮ এবং ন্যাম (NAM)-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থায় দুই দেশই সক্রিয় সদস্য এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে একে অপরকে সমর্থন দিয়ে থাকে
*জ্বালানি ও বাণিজ্য* ইরান বাংলাদেশের অন্যতম জ্বালানি তেল সরবরাহকারী হতে আগ্রহী। যদিও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বাণিজ্যে কিছুটা সীমাবদ্ধতা আছে, তবে দুই দেশই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য কয়েক বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতি: ২০২৬ সালের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশ ও ইরান একে অপরের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। ইরান সরকার বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পররাষ্ট্রনীতির প্রশংসা করেছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।সংক্ষেপে বলতে গেলে, ঐতিহাসিক এবং ধর্মীয় কারণে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। মাঝেমধ্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতির চাপে বাণিজ্যে কিছুটা ধীরগতি এলেও তাকে শত্রুতা বলার অবকাশ নেই।