শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে দুই বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষককে হত্যা। সন্দেহভাজন খুনি রুমমেট হিসাম আবু গার্বিয়া পুলিশের হাতে গ্রেফতার। কেন্দুয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ ২ মাদকব্যবসায়ী আটক। আততায়ীর বন্দুক নিশানা থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরাঞ্চলে জেলা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে অস্ত্র, হত্যা, চাঁদাবাজি ও দস্যুতাসহ একাধিক মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী রাকিব ওরফে এ্যাংকা (২৩)কে গ্রেফতার। মহিপুরে কোষ্টগার্ডের মারধরে আহত শ্রমিক কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ।কা বাউফলে গভীর রাতে দুর্বৃত্তের আগুনে ৮টি খড়কুটার কুড় ভষ্মিভূত। আমিরগঞ্জে (রায়পুরা,নরসিংদী) রাস্তা প্রশস্ত করণের নিমিত্তে সরকারি জায়গায় স্হাপিত সকল অবৈধ স্হাপনা দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযান। বাউফলে ১৫০টাকার দ্ব‌ন্দ্বে অনার্স পরীক্ষার কেন্দ্র বা‌তিল। ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী ১৩ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর। তন্মধ্যে পুরুষ ১১ নারী ০২। নরসিংদীর রায়পুরাতে নকল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তৈরী অবশেষে প্রতারক গ্রেফতার।
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন

আততায়ীর বন্দুক নিশানা থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :
বারবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসছেন বিশ্বের ক্ষমতাধর  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।আবারো ওয়াশিংটনে এক অনুষ্ঠানে বন্দুক হামলার শিকার হন তিনি।সিএনএন সংবাদ মাধ্যমে  জানা গেছে, গত ২৫ এপ্রিল শনিবার রাতে ওয়াশিংটনের হিলটন হোটেলের সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত নৈশ ভোজে এ হামলা চালানো হয় । এ সময় মঞ্চে প্রধান অতিথির চেয়ারে বসা ছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ফার্স্ট  লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প সহ যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
হামলার পর পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সহ সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা বলছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের সদস্যরা হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু ছিলেন।তবে শুধু এবারই নয় এর আগেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কে  লক্ষ্য করে কয়েকবার হামলা চালানো হয়েছে। যার মধ্যে ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে পেনসিলভেনিয়ায় নির্বাচনি সমাবেশে হামলা ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ।  আততায়ীর ছোড়া গুলি সেদিন কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ায় আহত হয়েছিলেন তিনি।
পরবর্তী সময়ে বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে নিজের গলফ রিসোর্টে খেলার সময় তাকে আবারো হত্যার চেষ্টা করা হয়।
শনিবার অভিযুক্ত ৩১ বছর বয়সি কোল টমাস এলেন কে আটক করেছে নিউইয়র্ক পুলিশ। সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, এলেন ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে স্নাতক শেষ করার পর শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে এলেন অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তার কাছে বন্দুকসহ একাধিক অস্ত্র ছিল। আততায়ী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় সময় ২৭ এপ্রিল সোমবার আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হবে বলে জানা গেছে। এদিকে ডোনাল্ড  ট্রাম বলেছেন, এ হামলার সঙ্গে ইরান যুদ্ধের কোন সম্পর্ক নেই। তার পেশা রাজনীতি খুব ঝুঁকিপূর্ণ, হামলার পর সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি। ট্রাম্পের আগেও অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট আততায়ী  হামলার শিকার হন।  যাদের মধ্যে চারজন এসব হামলায় নিহত হয়েছেন। এই নৈশভোজে প্রায় ২ হাজার ৬ শত আমন্ত্রিত অতিথি অংশ নিয়েছিলেন বলে হোয়াইট হাউজ সূত্রে জানা গেছে।
ইতোপূর্বে আততায়ীর হামলায় নিহত মার্কিন ৪ প্রেসিডেন্ট:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম হত্যার শিকার হন জন আব্রাহাম লিংকন। ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে ফোর্ড  থিয়েটারে থাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।সন্দেহভাজন হত্যাকারী অভিনেতা উইলকস  বুথ পরবর্তী সময়ে ভার্জিনিয়ায়  ধরা পড়লে তাকে গুলি করে মেরে ফেলা হয়।১৮৮১ সালের জুলাই মাসে ওয়াশিংটন  ডিসির একটি ট্রেন স্টেশনে গুলি বিদ্ধ হন প্রেসিডেন্ট জেমস গার্লফিল্ড। আহত হওয়ার কয়েক মাস পর মারা যান তিনি। গারফিল্ডকে  গুলি করে তারই এক সমর্থক চার্ল গুইটাউ নামের এক আততায়ী। তারপর প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ম্যাককিনলি ১৯০১ সালের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্ক এর বাফেলুতে  গুলির শিকার হন।তিনিও আহত হওয়ার কিছুদিন পর মারা যান।তা ছাড়া ১৯৬৩ সালের নভেম্বরে ডালাস সিটিতে এক আততায়ী স্নাইপার লি হার্ভে অসওয়াল্ডের হাতে নিহত হন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি।
মৃত্যুর কাছাকাছি থেকে বেঁচে ফিরেছেন যারা:
১৮৬১ সালে ক্যাপিটলে একটি অন্তুষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেওয়ার সময় প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রো জ্যাকসন কে গুলি করা হয়। দুবার গুলি করলেও তিনি প্রাণে বেঁচে যান। ১৯১২ সালে নির্বাচনী প্রচারের সময় হামলার শিকার হন রিপাবলিকান মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট। তাকে লক্ষ্য করে গুলি করেছিল এক সেলুন কর্মী। ১৯৩৩ সালে  মিয়ামি তে বন্দুক ধারীর গুলির শিকার হন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রোজভেল্ট।
এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট  হ্যারি ট্রু ম্যান কে  ১৯৫০ সালে এবং প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডকে ১৯৭৫ সালে  পরপর দুবার হত্যা চেষ্টা করা হয়। অন্যদিকে ১৯৮১ সালে ওয়াশিংটন ডিসিতে হিলটনের  বাইরে বক্তৃতা দেওয়ার সময় প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানকে লক্ষ্য  গুলি করা হয়। ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে হত্যার জন্য যে গুলি চালায় আইডাহোর  নামে এক ব্যক্তি।১৯৭২ সালে ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জর্জ ওয়ালেসের ওপর বন্দুক হামলা চালানো হয়। ইতিহাসের পাতায় মার্কিন পলিটিক্যাল ট্রাজেডি বড়ই করুন এবং নিষ্ঠুর।

তথ্য সূত্র:

# সিএনএন।

# সিবিসি নিউজ।

# বিবিসি ভয়েজ বাংলা।

# দৈনিক আমার দেশ।

# দৈনিক প্রথম আলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category