শিরোনাম :
বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে দেশের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ বোরো ধান, দেশ জুড়ে কৃষকের মাঝে হাহাকার-আর্তনাদ। স্ত্রী পুত্র কন্যা মিলে বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা। শিক্ষা, সমাজ সেবা ও জাতীয় রাজনীতিতে নওয়াব বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর অবদান। নেতানিয়াহুর অসমাপ্ত মিশন বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে ইসরায়েলের দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কই বাণিজ্যিক দিক থেকে দুটি দেশ কে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। ২৭ এপ্রিল ছিল অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা এ,কে,ফজলুল হক এর মৃত্যুবার্ষিকী। সরকারি খরচে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান: পিরোজপুরে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত। সৌদি রাজবংশের অন্ধকার ইতিহাস ও ক্ষমতার পালা বদল। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে দুই বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষককে হত্যা। সন্দেহভাজন খুনি রুমমেট হিসাম আবু গার্বিয়া পুলিশের হাতে গ্রেফতার। কেন্দুয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ ২ মাদকব্যবসায়ী আটক।
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন

ইসরায়েলের লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানা ইরানের সর্বাধুনিক মিসাইলগুলো কাজ না করার কারণ

Reporter Name / ২৬৫ Time View
Update : সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫

মাহবুবুর রহমান খান:অনেকেই হয়তো ভাবছেন, ইরান এতো এতো মিসাইল ছোড়াড় পরেও কেন ইসরাইলের এতো কম ক্ষতি হচ্ছে।
যখন ইরান ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, তখন হয়তো ৮ টি বা ১০টি ক্ষেপণাস্ত্রই ইসরায়েলে পৌঁছায়।

তার কারণগুলো—

১.যখন ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসফাহান থেকে ইসরায়েলের দিকে নিক্ষিপ্ত হয়, তখন সর্বপ্রথম তাকে থামানোর চেষ্টা করে:

ইরাকে অবস্থানরত আমেরিকান সেনা বাহিনী,

সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা ফরাসি রাফায়েল যুদ্ধবিমান (যেগুলো সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহার করার অনুমতি পায়),

এবং পারস্য উপসাগরে টহল দেওয়া ইউএসএস কার্ল ভিনসন নামক বিমানবাহী রণতরী ও অত্যাধুনিক মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলো।

২.যদি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র এই আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোকে ফাঁকি দিতে সক্ষম হয়,
তাহলে তাকে থামাতে আসে—

জর্ডানের বিমানবাহিনী,

জর্ডানে অবস্থিত আমেরিকান ঘাঁটি,

এবং সাইপ্রাস থেকে উড়ে আসা ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের টাইফুন ও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান।

৩.এই সকল প্রতিরক্ষা স্তর পার হয়ে গেলেও,
তাকে থামাতে এগিয়ে আসে ইসরায়েলের বহুস্তরীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা:

Arrow-3: ২০০০ কিলোমিটার দূরে থেকেই মহাকাশে ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে।

Arrow-2: যদি তা ব্যর্থ হয়, তাহলে এই সিস্টেম ১৫০০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে ফাঁদ পেতে অপেক্ষা করে।

৪.এরপর রয়েছে David’s Sling,
যেটি ৩০০ কিলোমিটার থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত রেঞ্জে ক্ষেপণাস্ত্রকে ধাওয়া করে।

৫.সবশেষে ক্ষেপণাস্ত্র যদি এত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়েও এগিয়ে আসে,
তাহলে তাকে থামাতে প্রস্তুত থাকে Iron Dome,
যেটি ৭০ কিলোমিটার থেকে ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত রেঞ্জে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার চেষ্টা করে।

এখন প্রশ্ন হতে পারে

পৃথিবীর আর কোনো দেশের ক্ষেপণাস্ত্র কি লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে গিয়ে এত বাধার সম্মুখীন হয়?

এবং মনে রাখতে হবে, ইরানের এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তারা নিজেরাই তৈরি করেছে,
কিন্তু এগুলোকে প্রতিহত করতে যে সব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করে, সেগুলো বিভিন্ন উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সর্বোচ্চ প্রযুক্তির ফসল।

(ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category