শিরোনাম :
বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে দেশের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ বোরো ধান, দেশ জুড়ে কৃষকের মাঝে হাহাকার-আর্তনাদ। স্ত্রী পুত্র কন্যা মিলে বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা। শিক্ষা, সমাজ সেবা ও জাতীয় রাজনীতিতে নওয়াব বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর অবদান। নেতানিয়াহুর অসমাপ্ত মিশন বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে ইসরায়েলের দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কই বাণিজ্যিক দিক থেকে দুটি দেশ কে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। ২৭ এপ্রিল ছিল অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা এ,কে,ফজলুল হক এর মৃত্যুবার্ষিকী। সরকারি খরচে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান: পিরোজপুরে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত। সৌদি রাজবংশের অন্ধকার ইতিহাস ও ক্ষমতার পালা বদল। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে দুই বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষককে হত্যা। সন্দেহভাজন খুনি রুমমেট হিসাম আবু গার্বিয়া পুলিশের হাতে গ্রেফতার। কেন্দুয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ ২ মাদকব্যবসায়ী আটক।
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন

বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে দেশের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ বোরো ধান, দেশ জুড়ে কৃষকের মাঝে হাহাকার-আর্তনাদ।

Reporter Name / ১১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

মাো: মাহবুবুর রহমান খান:

টানা প্রবল বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ,  নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জ হাওর অঞ্চলের ৩০ হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে। হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় এবং শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক ধান কাটতে পারছেন না। কৃষকদের চোখের সামনে সোনালী ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে।
পরিস্থিতির বিস্তারিত :
নেত্রকোনা :জেলার হাওরগুলোতে ২৪ ঘন্টায় রেকর্ড ১৩২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। কংস নদের পানি বিপদ সীমার ৮৫ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
সুনামগঞ্জ :ধান কাটার হাওরে প্রায় ৪৭ শতাংশ পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে ৭০০০ হেক্টর জমির ধান নতুন করে পানির নিচে এবং ৩০০০ হেক্টর পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।
হবিগঞ্জ :প্রায় ৫ হাজার হেক্টর বোরো জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী আরো বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে যা বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
করণীয় ও কৃষি বিভাগের পরামর্শ :
দ্রুত ধান কাটা:পাকা ধান কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের তাগাদা দেওয়া হচ্ছে।
উচুঁতে ধান সংরক্ষণ :ধান মাড়াই করে নিরাপদ স্থানে বা উঁচু জায়গা রাখার পরামর্শ।
বাঁধ পাহারা:ফসল রক্ষা বাঁধগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে বলা হচ্ছে।
কৃষকদের মতে সময়মতো ধান কাটতে না পারা এবং হঠাৎ পানি বৃদ্ধিতেই এই চরম ক্ষতি হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যার পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের সোনালী ফসল।
আবহাওয়া অফিস সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃষ্টির প্রভাব আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে এতে কৃষকের দুশ্চিন্তা আরও বাড়ছে কারণ শুকানোর সুযোগ না থাকায় পচনের ঝুঁকি বাড়বে তাই বলা যায় বোরোর ভরা মৌসুমে এমন আকস্মিক বন্যায় কৃষকরা অনেকটা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। এতে চলতি বছরের খাদ্য উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে শংকা প্রকাশ করছেন কৃষি অর্থনীতিবিদরা।
এদিকে হাওড অঞ্চলে বোরো ধানের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে তদারকি ও সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। সংস্থাটির( সরেজমিন উইং) ওবায়দুর রহমান মন্ডল বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং কৃষকের পাশে থাকার সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত সরকারি সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চের সকল জেলার নিচু এলাকা গুলোতে এই দৃশ্য চিত্র বিদ্যমান।
হাওড় অঞ্চল কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম, নেত্রকোণার, কেন্দুয়া, মদন, খালিয়াজুড়ি, কলমাকান্দা, মোহনগন্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, বরিশাল, ভোলা, কুমিল্লা, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, চুয়াডাঙ্গা, দিনাজপুর সবচেয়ে বেশি বোরো ধান ক্ষতি গ্রস্হ হয়েছে।

তথ্যসূত্র

# বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ।

# দৈনিক জনতার দেশ এর জেলা-উপজেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো সংগৃহিত তথ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category