শিরোনাম :
যত চাপই আসুক ব্রিটেন কে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে নেয়া যাবেনা —- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। একটি শিক্ষনীয় গল্প এবং আমাদের মানবিক চরিত্র। ৯ম পদাতিক ডিভিশনের নিষ্ক্রিয়তা: ৪ আগস্টের রহস্য ঘিরে নতুন প্রশ্ন। আধুনিক বিকৃত ইসলাম এবং মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম। জন দুর্ভোগের সূতিকাগার নরসিংদী পৌরসভা হরমুজ প্রণালী কে ইস্যু করে তেহরানের নতুন পরিকল্পনা ৩ শ্রেণীতে বিভক্ত দেশ। কূয়াকাটায় ছাত্র হিযবুল্লাহর উদ্যোগে দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তৈরির আশঙ্কা, নিজ নিজ শর্তে ই*রান- আ*ম্রিকা দু’পক্ষই ছাড় দিতে নারাজ, সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি কোন পক্ষ। কুরআনের অপব্যাখ্যার অজুহাতে কুষ্টিয়ায় কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর কে পিটিয়ে হত্যার নেপথ্য কাহিনি। রাজধানীতে কিডনি চিকিৎসক ডা: কামরুল ইসলামের কাছে যুবদল নেতার চাঁদা দাবিতে তোলপাড় সারাদেশ।
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন

ড. ফখরুদ্দিন আহমেদ ও আইনের সুশাসন নীতিমালা।

Reporter Name / ২৬২ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

ফখরুল হাসান:

ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ।সাবেক গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক। একজন খাঁটি দেশ প্রেমিক ও সুশাসক।
জাতীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা (২০০৭ সালের ১২ই জানুয়ারি থেকে ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারী ছিলেন)

আমার সৌভাগ্য হয়েছিল এই লোকটার শাসন কাল নিজ চোখে দেখার।
ইনি আসলেই একজন জাতীয় বেঈমান কারন এই লোকটার আমলেই সাধারন মানুষ নির্ভয়ে চলাচল করতে পারতো,
এই লোকটার আমলেই যেকোন পুলিশি সেবা নিতে ঘুষ লাগতো না,
এই লোকটার আমলেই কোন সরকারি অফিসে কাজের জন্য ১ টাকাও ঘুষ দিতে হয় নি।
এই লোকটার আমলেই মেয়েরা নিরাপদে চলাচল করতে পারতো, এমনকি রাত ১০ টার পরেও যদি কোন মেয়ে রাস্তা দিয়ে একা চলাচল করতো কোন বান্দির পুত ছিলোনা যে ইফটিজিং করবে, দিনে ইফটিজিংতো চিন্তার বাইরে ছিলো।

এই লোকটার আমলেই বাংলাদেশের ইতিহাসে ধর্ষন সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিলো, ধর্ষন ছিলো না বল্লেই চলে।
এই লোকটার আমলেই চাকরি নিতে কোন ঘুষ লাগতো না।
এই লোকটার আমলেই কোন মারামারি হানাহানি, গাড়ি ভাংচুর, রাস্তা অবরোধ হতো না।
এই লোকটার আমলেই ধর্মীয় সংখ্যালঘু বলতে কোন কথা ছিলো না, সবাই সমান অধিকার ভোগ করতো,।
এই লোকটার আমলেই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া হতো, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন মারামারি ছিলো না, কোন লেখাপড়ার পরিবেশ নাষ্টকারী ছাত্র নেতাও ছিল না।
এই লোকটার আমলেই রাস্তাঘাট, বাজার, গাড়িতে এক কথায় কোথাও চাদাবাজি ছিলো না।
কোন গাড়ির মালিক কিংবা ড্রাইভার বলতে পারবে না যে গাড়ি চালাতে গিয়ে রাস্তায় ১ টাকাও চাদা দিতে হয়েছে।
এই লোকটার আমলেই অমুক ভাই, তমুক ভাই , ছাও নেতা, পাতি নেতা খেতা, টেন্ডার নিয়ে মারামারি ছিলো না।
এই লোকটার আমলেই সকল দুইনাম্বার ব্যবাসা বন্ধ হয়ে গেছিলো।
এই লোকটার আমলেই সরকারি সেবা বলতে যা বোঝায় তা মানুষ কোন ঘুষ তদবির ছারাই পেত।
এই লোকটার আমলেই সব আকাম – কুকাম, মদ – জুয়া নারীবাজি বন্ধ হয়ে গেছিলো।
এই লোকটার আমলেই পাসপোর্ট নিতে কোন ঘুষ লাগতো না, ভূমি অফিসে কোন ঘুষ লাগতো না, এয়ারপোর্টে কাওকে হয়রানির শিকার হতে হতো না।
এই লোকটার আমলেই রাস্তার ট্রাফিক পুলিশ একটা টাকা চাওয়ার সাহস দেখাই নি।
এই লোকটার আমলেই মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারতো গুম হয়ে যাওয়ার ভয় থাকতো না।
এই লোকটার আমলেই কতো পাতি নেতা থেকে শুরু করে বড়সর নেতাখেতা দৌড়ের উপ্রে ছিলো

সর্বশেষে বলতে চাই, এমন একটা সরকার দেশে দেখতে চেয়েছিলাম ২০২৪ এর আন্দোলনের পর
আপসোস তা আর হলোনা।

বি.দ্র. লেখক একজন মুক্ত চিন্তক ও রাজনৈতিক সমালোচক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category