শিরোনাম :
আহমদ ছফার বিয়ে ও শামীম শিকদার প্রসঙ্গ। যত চাপই আসুক ব্রিটেন কে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে নেয়া যাবেনা —- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। একটি শিক্ষনীয় গল্প এবং আমাদের মানবিক চরিত্র। ৯ম পদাতিক ডিভিশনের নিষ্ক্রিয়তা: ৪ আগস্টের রহস্য ঘিরে নতুন প্রশ্ন। আধুনিক বিকৃত ইসলাম এবং মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম। জন দুর্ভোগের সূতিকাগার নরসিংদী পৌরসভা হরমুজ প্রণালী কে ইস্যু করে তেহরানের নতুন পরিকল্পনা ৩ শ্রেণীতে বিভক্ত দেশ। কূয়াকাটায় ছাত্র হিযবুল্লাহর উদ্যোগে দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তৈরির আশঙ্কা, নিজ নিজ শর্তে ই*রান- আ*ম্রিকা দু’পক্ষই ছাড় দিতে নারাজ, সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি কোন পক্ষ। কুরআনের অপব্যাখ্যার অজুহাতে কুষ্টিয়ায় কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর কে পিটিয়ে হত্যার নেপথ্য কাহিনি।
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

অবশেষে গ্রেফতার হলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা মেজর মোঃ মানজিল হায়দার চৌধুরী।

Reporter Name / ৩৪ Time View
Update : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

ডেক্স রিপোর্ট (দৈনিক জনতার দেশ):

দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত-সমালোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) মোঃ মানজিল হায়দার চৌধুরী অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন। গতকাল ৯ এপ্রিল রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নীলক্ষেত এলাকায় হকার আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

মামলার এজাহার অনুসারে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নীলক্ষেতে আব্দুল ওয়াদুদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তার শ্যালক আব্দুর রব বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, রিমান্ডে মানজিল হায়দারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জুলাই উপর্যুগের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা এবং অন্যান্য অপকর্মের বিস্তারিত তথ্য বের করা হবে।

মানজিল হায়দার চৌধুরী ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হন।

তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ প্রমাণিত-

১. মেজর জেনারেল (অব.) তারিক সিদ্দিকীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের তদারকি:
দীর্ঘ ১২ বছর সেনাবাহিনীর প্রশাসনিক শাখায় কোয়ার্টার মাস্টারের পদে থেকেও তিনি আসলে তারিক সিদ্দিকীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেই কাজ করতেন। তারিক সিদ্দিকীর সব গোপন সম্পদের দেখভাল ও লেনদেনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসকে তিনি নিজের “দেন-দরবারের অফিস” হিসেবে ব্যবহার করতেন।

২. ২০২১ সালের জোরপূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগ (প্রমাণিত):
২০২১ সালে সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালীন মানজিল ও তৎকালীন মেজর এ এস এম মশিউল আলম মিলে একজন ব্যবসায়ীকে সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে ডেকে জোরপূর্বক টাকা আদায় করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর মশিউলকে সেনাবাহিনীতে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু মানজিলকে কোনো শাস্তি না দেওয়ায় মশিউল প্রতিবাদ করলে তাকে বগুড়ায় বদলি করা হয়। মানজিল তারিক সিদ্দিকীর এতটাই আস্থাভাজন ছিলেন যে ধানমন্ডিতে একটি ফ্ল্যাটও উপহার পান।

৩. অন্যান্য গুরুতর অভিযোগ (২০১৯-২০২২):
সেনাবাহিনীর তদন্তে উঠে আসা বিস্তারিত অভিযোগ:
-স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত অন্য নারীকে বিয়ে ও একাধিক নারীর সঙ্গে পরকীয়া।
– ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায়, হুমকি ও হয়রানি (হোয়াটসঅ্যাপে প্রমাণসহ)।
– অফিসিয়াল পদের অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত লাভ।
– পরিবার ও সহকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাপ প্রয়োগ।
– অবৈধ সম্পদ অর্জন ও আর্থিক লেনদেন।
– সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ নিয়ম-কানুনের ব্যাপক লঙ্ঘন।

এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরই ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তাকে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়।

মানজিল হায়দার চৌধুরী একটি প্রভাবশালী নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় ব্যক্তি ছিলেন। সেই নেটওয়ার্কই শেষ পর্যন্ত তার চাকরি ও সুনাম দুটোই শেষ করে দিয়েছে। এখন রিমান্ডে থাকা অবস্থায় তার কাছ থেকে আরও কত তথ্য বের হয় — সেদিকেই তাকিয়ে আছে সবাই।
ছবি: উইকিপিডিয়া
তথ্যসূত্র:
# BD today.net
#Bangla Tribune
#Daily Naya Diganta
#Citizen journal24
#The Business Standered
#facebook. Zulkarnayen shayer
#দৈনিক আলোকিত কণ্ঠ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category