• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
Headline
কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৬০ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা! জামালপুরে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সম্মাননা ও উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি! রাঙামাটিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২! মন্ত্র পাঠ করে, ঢাক-শঙ্খ বাজিয়ে দেবীকে আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে শুরু হলো রায়পুরা মরজাল মোদক বাড়ির দুর্গাপূজা! চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, মাইকিং করে সতর্ক করল মোহাম্মদপুর শ্রমিক দল! পূজা হবে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ’: কাজিপুরে জেলা প্রশাসক! ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ, ১৯ অক্টোবর সশরীরে হাজিরার নির্দেশ! কুমিল্লায় যুবদল নেতা হত্যার মূল অভিযুক্তকে পুলিশ দিল জনতা! ইনানী রিসোর্টে আগুনে ১০ জনের মৃত্যু, একই পরিবারের ৬ জন অগ্নিনিরাপত্তার অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন, তদন্ত কমিটি গঠন!

লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগ; জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ!

Reporter Name
Update : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

 

বিশেষ প্রতিবেদক|ঢাকা মহানগরঃ

স্বচ্ছতার কথা বলে লটারির মাধ্যমে পদায়নের উদ্যোগ নিলেও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে (জাগৃক) অর্থ লেনদেন ও পছন্দের কর্মকর্তাদের বসানোর অভিযোগ উঠেছে। সংস্থার অনেকেরই দাবি, ঢাকার আকর্ষণীয় পদে পোস্টিংয়ের জন্য প্রতি পদে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। তাদের অভিযোগ বিগত সরকারের সময়কার ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জিল্লার রহমানের পিএস ও কালেক্টর এবং আওয়ামী লীগের আমলে বিদেশি মিশনে কর্মরত থাকায় সম্প্রতি সরকারের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি না পাওয়া কর্মকর্তা পরিচালক, ফকির মোঃ মুনওয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে লটারির নামে কোটি কোটি টাকা বদলি বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

সংস্থার কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাবী সদ্য পদোন্নতি বঞ্চিত এই কর্মকর্তা নিজের আখের গোছাতে লটারির নামে একটি ‘বদলি-বাণিজ্য’ চক্র গড়ে তোলাসহ ভূমি ও সম্পত্তি শাখার ফাইল থেকে মোটা অঙ্কের কমিশন বাণিজ্যে লিপ্ত হয়েছেন। এ নিয়ে সংস্থায় তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জাগৃকে উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর অনুমোদিত পদ ১৭টি। নিয়ম অনুযায়ী ১৭টি পদের জন্য ১৭ জন কর্মকর্তার একযোগে লটারি হওয়ার কথা। কিন্তু কিছু লাভজনক ও গুরুত্বপূর্ণ পদ লটারির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। কোন মানদণ্ডে এসব পদ আলাদা করা হলো, কর্তৃপক্ষ তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।

লটারির আগে ভাইভা নেওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদি লটারির মাধ্যমেই পদ নির্ধারণ করা হবে, তবে তার আগে কেন নিয়মবহির্ভূতভাবে ‘ভাইভা’ বা মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হলো? আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, লটারির আগের সেই তথাকথিত ভাইভায় কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তারা কে কোন স্টেশনে বা স্থানে যেতে চান, সেই অপশন বা চয়েস লিখে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে লটারির নামে আসলে লোক দেখানো নাটক সাজানো হচ্ছে, যার আড়ালে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ঢাকার পদগুলোতে বসানোর নীলনকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
আরও জানা গেছে, যেসব পদে লটারির প্রস্তুতি চলছে, সেগুলোর অনেক কর্মকর্তার ওই পদে এখনো তিন বছর পূর্ণ হয়নি। এ বিষয়ে আগে একটি অফিস আদেশ জারি হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি, আবার বাতিলও করা হয়নি। কেন তা ঝুলে আছে, সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই। অধিকাংশই এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে ১৭টি পদেই নিরপেক্ষ ও উন্মুক্ত লটারির দাবি জানিয়েছেন।

এ সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ভাইভা ও পদায়ন কমিটির সভাপতি এবং সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) হাছিনা বেগম বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি জানান, কমিটির সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও প্রক্রিয়ার অনেক বিষয় তার জানা নেই। তিনি বলেন, “বিষয়টি চেয়ারম্যান ভালো বলতে পারবেন, তিনি সব জানেন।”
প্রকৌশলীরা বদলি প্রক্রিয়ার অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ বন্ধে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

এ বিষয়ে ফকির মুহাম্মদ মুনওয়ার হোসেন জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান মহোদয় প্রতিটি বিষয়ে আমার পরামর্শ নেন, কথাটি সত্য । ভাইভা নেয়ার আগে দুই একজন কর্মকর্তা আমার সাথে যোগাযোগ করেছে। টাকা নেয়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ তদন্ত করতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category