শিরোনাম :
বিখ্যাত গিটারিস্ট কাজী অনিরুদ্ধ এবং কিছু স্মৃতিচারণ। ডিসি অফিস এলাকা থেকে ২২ মামলার আসামি ‘মাদক সম্রাট’ জসিম গ্রেপ্তার। নরসিংদীতে আলোচিত মিজান মিয়া ওরফে হৃদয় হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার। সেহরির পরপরই সং/ঘ/র্ষে জড়ালো দুই গ্রুপ, বাবা ছেলেসহ প্রাণ গেল ৪ জনের। বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ক্যাপ্টেন এহতেশাম এবং তার চলচ্চিত্র জীবন। বিখ্যাত চলচ্চিত্রাভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় এর অজানা তথ্য। শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের শিক্ষাগত যোগ্যতা। মন্ত্রী পরিবারের সন্তান এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামানত হারালেন। বাউফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত। দুই ভাই এক সংগে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে।
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিল ও মুক্তিযুদ্ধ সমাচার।

Reporter Name / ১১৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

আহমেদ আলী:

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দী মেজর এম এ জলিল

  1. দেশ স্বাধীন হলো কিন্তু স্বাধীনতার স্বাদ মেজর এম এ জলিল ভোগ করতে পারেননি কারণ স্বাধীনতার পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণের সময়ে রেখে যাওয়া অস্ত্র শস্ত্র গোলা বারুদ ভারতীয় সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যাওয়ার সময় বাঁধা প্রদান করলে সেই অপরাধে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭১ মেজর এম এ জলিলকে গ্রেফতার করা হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী অস্ত্র শস্ত্র গোলা বারুদ লুটপাট ও খুলনা সীমান্ত এলাকা দিয়ে দেশের সম্পদ পাচারের তীব্র প্রতিবাদ করাই ছিল তাঁর অপরাধ ! তাঁকে ধরে প্রথমে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে অবস্থিত সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে কার্যত নজরবন্দী করে রাখা হয়।

ভারতীয় সেনাবাহিনী অস্ত্র শস্ত্র গোলা বারুদ লুটপাট ও খুলনা সীমান্ত এলাকা দিয়ে দেশের সম্পদ পাচারের তীব্র প্রতিবাদ করাই মহান মুক্তিযুদ্ধের ৯নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসাবে মেজর এম এ জলিলের ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছিল এবং এর বাইরেও তিনি ছিলেন একজন সামরিক কর্মকর্তা। বরিশাল জেলার উজিরপুরে ১৯৪২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি নানার বাড়িতে মেজর এম এ জলিলের জন্ম। তাঁর পিতা জোনাব আলী চৌধুরী ও মা রাবেয়া খাতুন। তার জন্মের ৩ মাস আগে বাবা জোনাব আলি মারা যান। উজিরপুরেই তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটে যায়। উজিরপুর ডব্লিউবি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৫৯ সালে মেজর এম এ জলিল কৃতিত্বের সাথে মাধ্যমিক পাস করেন। তিনি ফিশারিজ ডিপার্টমেন্টে চাকরি করেন এবং কিছুদিন পর চাকরি ছেড়ে পড়াশোনা করতে পশ্চিম পাকিস্তানে যান । ১৯৬১ সালে সেখানকার মারি ইয়ং ক্যাডেট ইনস্টিটিউশন থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন এবং পাশাপাশি গ্রহণ করেন সামরিক শিক্ষা। এরপরই মেজর এম এ জলিল
১৯৬২ সালে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে ট্রেনিং অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। সামরিক বাহিনীতে চাকুরিরত অবস্থায় তিনি বি.এ পাস করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি কমিশন প্রাপ্ত হন ও ১২নং ট্যাঙ্ক ক্যাভারলি রেজিমেন্টের অফিসার হিসেবে তৎকালীন পাক-ভারত যুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬৬ সালে যুদ্ধ বিরতির পর পাকিস্তান একাডেমি থেকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরে মুলতানে কর্মরত অবস্থায় তিনি ইতিহাসে এম এ পাশ করেন। ১৯৭০ সালে তিনি মেজর পদে উন্নীত হন।
তিনি ১৯৭১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি মায়ের অসুস্থতার জন্য এক মাসের ছুটি নিয়ে বরিশালে আসেন এবং মার্চে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৯নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব লাভ করেন ।মেজর এম এ জলিল সহ কয়েকজন সেক্টর কমান্ডারকে রাষ্ট্র কর্তৃক মুক্তিযুদ্ধের কোন খেতাব দেয়া হয়নি। মহান মুক্তিযুদ্ধে মেজর এম এ জলিলের অবদান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন
বি.দ্র.৮নং সেক্টর কমান্ডার মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ৭নং সেক্টর কমান্ডার মেজর নাজমুল কে খেতাব দেয়া হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category