শিরোনাম :
বিখ্যাত গিটারিস্ট কাজী অনিরুদ্ধ এবং কিছু স্মৃতিচারণ। ডিসি অফিস এলাকা থেকে ২২ মামলার আসামি ‘মাদক সম্রাট’ জসিম গ্রেপ্তার। নরসিংদীতে আলোচিত মিজান মিয়া ওরফে হৃদয় হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার। সেহরির পরপরই সং/ঘ/র্ষে জড়ালো দুই গ্রুপ, বাবা ছেলেসহ প্রাণ গেল ৪ জনের। বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ক্যাপ্টেন এহতেশাম এবং তার চলচ্চিত্র জীবন। বিখ্যাত চলচ্চিত্রাভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় এর অজানা তথ্য। শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের শিক্ষাগত যোগ্যতা। মন্ত্রী পরিবারের সন্তান এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামানত হারালেন। বাউফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত। দুই ভাই এক সংগে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে।
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন

সাবেক বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান এর বীরত্ব কাহিনি।

Reporter Name / ১১৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

ডেক্স রিপোর্ট :

টেকনাফ যুদ্ধে ৬০০ শত্রুর লাশের বিপরীতে বাংলাদেশের ঝরেনি একবিন্দু রক্তও। সিংহের মতো বুক চিতিয়ে লড়েছে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করে সেটা নাফ যুদ্ধ। বিডিআরের এক বীরত্বের ইতিহাস, যার মূল কারিগর ছিলেন মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক।

২০০০ সালের জানুয়ারি নাফ নদীর গতিপথ সরিয়ে নেওয়ার মতো বাঁধ বানাতে উদ্যোগ নেয় মিয়ানমার। আর এই বাঁধ দাঁড়িয়ে গেলে টেকনাফ শহর ভেসে যেতো নদীর গহ্বরে। ২৫০০ একর ভূমি হারানোর শঙ্কায় বারবার কুটনৈতিক টেবিলে সমাধানের চেষ্টা
করা হয়।

হুশিয়ারী অনুরোধ কিছুর তোয়াক্কা করছিল না মিয়ানমার। শেষে সিদ্ধান্ত হয় এবার জবাব দেয়া হবে অস্ত্রে। রাতের আঁধারে ২৫ লাখ গোলাবারুদ পাঠিয়ে দেন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান।এই জেনারেলের চোখে ছিল অদম্য আগুন।

২০০০ সালের ৮ জানুয়ারি দুপুর বেলা, সূর্য টা একটু হেলে পড়েছে। সবাই তখন ক্লান্তি নিয়ে একটু বিশ্রামের খোঁজে। তখনই ফজলুর রহমান বললেন বিসমিল্লাহ শুরু করো, তার মুখে যুদ্ধের এই সিক্রেট শব্দ শুনতেই বিডিআর জওয়ানরা ঝাপিয়ে পড়লো শত্রুর ডেরায়।

দুপুরের নিচু স্থান থেকে হঠাৎ আক্রমণে দিশেহারা হয়ে যায় মিয়ানমার সেনারা। টানা তিনদিন ধরে চলে এই যুদ্ধ বিডিআর বুক ফুলিয়ে লড়েছে, আর সাথে নিজের ভূমি রক্ষায় রেখেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ৬০০ সৈন্য হারিয়ে মিয়ানমার কোনঠাসা হয়ে বললো তারা যুদ্ধ চায় না।

তারপরেই নাফ নদীতে নেমে আসে অদ্ভুত শান্তি, তারা চিঠি লিখে জানালো বাংলাদেশের সাথে কোনো যুদ্ধে যেতে রাজি নয়। তারা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায়, এরপরে অঙ্গীকার নামায় সাক্ষর দিয়ে তারা প্রতিশ্রুতি দিল! ভবিষ্যতে আর কখনো নাফ নদীতে
বাঁধ দেবে না তারা।

বাংলাদেশের বিডিআর সিংহের মতো লড়ে হারায়নি একজন জওয়ান কেও। বাংলাদেশী জেনারেলের সাহসী ভূমিকায় নাফ বিজয় আজও বিডিআরের গৌরব মাখা ইতিহাসের অংশ। মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান ও ছিলেন দেশের এক ইঞ্চির জন্য
অনড়।

তথ্যসূত্র:

#বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

# সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিডিআর জোয়ানদের বীরত্ব গাঁথা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category