*প্রেস নোটঃ*
রায়পুরা থানা পুলিশ।
ইং ০৪/০২/২০২৬ তারিখ ভোর অনুমান ০৫:৩০ ঘটিকার সময় রায়পুরা থানাধীন শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ বালুচর গ্রামে হানিফ মাষ্টার গ্রুপের লোকজন ও এরশাদ গ্রুপের লোকজনদের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ককটেল বিস্ফোরন ঘটাইয়া আতংক সৃষ্টিসহ মারামারি সংঘটিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইং ০৪/০২/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ০৬:৩০ ঘটিকার সময় আসামীদ্বয়সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে রায়পুরা থানাধীন সায়দাবাদ পশ্চিমপাড়া সাকিনস্থ বাদীর বসত বাড়িতে অনধিকারভাবে প্রবেশ করিয়া ০২ নং আসামী মালেক মিয়ার হুকুমে ০১ নং আসামী মাসুম মিয়া ওরফে চায়না তাহার হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে বাদীর ছোট ছেলে মোস্তাকিম (১৪) এর বুকের বামপাশে গুলি করিয়া হত্যা করে। তৎপ্রেক্ষিতে রায়পুরা থানার মামলা নং-০৪, তারিখ-০৫/০২/২০২৬, ধারা-১৪৩/১৪৮/৪৪৭/৩০২/১১৪/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু করিয়া মামলার তদন্তভার এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ শফিউল্লাহ শিকদার এর নামে হাওলা করা হয়।
জনাব মোঃ আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক, পুলিশ সুপার, নরসিংদী মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় জনাব বায়েজিদ বিন মনসুর, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, রায়পুরা সার্কেল, নরসিংদী এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে জনাব মোঃ মজিবর রহমান, অফিসার ইনচার্জ রায়পুরা থানার নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে। বিভিন্ন তথ্যসূত্রকে কাজে লাগিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দিকে অগ্রসর হয় পুলিশ। সেই ধারাবাহিকতায় ইং ১৫/০৩/২০২৬ তারিখ দুপুর অনুমান ০২:৩০ ঘটিকার সময় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন হতে এজাহারনামীয় ০১ নং আসামী মাসুম মিয়া @ চায়না (২৫), পিতা-মালেক মিয়া, সাং-সায়দাবাদ, ইউনিয়ন-শ্রীনগর, থানা-রায়পুরা, জেলা-নরসিংদীকে গ্রেফতার করা হয়। *আসামী মাসুম মিয়া @ চায়না উক্ত হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃকাঃবি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করেছেন।*