• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
Headline
তদন্তে সত্যতা নিশ্চিত ছাড়া কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার করা যাবেনা; বিএমএসএফ! সাজেকে দফায় দফায় গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ৯ বছরের শিশু সঞ্জিতাঃ সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের প্রতিবাদ! বাবার ফাইভ স্টার হোটেল ফেলে আজ আমেরিকায় পলাতক!—চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বিতর্কিত এমপি মাহবুব রুহেল এর দুর্নীতি লুটপাটের গোমর ফাঁস! ফুলবাড়ী (২৯) বিজিবি ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত! সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে ১৩ জেলেসহ ফিশিং বোট উদ্ধার! রাজধানী ঢাকার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি চিত্র! ইরাকের মরুভূমিতে একটি জমকালো বিয়েতে ১৪০০ ভেড়া ও ছাগল এবং ২৭০টি উট জবাই! মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত ৩৩! মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্ত রাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে চলে যেতে বাধ্য করা হবে — ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা মোজতবা আলী খামেনির হুশিয়ারি! বিদেশে সংসদ সদস্যদের সফর ঘিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত!

বাংলাদেশের “ব্ল্যাক ডায়মন্ড” খ্যাত সংগীত শিল্পী বেবী নাজনীন এর উপাখ্যান।

Reporter Name
Update : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক |জনতার দেশ :

সঙ্গীতশিল্পী বেবী নাজনীন বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী । সংগীতে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য শ্রোতারা তাঁকে ভালোবেসে “ব্ল্যাক ডায়মন্ড” বা কালো হীরা বলে ডাকেন। সাড়ে চার দশকেরও বেশি সময়ের সংগীত ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন। তিনি ১৯৬৫ সালের ২৩ আগষ্ট তৎকালীন নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মায়ের নাম আবিদা মনসুর এবং বাবার নাম মনসুর সরকার। শিল্পী বেবী নাজনীনের বাবা ছিলেন একজন প্রখ্যাত সংগীত শিক্ষক এবং বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত যন্ত্রশিল্পী (বাঁশী)। বোন লিনি সাবরিন ও ভাই এনাম সরকার। তাঁর পরিবারটি ছিল সংস্কৃতিমনা। বেবী নাজনীনের সংগীতে হাতেখড়ি বাবার কাছে খুব ছোটবেলায় (মাত্র ৫ বছর বয়সে)। এরপরে তিনি গানের জগতে প্রবেশ করেন। সংগীতের পাশাপাশি লেখাপড়ার সাথে শৈশবে তিনি একজন ভালো ভলিবল খেলোয়াড় ছিলেন। খেলোয়ার হিসাবে রাজশাহী বিভাগের প্রতিনিধিত্বও করেছিলেন। শিশু বয়সেই স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে গান গেয়ে তিনি ব্যাপক প্রশংসা পান। ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর তিনি জাতীয় শিশুশিল্পী পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত পরিচালক এহতেশাম পরিচালিত ‘লাগাম’ চলচ্চিত্রে আজাদ রহমানের সুর ও সংগীতে গান গাওয়ার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তাঁর নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী হিসেবে অভিষেক ঘটে। ১৯৮৭ সালে মকসুদ জামিল মিন্টুর সংগীত পরিচালনায় সারগাম থেকে প্রকাশিত তাঁর প্রথম আধুনিক গানের একক অ্যালবাম ‘পত্রমিতা’ ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি ৫০টিরও বেশি একক অ্যালবাম এবং দুই শতাধিক মিশ্র বা দ্বৈত অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। ভারতের প্রখ্যাত শিল্পী আশা ভোঁসলে, বাপ্পী লাহিড়ী, কুমার সানু এবং কবিতা কৃষ্ণমূর্তির মতো তারকাদের সাথেও তিনি যৌথ অ্যালবামে কাজ করেছেন। শিল্পী বেবী নাজনীনের গাওয়া অসংখ্য গান মানুষের মুখে মুখে ফেরে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো: “মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে” “আমার একটা মানুষ আছে” “এলোমেলো বাতাসে উড়িয়েছি শাড়ির আঁচল” “কাল সারা রাত ছিল স্বপনেরও রাত” “দুচোখে ঘুম আসে না তোমাকে দেখার পর” “আমার ঘুম ভাঙাইয়া গেল রে মরার কোকিলে” “লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ এসেছে” “ঐ রংধনু থেকে কিছু কিছু রং” ইত্যাদি।
বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও শীর্ষস্থানীয় নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী বেবী নাজনীন, যিনি দীর্ঘ সাড়ে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর মায়াবী কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে রাজত্ব করেছেন। সংগীতে অনন্য অবদানের জন্য তাঁকে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে “ব্ল্যাক ডায়মন্ড” বা “গানের রানী” উপাধিতে ভূষিত করা হয। ২০০৩ সালে ‘সাহসী মানুষ চাই’ চলচ্চিত্রে অসামান্য পারফরম্যান্সের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০০২ এবং ২০০৩ সালে টানা দুবার বাচসাস পুরস্কারের সেরা নারী প্লেব্যাক গায়িকার খেতাব জেতেন। গানের বাইরে তিনি একজন কবিও। বাজারে তাঁর লেখা তিনটি কাব্যগ্রন্থ রয়েছে— ‘সে’, ‘ঠোঁটে ভালোবাসা’ এবং ‘প্রিয়মুখ’। শিল্পী ও কবি বেবী নাজনীন এর দীর্ঘায়ু কামনা করি।

তথ্য সূত্র :

#সংগৃহিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category