কসবা প্রতিনিধি :
ঘটনস্থল, নয়নপুর বাজার, কসবা।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গুদাম অফিসের কার্যালয় হতে সাধারণ ঠিকাদার শুল্ক কর দিয়ে নিলামে জব্দকৃত ভারতীয় পণ্য ক্রয় করার পরও যদি, বর্ডার গার্ড অর্থাৎ বিজিবি সদস্য গণ বাজারের ভিতরে এসে সরকারি নথিভুক্ত কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও সরকারি নিলাম্ কৃত মালামাল জব্দ করে সেই ক্ষেত্রে মব সৃষ্টি করল কারা,,?
সালদা নিউজের ভিডিও চিত্র ও নয়নপুর বাজার কমিটির সেক্রেটারি সাহেবের ভাষ্যমতে এসব ঘটনার জন্য দায়ী বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের অফিসার ও সদস্য বৃন্দ।
ডিসি সাহেব, ইউ এন ও সাহেব, এসপি সাহেব, জেসিও, সিও মহোদয়গণ যদি সরকারি কর্মকর্তা হয়ে থাকেন, তাহলে জনগণের প্রশ্ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিভাগীয় গুদামের কাস্টমসের ঊর্ধ্বতনও কর্তৃপক্ষ এরা কারা,,,?
এই অফিসার সাহেব দয় কি সরকারি কর্মকর্তা না।
( পাটা পুতায় ঘষাঘষি মরিচের জান শেষ)
বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (৬০) বিজিবি – এই অসেচতনা মূলক কার্যক্রমের জন্য লাইসেন্সকৃত সাধারণ ঠিকাদারগণ পর্যায়ক্রমে একটার পর একটা হয়রানির শিকার হচ্ছে। ভিডিও চিত্রে যা দেখা গেল আলোচনা পর্যালোচনা সাপেক্ষে কতিপয় বিজিবি সদস্য গন নিলামকৃত মালামাল বুঝাই পিকআপটি কে বাজার কমিটি ও সাধারণ জনগণের সম্মুখে মালিকপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়ে নিরাপদে স্ব-স্ব ক্যাম্পে চলে যান।
গত ০৬/০৬/২০২৬ ইং তারিখে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার (কসবা) থানায় হাজির হইয়া সুলতানপুর বিজেপির, সুবেদার/ জেসিও নং ৯৬৬৬/জাতীয় পরিচয় পত্র নং ৪৬২৪৯০১১০৯৩৬৫/ সুবেদার/মোঃ মাসুদ বাদী হইয়া নয়নপুর তথা বিভিন্ন এলাকার ১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
কসবা থানার মামলা নং (১৮) ০৬/০৬/২০২৬ ইং মোট ধারার পরিমাণ (১০),
মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিগণ ও ভিডিও চিত্রের সাথে কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায় নাই। মামলাটি মিথ্যা এবং বানোয়াট বটে,,,? কারণ (৯) নং আসামি মোঃ মোশারফ হোসেন (২৮) পিতা মোঃ হাকিম মিয়া। সাং নয়নপুর, পোষ্ট (কোনাঘাটা) উপজেলা/ থানা, কসবা জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাংলাদেশ। একই ব্যক্তি (১৫) নং আসামি একই মামলার আসামি হয় কি করে,,,? এতে কি প্রমাণিত হয় না যে, মামলাটি বানোয়াট ও মিথ্যা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন স্তরের (প্রশাসনের), কাছে নয়নপুর বাসীর জোর দাবি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দিয়ে এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ী ও যেজনগণকে সুষ্ঠ প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক কর্মকান্ড বন্ধের জোর দাবি জানায়।