• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
Headline
নিউ ইয়র্ক টাইমসের নির্বাহীকে গুলি করে হত্যার দায়ে শ্বশুর-শাশুড়ি কে গ্রেফতার! ২ শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাকে স্হায়ী ভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত! বাংলাদেশ বিমান এয়ার লাইন্সের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন ১০ টি এয়ারবাস (উড়োজাহাজ)! তদন্তে সত্যতা নিশ্চিত ছাড়া কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার করা যাবেনা; বিএমএসএফ! সাজেকে দফায় দফায় গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ৯ বছরের শিশু সঞ্জিতাঃ সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের প্রতিবাদ! বাবার ফাইভ স্টার হোটেল ফেলে আজ আমেরিকায় পলাতক!—চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বিতর্কিত এমপি মাহবুব রুহেল এর দুর্নীতি লুটপাটের গোমর ফাঁস! ফুলবাড়ী (২৯) বিজিবি ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত! সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে ১৩ জেলেসহ ফিশিং বোট উদ্ধার! রাজধানী ঢাকার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি চিত্র! ইরাকের মরুভূমিতে একটি জমকালো বিয়েতে ১৪০০ ভেড়া ও ছাগল এবং ২৭০টি উট জবাই!

বাংলাদেশ বিমান এয়ার লাইন্সের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন ১০ টি এয়ারবাস (উড়োজাহাজ)!

Reporter Name
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট|জনতার দেশঃ
বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ বিমান বা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ইউরোপীয় প্রস্তুতকারক (air bus)থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে এবং আগামী অক্টোবরে এ।নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।
উড়োজাহাজের ধরনঃ
এই১০ টি এয়ার বাসের মধ্যে রয়েছে চারটি A350-900 ওয়াইড বডি (বড় আকৃতির) এবং ৬টি A321neo ন্যারো বডি ছোট বা মাঝারি সাইজের উড়োজাহাজ।
বোয়িং এর সাথে চুক্তিঃ
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের সাথে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। যার মূল্য প্রায় ৬.৪ বিলিয়ন ডলার।
অর্থায়ন ও পরিশোধ পদ্ধতিঃ
জানা গেছে, নতুন এসব বিমানের জন্য একসঙ্গে কোন অগ্রিম অর্থ প্রদান করা হচ্ছে না। একটি করে বিমান হাতে পাওয়ার পর ধাপে ধাপে এর মূল্য পরিশোধ করা হবে। তাছাড়া নতুন বিমান না আসা পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ব্যবহারের জন্য আরো অন্তত দশটি বিমান লিজ বা ভাড়ায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রেস বিফিংয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক প্রশ্নের জবাবে রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, আমরা ১০টি এয়ার বাস কিনছি ইনশাআল্লাহ অক্টোবরেই চুক্তি হয়ে যাবে।
বিমানের রোড ম্যাপ হচ্ছে ৪৭ ফ্লিট করার।
আপনার সময় আপনি যেহেতু বলছেন যে আমাদের আরো ফ্লিট দরকার, আপনার কি কোন টার্গেট আছে কিনা, প্লীট নম্বর টা কততে নিয়ে যাবেন -সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমি থাকতে যদি একশোর বেশি করতে পারতাম, আলহামদুলিল্লাহ।
১০০ করলে ১০০ ই আমাদের লাভ হবে আর এটা তো সম্ভব নয়, কারণ আপনি চাইলেই কিনতে পারবেন না। তিনি বলেন, বিমান এমন একটা জিনিস যে আপনি এখনই গেলেন আর সঙ্গে সঙ্গে কিনে ফেললেন সেটাসম্ভব নয়।
আমরা যে বিমানগুলোর (বোয়িং) জন্য এখন কন্টাক্ট করলাম সেগুলো এয়ারক্রাফট পাব ২০৩১ সালে। তারপর পর্যায়ক্রমে ৩২ ৩৩ ৩৪ সাল।পর্যন্ত গিয়ে আমরা হয়তো বাকি ১৪ টি পাব। তারপরে এই দশটি এয়ার বাস ৩৫ ৩৬ ৩৭ সালে গিয়ে পাবো।
তিনি আরো বলেন বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে ১৯ টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রায় গ্রাউন্ডেড অবস্থায় রয়েছে।ফলে কার্যকর ভাবে প্রায় ১৭টি উড়োজাহাজ দিয়ে পরিচালনা করতে হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বর্তমান বহরের বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজ পুরনো হয়ে যাবে তাই বহর বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসাবে নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে ১১ টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। তার আগে আরো১৪ টি বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছিল। সব মিলিয়ে বুয়িং এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ টি।
মন্ত্রী বলেন, এসব উড়োজাহাজ একসঙ্গে দেশে আসবে না।চুক্তি অনুযায়ী প্রথম বোয়িং উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালে দেশে আসার কথা । এরপর পর্যায়ক্রমে ২০৩৫-৩৬ সাল পর্যন্ত উড়ো জাহাজগুলো সরবরাহ করা হবে। নতুন উড়োজাহাজ হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত বহর বাড়াতে লিজের মাধ্যমে অন্তত দশটি উড়োজাহাজ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, আমাদের ফ্লাইটটা বেশি বাড়ানোর জন্য ১০ টি ফ্লাইট যদি বাড়ানো যায় তাহলে ১৭ টি চলমান উড়োজাহাজের সঙ্গে আরও দশটি যুগ হবে তখন আমাদের অনেকগুলো স্লট কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
বিমান মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে বিদেশি এয়ারলাইন্স গুলো বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বাংলাদেশি এয়ারলাইন্সের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে মধ্যপ্রাচ্য সহ বিভিন্ন গন্তব্যে আরো ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে। নিউইয়র্কে পুনরায় ফ্লাইট চালুর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সিডনি রুট চালুর বিষয়েও পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানি একটি ফ্লাইট চালু রয়েছে এবং সেখানে দ্বিতীয় ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এয়ার বাস কেনার বিষয়ে কোনো চাপ বা শর্ত রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, আমরা কোন চাপে কোন কিছু করছি না। আমাদের প্রয়োজনে আমরা করছি। আমাদের ফ্লাইট এর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আমরা করছি। তিনি বলেন কোন দেশ থেকে কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে সেটি বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। দেশের প্রয়োজন ও এভিয়েশন খাতের স্বার্থ বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
বিমান মন্ত্রী বলেন, কোন এয়ার ক্র্যাফটা কিভাবে আমাদের জন্য সুইটেবল হবে সেটা চিন্তা করেই আমরা কাজ করছি। বাংলাদেশ কিভাবে লাভবান হবে কোথায় থেকে কিনলে লাভ হবে, কার কাছ থেকে কত দিয়ে কিনলে লাভবান হবো সেটাই আমাদের চিন্তা করা উচিত।
তিনি বলেন, এভিয়েশন খাতকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বহরে উড়োজাহাজ বাড়লে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে, নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট চালু করা যাবে এবং যাত্রী সেবার মান আরো উন্নত হবে। এর ফলে ভবিষ্যতে টিকেটের দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, আমরা মনে করি আমাদের এভিয়েশন খাতকে শক্তিশালী করা দরকার। নিজস্ব এয়ার লাইন্সের মাধ্যমে দেশের বেশি যাত্রী পরিবহন করা গেলে এ খাত থেকে আয় বাড়ার পাশাপাশি দেশের অর্থ দেশের মধ্যে থাকবে।
তথ্য সূত্রঃ
#বিমান পরিবহন মন্ত্রীর প্রেস ব্রিফিং
ছবিঃ
সংগৃহিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category