স্টাফ রিপোর্টার :
কারিনার দাদু কর্ণেল এম,এ হামিদ একজন বীর মুক্তিযো//দ্ধা। জিয়াউর রহমানের ক্লোজ বন্ধু হওয়ার পরও মতের অমিল হওয়ায় তাকে সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়৷ কারিনার দাদী রানী হামিদ গ্রান্ড মাস্টার, আজও খেলে যাচ্ছেন দেশের হয়ে। বাবা কায়সার হামিদ বাংলাদেশের ‘ওয়ান অফ দা ফাইনেস্ট’ ফুটবলার ছিলেন। কারিনাও নিজের স্থূল শরীরের প্রতিবন্ধকতাকে পাশ কাটিয়ে স্ট্যান্ড আপ কমেডিতে বেশ ভাল করেছেন।
এটুকু পর্যন্ত ধরলে হামিদ পরিবার বাংলাদেশের একটি মর্যাদাবান, ঐতিহ্যবাহী পরিবার। তবে সেই ঐতিহ্য বাপ-মা-মেয়ে নিজের হাতেই ধূলিসাৎ করেছে৷
কায়সার হামিদ ‘নিউওয়ে’ নামক বাটপারি কোম্পানি খুলে মানুষের টাকা হাতিয়ে জেল খেটেছেন। ৫ আগষ্ট স্ব-পরিবারে গণভবনে লুটপাটে অংশ নিয়ে বংশমর্যাদার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছেন৷ অথচ কারিনা শেখ হাসিনা অব্দি পৌছে গিয়েছিলেন৷ কয়েকবার পাশে বসে ছবি তুলেছেন৷ যে ছেলেরা ২০০৪ এর ২১ আগষ্ট কিংবা এরশাদ আমলে শেখ হাসিনাকে বাঁচাতে বুক পেতে দিয়েছিল, তাদের জন্যও শেখ হাসিনার পাশে বসে দুটো কথা বলে ছবি তোলা ছিল আকাশ কুসুম কল্পনা। যেটি কারিনা পেরেছে।
রাজনীতি তে কারিনার দাদা কর্নেল এম এ হামিদ এর
উচ্চাভিলাস ও মত পার্থক্য ( প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে) জাতির সাথে বাবা কাযসার হামিদ এর প্রতারণা,দুনম্বরি ধান্দাবাজি ব্যবসায় ধরা পড়ে জেল – হাজত খাটা সুযোগ বুঝে এই পরিবারটির রাজনৈতিক পল্টিবাজি জনমনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় আজ এই দৈন্য দশা।
ব্যক্তি স্বার্থের জন্য রাজনৈতিক পদলেহন ভবিষ্যতে কী ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনতে পারে কায়সার হামিদ পরিবারটি তার জ্বলন্ত উদাহরণ।
(সংগৃহিত তথ্য)।
ছবি:উইকিপিডিয়া।