শিরোনাম :
স্ত্রী পুত্র কন্যা মিলে বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা। শিক্ষা, সমাজ সেবা ও জাতীয় রাজনীতিতে নওয়াব বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর অবদান। নেতানিয়াহুর অসমাপ্ত মিশন বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে ইসরায়েলের দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কই বাণিজ্যিক দিক থেকে দুটি দেশ কে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। ২৭ এপ্রিল ছিল অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা এ,কে,ফজলুল হক এর মৃত্যুবার্ষিকী। সরকারি খরচে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান: পিরোজপুরে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত। সৌদি রাজবংশের অন্ধকার ইতিহাস ও ক্ষমতার পালা বদল। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে দুই বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষককে হত্যা। সন্দেহভাজন খুনি রুমমেট হিসাম আবু গার্বিয়া পুলিশের হাতে গ্রেফতার। কেন্দুয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ ২ মাদকব্যবসায়ী আটক। আততায়ীর বন্দুক নিশানা থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন

ওয়ান ইলেভেনের সময় আমিতো টাস্কফোর্স কে গোনে গোনে টাকা দেইনি,বস্তা বস্তা ভরে টাকা দিয়েছি —- নরসিংদির বিতর্কিত শিল্পপতি কাদির মোল্লা।

Reporter Name / ৬০ Time View
Update : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

মো: মনিরুল ইসলাম।

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর গ্রেফতারের পর মনে পড়ল ২০০৮ সালের কথা। ১/১১ এর সময় নরসিংদী ডিসি অফিসে যাই এক দিন।
তবে একেবারে দিনক্ষণ মনে নেই। শীতের সকাল। সে সময়ে নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ছিলেন বাঞ্ছারামপুরের সাবেক একজন ইউএনও। তিনি এখন(সচিব) অবসরে চলে গেছেন। আমি আমার সহকর্মী তৎকালীন নরসিংদীর প্রথম আলোর প্রতিনিধি আমার সঙ্গে ছিলেন। দেশে তখন সেনাসমর্থিত ফখরুদ্দিনের সরকার। দেশের “শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের” নিয়ে দুটি তালিকা প্রকাশ করে টাস্কফোর্স। ৫০ জন করে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়।
প্রথমটিতে দেশের শীর্ষ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর নাম ছিল। প্রথম তালিকায় নরসিংদীর থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির মোল্লার নামও ছিল। ওই তালিকার মধ্যে যাদের নাম ছিল তাদের কেউ কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন তখন। বেশিরভাগই আটক হয়েছিলেন যৌথবাহিনীর হাতে। কিন্তু কাদের মোল্লা আটকও হননি বা তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়েও যাননি।
তবে সেসময়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কাদির মোল্লাকে নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছিল। বিদেশ পালিয়ে না গেলেও কেন তিনি গ্রেফতার হননি, এমন কৌতুহল থেকে আমি তৎকালীন এডিসির কাছে জানতে চাইলাম “শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের” তালিকায় নাম থাকা সত্বেও কাদির মোল্লা কেন গ্রেফতার হননি? আমার প্রশ্নটি শুনে তিনি মৃদ হাসলেন এবং বললেন, আপনার মতো আমারও প্রথমে এমন কৌতুহল ছিল। উত্তর খুঁজতে গিয়ে পরে যা জানতে পারলাম তাতে আমি বিষ্মিত হয়েছি।
তিনি বললেন, এই প্রশ্নটি আমরাও কাদির মোল্লাকে করেছিলাম, তিনি (কাদির মোল্লা) উত্তরে যা বলেছিলেন তা ছিল রীতিমতো ভয়ঙ্কর! আবদুল কাদির মোল্লা বলেছিলেন, “আমিতো টাক্সফোর্সকে টাকা গুনে গুনে দিইনি, আমি টাকা দিয়েছি বস্তায় বস্তায়! তো আমাকে গ্রেফতার করা হবে কেন?”

তাহলে বুঝে নেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীরা “শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের” ধরার নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছিলেন। এসব কারণে ১/১১ এর সরকার দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। ১/১১ এর কুশীলবদের বিচার এবং তারা কোন কোন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বস্তায় বস্তায় কী পরিমাণ টাকা লুটে নিয়েছিলেন তা বের করা সময়ের দাবী।
প্রতিবেদক-
মনিরুল ইসলাম, একজন ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট এবং একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category