শাবনুরের উসকানিতেই সামিরার নেতৃত্বে সালমান শাহ # খুন হয়ে যান।
Reporter Name
/ ১১৮
Time View
Update :
রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫
Share
রবিউল ইসলাম রাজঃ
এফ ডি সিতে তখন” প্রেম পিয়াসী ” ছবির ডাবিং চলছিল। এই ডাবিং এ উপস্হিত হন সালমানের পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী এবং সালমানের স্ত্রী সামিরা – সময় আনুমানিক রাত ৮ বা সাড়ে ৮ টার সময়।
এই ছবির ডাবিং চলাকালিন – নায়িকা শাবনুর তার স্ত্রী সামিরার সামনেই সালমানের সঙ্গে দুষ্টামী ফাজলামী করতে থাকে, তা সামিরা মোটেও পছন্দ করেন না, নায়িকা শাবনুর তা জানে। আর সব জেনে বুঝেই সামিরার রাগ উঠার জন্য আরো বেশি বেশি করে ফাজলামী করতে থাকে, আর শেষে শাবনুর সালমানের কানে কামড় দেয়।
তখন সামিরা রাগ করে ডাবিং থিয়েটার থেকে সালমানের বাবাকে বলেন, বাবা আপনি কি যাবেন না কি শাবনুরের রঙ্গলীলা দেখবেন, আপনি গেলে চলেন, নইলে আপনি থাকেন আমি চলে গেলাম। সামিরা রাগ করে ডাবিং রুম থেকে বের হয়ে যায়।
তার পেছনে পেছনে দৌড়াতে থাকে সালমান, এক পর্যায়ে ডাবিং বিল্ডিং এর কর্নারে প্রচন্ড সাউটলী ভাবে চার্চ করতে থাকেন সামিরা। তখন সালমান হাতে পায়ে ধরে সামিরাকে ম্যানেজ করে আবার ডাবিং রুমে নিয়ে আসেন এবং রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত ডাবিং করেন।
তারপর ডাবিং পেকাপ করে সালমান সামিরা আর বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী কে নিয়ে বাসায় যান। তার কিছুক্ষণ পর নায়িকা শাবনুর ফোন দেন কিছু,এদিকে সামিরার সঙ্গে প্রচন্ড তর্ক বিতর্ক চলছে। সালমান ফোন রিসিভ করেন, দেখে শাবনুর সালমান ফোন রেখে দেন, শাবনুর আবার ফোন দেন, এই ভাবে তিন চার বার হওয়ার পর সামিরা ফোন ধরে এরপর শাবনুরকে সামিরা কয়েকটি গালি দেন।
এরপর রাত ১২ টার দিকে সালমানের বাবা # সালমান সামিরার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায় নিজের বাসায়।
আর সালমান সামিরার তর্ক চলতে থাকে, প্রায় রাত ১-২ টা পর্যন্ত তারপর সালমান তার বেডরুমে গিয়ে শুয়ে পড়েন কোন কিছু না খেয়ে।
ব্যাস, এই শোয়ায় তার শেষ শোয়া, ঐ রাতেই সালমান মারা যান – এখন এটা হত্যা না কি আত্নহত্যা, সে টা মাত্র আবুল, ডলি, মনোয়ারা আর সামিরা বলতে পারবেন। সালমান কি ভাবে মারা গেলো। কারন তারা ৪ জনই বাসায় ছিলেন।
তার মৃত্যুর ইতিহাস লিখে শেষ করা যাবে না –
এতে করে পরিস্কার বোঝা যায় শাবনুর আর সালমান শাহর মধ্যে চরম প্রেম ছিলো – এটা নিশ্চত।
তার উদাহরন # পৃথিবীর শ্রেষ্ট জুটি – উত্তম কুমার আর সুচিত্রা সেন। তাদের দুইজনেরই সংসার ছিলো কিন্তু তাদের প্রেম কেউ আটকাতে পেরেছিলেন? উত্তম কুমার মারা গেলে তার বাসায় সারা রাত লাশের পাশে বসে ছিলেন সুচিত্রা সেন-
আর নায়িকা শাবনুর সালমানের লাশটা পর্যন্ত দেখতে যায় নাই – তাতে প্রমান হয় যে, শাবনুর সালমানকে প্রচন্ড ভালোবাসতেন। কিন্তু তা ছিলো স্বার্থের ভালোবাসা – রিয়েল লাভ নয়। কিন্তু শাবনূর বিভিন্ন সময় সামিরার সঙ্গে এমন আচরন করতেন মনে হতো সালমান ছাড়া তার জীবন বৃথা।
শাবনুর ভালো করে জানে # সামিরা রেগে গেলে সালমান কে মানসিক টর্চার করবে। এই ভাবেই চলতে থাকে শাবনূরের প্রেম প্রেম খেলা।
তাহলে আপনারই বলেন # শাবনুরের সঙ্গে সামিরার দ্বন্দ্ব লাগবে না –
এই ছিলো # সালমানকে হত্যার মুল রহস্য ।
শাবনুর খুনি না # এটা সালমান ভক্ত সবাই জানে। তবে খুনিকে উৎসাহিত করাও একটি অপরাধ জগন্য অপরাধ – ২৯ বছর শাবনুর চুপ করে ছিলো কেন।
বি.দ্র. প্রতিবেদক, রবিউল ইসলাম রাজ
একজন *চলচ্চিত্র পরিচালক* ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। সম্পাদনায়,মাহবুবুর রহমান খান সম্পাদক-প্রকাশক,দৈনিক জনতার দেশ ও জনতার দেশ টিভি।