শিরোনাম :
বাউফলে গণকবরস্থানে চাঁদা চেয়ে হামলা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবীর অভিযোগ। সাবেক ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল আকবর এবং এস এসএফ প্রধান লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান এখন ভারতে মোদির আশ্রয়ে। জিয়া পরিবারের চার দশকের ঠিকানা হারানোর পেছনে তৎকালীন সেনাপ্রধান মুবীন। আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী। ইমাম খোমেনি ও আমেরিকার গুঁটিচাল। সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। এক যে ছিল নেতা–দেবারতী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান। ভোলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। গ্যাস সংকটে জ্বলছে না চুলা।  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি ভোক্তাগণ।  এটি ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা —-ক্যাব সভাপতি। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন

‎কলাপাড়ায় কলেজ শিক্ষার্থী সন্তানের শিক্ষাজীবন রক্ষায় মায়ের আকুতি সংবাদ সম্মেলনে

Reporter Name / ১১১ Time View
Update : সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫





‎ফোরকানুল ইসলাম, কলাপাড়া(পটুয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতা :  আমার নিরীহ সন্তান মহিপুরে মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের বিএ (স্নাতক) পড়ুয়া শিক্ষার্থী দুর্জয় হাওলাদারকে বাসায় ঘুম থেকে জাগিয়ে গ্রাম পুলিশের সহায়তায় ডেকে এনে গ্রেফতার করা হয়। জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে একই এলাকার নিখিল কর্মকারের করা ডাকাতি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে দুর্জয় অসুস্থ অবস্থায় জেলখানায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। ছেলের শিক্ষাজীবন রক্ষার আকুতি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গৃহিনী খুকুমনি হাওলাদার। তিনি এই মামলাকে পরিকল্পিত ও সাজানো দাবি করে ছেলের অব্যাহতি চেয়েছেন।


‎ রবিবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে মা খুকুমনি এসব বলে কান্নাজুড়ে দেন। এই সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন গ্রামের হিন্দু মুসলিম সম্প্রদায়ের শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত থেকে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন। তারা দুর্জয়কে নির্দোষ দাবি করে মুক্তি চেয়েছেন। তারা এমনও বলেন, একজন কলেজ শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন রক্ষায় এবং আইনের সঠিক প্রয়োগের স্বার্থে এই মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।


‎কলাপাড়ার আমিরাবাদ গ্রামের বাসীন্দা খুকুমনি হাওলাদারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তাঁর নিকটাত্মীয় গৌরি রায়। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, একই এলাকার নিখিল কর্মকারের বাড়িতে গত ২২ আগষ্ট রাতে রহস্যজনক এক ডাকাতি হয়। এটি ছিল সাজানো একটি ঘটনা। যেখানে করা মামলায় বলা হয়েছে দূর্জয়ের নেতৃত্বে ডাকাতি সংঘঠিত হয়েছে। একমাত্র দূর্জয়ের নাম উল্লেখ বাকিসব অজ্ঞাত আসামি উল্লেখ করা হয়েছে। ভোর রাতে বাসা থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় ডেকে তার ছেলে দূর্জয়কে গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর থেকে দূর্জয় জেল হাজতে রয়েছে এবং জেল হাজতে তিনি অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন  রয়েছে বলে দাবি করেন।


‎খুকুমুনির দাবি, ওই মামলায় বর্ণিত সময়ে তার ছেলে কী করছিল, কোথায় অবস্থান করেছে, এসব তদন্ত করলেই বোঝা যাবে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন- পড়শির বাড়িতে ডাকাতি করে কেউ বাসায় ঘুমিয়ে থাকে? মূলত জমিজমা সংক্রান্ত ঘটনায় নিখিল কর্মকার একাধিক ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিরোধ সৃষ্টি করায় তিনি চিহ্নিত হয়ে গেছেন। যার কারণে পরিকল্পিতভাবে হয়রাণির জন্য এই মামলাটি করা হয়েছে। খুকুমনি তার কলেজ পড়ুয়া ছেলের শিক্ষাজীবন রক্ষায় পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত স্বাপেক্ষ ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন। 


‎বর্তমানে খুকুমনির স্বামীও এ ঘটনার পর থেকে পুলিশি গ্রেফতার আতঙ্কে পলাতক রয়েছে। দোকানপাট ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। পরিবারটি চরম বিপাকে পড়েছেন। বর্তমানে এ ঘটনাটি নীলগঞ্জের সর্বত্র আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category