• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
Headline
ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের অবরোধন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ, ১০ নম্বর মেট্রোস্টেশনের গেট বন্ধ! নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন! মানবাধিকার আইনজীবীদের কারাদণ্ডে পাকিস্তানের তীব্র সমালোচনা অ্যামনেস্টির! রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কার্যক্রম ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)! রায়পুরাতে (নরসিংদী) আড়িয়লখাঁ নদে আবার ভেসে ওঠলো বস্তাবন্দি মর*দেহ! প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে আজ সেন্টমার্টিনে যাচ্ছে না কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ! ডেঙ্গুতে বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু অক্টোবরে, নভেম্বরেও ঝুঁকি! সাংবাদিককে কনডেম সেলে রাখার অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ; ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্থানান্তর না হলে হাইকোর্টে রিট! ‎নাসিরনগরের উড়িয়াইন গ্রামের চলাচলের রাস্তা ও খাল অবৈধ দখলের অভিযোগ, ইউএনও বরাবর আবেদন! শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি—জেএসডি!

মানবাধিকার আইনজীবীদের কারাদণ্ডে পাকিস্তানের তীব্র সমালোচনা অ্যামনেস্টির!

Reporter Name
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট |জনতার দেশঃ

পাকিস্তানের একটি সন্ত্রাস দমন আদালত মানবাধিকার আইনজীবী ইমান মাজারি-হাজির এবং হাদি আলী চাটাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার পর দেশটির বিচারব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভিন্নমত দমন ও মানবাধিকারকর্মীদের কণ্ঠরোধ করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের আঞ্চলিক মানব অধিকার বিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর ইয়াসমিন আহমেদ এই দণ্ডাদেশকে পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থার প্রতি বড় একটি অভিযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, মানবাধিকারকর্মীদের কণ্ঠরোধ ও ভিন্নমত দমন করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে। বিচার চলাকালীন আইনজীবীদের প্রথমে সশরীরে উপস্থিতিতে বাধা দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে কারাগার চত্বরে আদালত স্থানান্তরের পর তাদের একটি খাঁচার মতো কাঠামোর পেছনে রাখা হয়েছিল। শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার চর্চা এবং মানবাধিকারের পক্ষে কথা বলার কারণেই তাদের এই পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে।
বলপূর্বক গুম, অন্যায় রাষ্ট্রীয় বিচার এবং ধর্ম অবমাননা আইনের শিকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পক্ষে সোচ্চার থাকার জন্য পরিচিত এই দুই আইনজীবী। গত ২৪ জানুয়ারি সামাজিক মাধ্যমে সামরিক বাহিনীর সমালোচনা এবং বেলুচ ও পশতুন কর্মীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে পোস্ট করার দায়ে ইলেকট্রনিক অপরাধ প্রতিরোধ আইনের অধীনে তাদের ১০ থেকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
যদিও গত ১৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট তাদের সাজা স্থগিত করে জামিন মঞ্জুর করেছিলেন, তবে একই দিনে পৃথক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযোগে তাদের আবার গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০২৫ সালের মার্চে বেলুচ আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভে বিশৃঙ্খলা এবং ২০২৪ সালের একটি ক্রিকেট ম্যাচের নিরাপত্তা বেষ্টনী অপসারণের মতো পুরনো ঘটনার সঙ্গে এই মামলাগুলো সম্পৃক্ত।
২৬তম ও ২৭তম সাংবিধানিক সংশোধনের পর পাকিস্তানের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে দেশজুড়ে যখন তীব্র উদ্বেগ চলছে, ঠিক তখনই এই আলোচিত রায়টি এলো।
তথ্য: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম

ছবিঃ

সংগৃহিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category