মনিরুল ইসলাম আকন্দ সোহেল (স্টাফ রিপোর্টার): নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (স্কুল অ্যান্ড কলেজ)-এর পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সভাপতি জাহানা আফরোজের সংবর্ধনা, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের হাসেম বৃত্তি প্রদান ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর ও জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব বাবুল আহম্মদের সভাপতিত্বে ও সহকারী অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান ভূঞা এবং সহকারী শিক্ষক ফারুক আহমেদ রাসেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম ভূঞা রুকন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান খান মহসীন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. ইয়াকুব আলী ভূঞা জুয়েল, অভিভাবক সদস্য মো. শহীদুল ইসলাম সবুজ এবং হাসেম বৃত্তি ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি ও ধলা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহানারা বেগম আছমা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়। এর আগে সংবর্ধিত সভাপতি নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীর সহধর্মিণী জাহানা আফরোজ, প্রধান অতিথি ইউএনও সানজিদা চৌধুরীসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় তাঁদের উদ্দেশে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
পরে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং উত্তরীয় পরিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত সভাপতি জাহানা আফরোজ ও প্রধান অতিথি ইউএনও সানজিদা চৌধুরীকে স্মারক উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আনোয়ার উদ্দিন হিরন।
পরে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৬ জন কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের মেধা, অধ্যবসায় ও ভালো ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। সংবর্ধনা, বৃত্তি প্রদান ও সাংস্কৃতিক আয়োজন ঘিরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।