স্টাফ রিপোর্টার :
আসন্ন এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমি আপনাদের সামনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছি। আমার কাছে এই পদ কোনো ক্ষমতার আসন নয়, এটি একটি পবিত্র দায়িত্ব, একটি অঙ্গীকার, একটি আমানত।আমার দীর্ঘ ৪২ বছরের রাজনীতির পথচলা ছিল ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস। জেল, জুলুম, হামলা, অসংখ্য মিথ্যা মামলা, সবকিছুর মুখোমুখি হয়েছি অবিচল সাহস নিয়ে। জীবনের নিরাপত্তা বিসর্জন দিয়েছি, পরিবারের সুখ ত্যাগ করেছি, কিন্তু দলের নীতি ও আদর্শ থেকে কখনো এক চুলও সরিনি। কারাগারের অন্ধকার কুঠুরিতে থেকেও দলের স্বার্থে এবং জনগণের অধিকারের প্রশ্নে কোনো আপোষ করিনি।আমি বিশ্বাস করি একটি শক্তিশালী সংগঠনের মেরুদণ্ড হলো ঐক্য, আর সেই ঐক্য রক্ষা করতে দরকার নিষ্ঠাবান, ত্যাগী, সৎ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব। আমার রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আমি সততা, শিষ্টাচার ও সুসম্পর্ক বজায় রেখেছি। আমার উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কর্মতৎপরতা দিয়ে আমি সবসময় দলের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখেছি।প্রিয় কাউন্সিলরগণ,আপনাদের একটি ভোট শুধু আমাকে সাধারণ সম্পাদক করবে না, এটি হবে আমার ত্যাগ, ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান, দলের প্রতি ভালোবাসা এবং দীর্ঘ সংগ্রামের স্বীকৃতি। আর আল্লাহর ইচ্ছায়, যদি আপনারা আমাকে এই দায়িত্বে নির্বাচিত করেন, তবে আমি শুধু সাধারণ সম্পাদক হিসেবেই নয়, ইনশাআল্লাহ আমি নেত্রকোনা-৩ আসনে এমপি নির্বাচনে জয়ী হয়ে আপনাদের একজন সংসদ সদস্য হিসেবেও পাশে থাকব।একইসাথে, আমার আন্তরিক আহ্বান। দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মীরা আমার পাশে থাকুন, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন, ঐক্যের শক্তিতে আমাকে সাহস দিন। কারণ একজন মানুষ একা যতই চেষ্টা করুক, দলের বিজয় আসে সবার একসাথে কাজ করার মাধ্যমে। আপনাদের সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা ও ভালোবাসা পেলে আমরা একসাথে নেত্রকোনা জেলা বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও সংগ্রামী রূপে গড়ে তুলতে পারব।আসুন, আমরা সবাই মিলে এগিয়ে যাই। দলের পতাকা উঁচুতে তুলে ধরি, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনি, আর আগামী দিনের বিজয়ের পথে ঐক্যবদ্ধ হই আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।