ক্রাইম রিপোর্টার: নরসিংদির কালিবাজার (বড় বাজারে) আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে
বিএনপির দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব আতঙ্কে বাজার বন্ধ।
এক গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাজারের সভাপতি বাবুল সরকার অপরদিকের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাজারের ইজারাদার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হান্নান সরকারের ছেলে সিজার সরকার ।আজ শুক্রবার ছিল নির্ধারিত বাজার।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল সহ নরসিংদি সদরের ৬টি উপজেলা
সীমান্তবর্তী কিশোরগঞ্জের ভৈরব,বাজিতপুর,কুলিয়ারচর,নিকলি,মিঠামইন,কটিয়াদি,তাড়াইল,টঙ্গি,গাজীপুর বি,বাড়িয়ার আশুগঞ্জ,সলিমগঞ্জ
বাঞ্ছারামপুর থেকে সড়্ক ও নদী পথে অসংখ্য ক্রেতা
বিক্রেতা বাংলার ম্যানচেস্টার বলে খ্যাত নরসিংদীতে
আসে বিভিন্ন তাঁত বস্ত্র,শাড়ী, লুঙ্গি, কাপড় বুনার সূতা
রং সংগ্রহ সহ বিভিন্ন কাঁচামাল,ব্যবসায়ী পণ্য সংগ্রহ করতে।সাপ্তাহিক শুক্রবার হাটের দিনে নরসিংদীতে কয়েকশত কোটি টাকার বেঁচা কেনা হয়।চাঁদাবাজি দখল
দারিত্বের কারণে নরসিংদির অনেক বাজারই আজ বিপন্নের পথে। নেই আগের মত ক্রেতা বিক্রেতার ভিড় বাট্টা। ৫ আগস্টের পর থেকে হাঁট-বাজার,বাসস্ট্যাণ্ড,খেয়াঘাট,মাদক ব্যবসা,ডিশ লাইন সংযোগ,সড়ক ও জনপথের টেণ্ডারবাজি,গ্যাস -বিদ্যুত লাইনের ঠিকাদারি,সহ নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণভার ও দখল নিতে একটি
চিহ্নিত সন্ত্রাসীচক্র বিএনপির রাজনৈতিক ব্যানারে আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা বিএনপির শীর্ষ স্হানীয়
নেতৃবৃন্দের সাথে এ ব্যাপারে কথা হলে তারা দৈনিক
জনতার দেশ কে জানান,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
বি,এনপি কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কে সমর্থন করেনা।
বিগত দিনে নরসিংদীতে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে
অনেকেই দল থেকে বহি:স্কৃত হয়েছেন। দলের ভাবমূর্তি
ক্ষুন্ন করে কেউ পার পাবেনা বলে জানিয়েছেন জেলা
বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব জামাল আহমেদ
চৌধুরী ও যুগ্ম সম্পাদক এম.এন জামান। আগামী
নির্বাচন কে বানচাল করতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে
একটি মহল বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সহ
অপকর্ম করে যাচ্ছে। দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমাদের
নেতা তারেক জিয়ার নির্দেশ কারো বিরুদ্ধে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অভিযোগ উত্থাপিত হলে তাকে
দল থেকে বহিঃস্কার সহ যথোপযুক্ত ব্যবস্হা নেয়া হবে
বলে মুঠোফোনে জনতার দেশ কে জানিয়েছেন জেলা
বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এম.এন.জামান।নরসিংদির বড়
বাজারে আজকের ন্যাক্কার জনক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে নরসিংদী থেকে প্রকাশিত সকল লোকাল দৈনিক,
সাপ্তাহিক, অনলাইন পোর্টাল সহ সকল জাতীয় পত্রিকার জেলা প্রতিনিধিগণ সংবাদ প্রকাশ করেছেন।
দৈনিক জনতার দেশ এর উক্ত প্রতিনিধি ঘটনা স্হল
পরিদর্শন করে বাজার ব্যবসায়ীদের সংগে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছেন এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ প্রশাসন কোন
দুর্ঘটনা ব্যতিরেখে বাজারের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে
আগে থেকেই সতর্কাবস্হায় ছিল। তাদের কাছে মেসেজ
ছিল বাজার কমিটির সভাপতি এবং ইজারাদার এর মধ্যে
বাজারের আধিপত্য নিয়ে আজ একটা দাঙ্গা- হাঙ্গামার
সৃষ্টি হতে পারে। পুলিশের এই তড়িৎ প্রশাসনিক উদ্যোগের
কারনে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।উভয় পক্ষের ফাঁকা
গুলির মাধ্যমেই বিষয়টি এই পর্যন্ত গড়িয়েছে। এ ব্যাপারে
নরসিংদী জেলা প্রশাসক রাশেদ হোসেন চৌধুরী এবং পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান এর প্রশাসনিক হস্তক্ষেপেই
কোন প্রাণহানি ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে জানা
গেছে। যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় নরসিংদী জেলা
পুলিশ পূর্বের চেয়ে অনেক সক্রিয় বলে জানিয়েছেন বাজার ব্যবসায়ী সহ ক্রেতা বিক্রেতা গণ।