শিরোনাম :
আহমদ ছফার বিয়ে ও শামীম শিকদার প্রসঙ্গ। যত চাপই আসুক ব্রিটেন কে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে নেয়া যাবেনা —- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। একটি শিক্ষনীয় গল্প এবং আমাদের মানবিক চরিত্র। ৯ম পদাতিক ডিভিশনের নিষ্ক্রিয়তা: ৪ আগস্টের রহস্য ঘিরে নতুন প্রশ্ন। আধুনিক বিকৃত ইসলাম এবং মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম। জন দুর্ভোগের সূতিকাগার নরসিংদী পৌরসভা হরমুজ প্রণালী কে ইস্যু করে তেহরানের নতুন পরিকল্পনা ৩ শ্রেণীতে বিভক্ত দেশ। কূয়াকাটায় ছাত্র হিযবুল্লাহর উদ্যোগে দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তৈরির আশঙ্কা, নিজ নিজ শর্তে ই*রান- আ*ম্রিকা দু’পক্ষই ছাড় দিতে নারাজ, সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি কোন পক্ষ। কুরআনের অপব্যাখ্যার অজুহাতে কুষ্টিয়ায় কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর কে পিটিয়ে হত্যার নেপথ্য কাহিনি।
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন

তথ্য প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকাই যে কোন জাতির জন্য অশনিসংকেত।

Reporter Name / ৪৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

পৃথিবীর ইহুদী, খৃষ্টানসহ অমুসলিম সকল দেশ যখন চিৎকার করে বলছে, মুসলমান কোন দেশকে শক্তিশালী হতে দেওয়া যাবে না, কোন আনবিক শক্তি অর্জন করতে দেওয়া হবে না, ঠিক তখনো আমাদের দেশের ইসলামের আলেম, মুসলিম ঠিকাদারেরা গ্রামে- গঞ্জে, পথে- ঘাটে মসজিদ বানিয়ে তসবিহ হাতে ভেতরে বসে বসে তসবিহর দানা টিপে আর আবাবিল পাখি আসার জন্য দোয়া করে।

পৃথিবী যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানে আকাশ ছুঁয়ে ফেলেছে, তখনো এদেশে মোড়ে মোড়ে, আনাচকানাচে মাদ্রাসা বানিয়ে ইমাম মাহাদি আসার কেচ্ছা কাহিনী পড়ানো হয়।

প্রতিবেশী দেশ যখন আধুনিক স্যাটেলাইট বানিয়ে আকাশে নিক্ষেপ করা নিয়ে ব্যস্ত, তখন এদেশের মাদ্রাসায় ছাত্রছাত্রীদেরকে দিয়ে ঢিলাকুলুপ বানানোর মহড়া দেওয়া হয়॥

সোহানা খান:
পৃথিবী যখন দেশ বিদেশে গিয়ে আধুনিক বিজ্ঞান রিসার্চ করে পৃথিবীর মানব সভ্যতাকে টিকিয়ে রাখতে কোয়ান্টম কন্সেন্স নিয়ে এগিয়ে যায়, তখনো এদেশে মাদ্রাসার ছোট ছোট শিশুছাত্রদেরকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে এবং বাড়ি বাড়ি সাহায্যের নামে ভিক্ষাবৃত্তিতে পাঠায়।

ফিলিস্তিনের ছোট ছোট শিশুরা বোমার আঘাতে মরছে, আর মুসলমানেরা লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে আরবে যায় মিথ শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করে মারতে।

পৃথিবী যখন অন্যদেশ থেকে রিসোর্সপত্র হায়ার করে নিজেদেরকে আরো সমৃদ্ধ করতে ব্যস্ত, তখন এদেশের ইমাম মুয়াজ্জিন আর হুজুররা চাঁদা তোলার রশিদ নিয়ে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে।

অন্যান্য স্বল্প উন্নত দেশগুলো যখন উন্নত দেশে গিয়ে তাদের প্রযুক্তি রপ্ত করতে ব্যস্ত, ঠিক তখন বাঙালিরা উন্নত দেশে গিয়ে নিজেদের গোরামি দিয়ে উন্নত দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে গোড়ামি পথে আসার অপেক্ষা করে। নিজেকে শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত করে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের জ্ঞান বিজ্ঞান তাদের গবেষনাপত্র বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশ করে নিজেদের উদ্ভাবিত জ্ঞানের পরিধি জানান দেয়, তখন আমাদের দেশে সারারাত মাইক বেধে সাধারন মানুষের সামনে অতুলনীয় ভাবে মিথ্যাচার করে সত্যকে আড়াল করতে তৎপর। সারারাত মাইক বেধে চিৎকার চেচামেচির শব্দদূষনের কারণে শিশু বৃদ্ধ রোগীদেরকে আরো বিপর্যয়ের মুখে পতিত করে।

যে কারনেই বিগত ১ হাজারের বছরের ইতিহাসে মুসলমানের কোন উন্নতি কল্যান তো হয়-ই নাই, বরং দিনে দিনে ধ্বংসের পথে পতিত হয়েছে। ঠিক একই কারনে বিগত ১ হাজার বছরে মুসলমান পৃথিবীর মানব কল্যানে একটি অবদানও রাখতে পারে নাই।
-তাহলে ধ্বংস কাদের হওয়া উচিত?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category