• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
Headline
বিএনপিকে হেয় করতেই সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে জামায়াতঃ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম! মাদক, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের অভিযোগ ফরহাদের বিরুদ্ধে; রাজনৈতিক পরিচয় যাচাইসহ তদন্তের দাবি! টেকনাফে গুজব প্রতিরোধে তরুণদের সচেতনতামূলক কর্মসূচি! দুই মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি! কক্সবাজারে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ এক নারী গ্রেপ্তার! আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই শতভাগ যুবকদেরকে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়তে চাইঃ-  যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক! ভারতের সহকর্মীর গুলিতে আধা সামরিক বাহিনীর ৪ সদস্য নিহত! নিউ ইয়র্ক টাইমসের নির্বাহীকে গুলি করে হত্যার দায়ে শ্বশুর-শাশুড়ি কে গ্রেফতার! ২ শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাকে স্হায়ী ভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত! বাংলাদেশ বিমান এয়ার লাইন্সের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন ১০ টি এয়ারবাস (উড়োজাহাজ)!

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী বর্তমানে ব্যাপক সংস্কার, আইনি ট্রানজিশন এবং নিজেদের নিরাপত্তা জোরদারকরণে এক চরম সংকটের মুখোমুখি।

Reporter Name
Update : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

মাহবুবুর রহমান খান :
পুলিশ বাহিনীতে বর্তমানে ক্রান্তিকাল চলছে।নিজেদের অস্হিত্ব রক্ষার সংগ্রামে তারা এখন মরিয়া। নিজেদের চাকরি বহাল তবিয়তে আছে কি নেই সেই অনিশ্চয়তা আর দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ওসি,কনস্টেবল পদ মর্যাদার ব্যক্তিরাও। প্রত্যেকের ঘাড়ে চেপে বসে আছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘ভূত’।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ আলী হোসেন ফকির। ২০২৪ সালের জুলাই -গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে শুরু হওয়া বাহিনীর অভ্যন্তরীণ রদ বদল, মামলা ও আস্থার সংকট কাটিয়ে ওটার চেষ্টা এখনো চলমান।

বর্তমানে পুলিশের প্রধান হালচাল ও পরিস্থিতি কয়েকটি পয়েন্টে তুলে ধরা হলোঃ
১.আইনি চাপ অভ্যন্তরীণ রদবদল :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের প্রায় ১৪৯০ জন সদস্য মামলার আসামি হয়েছেন এবং সাবেক আইজিপি সহ অন্তত ৬৮ জন পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন।
* বাধ্যতামূলক অবসর ও (ওএসডি):রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে কয়েক দফায় শতাধিক পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্যকে (OSD)ওএসডি সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
*মনস্তাত্ত্বিক চাপ :ঢালাও মামলা ও জনবল সংকটের কারণে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ ও কাজের গতিতে কিছুটা শ্লথ গতি
লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
২.নিরাপত্তা তৎপরতা ও হাই এলার্টঃ

* দেশব্যাপী সর্বোচ্চ সতর্কতা: সম্প্রতি গোয়েন্দাা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের গাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার আশঙ্কায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেশ জুড়ে সর্বোচ্চ সর্তকতা ( Maximum Alert) জারি করা হয়েছে।
*বিশেষ অভিযান :ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপি সহ সারাদেশে অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। ডিএমপি সম্প্রতি ২৪ ঘন্টার অভিযানে আরো শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

৩.পোশাক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার

* নতুন পোশাক ইউনিফর্ম :২০২৪ সালের পর এই প্রথম পুলিশের পোশাকে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। জেলাপুলিশের জন্য গাঢ় নীল শার্ট এবং মেট্রোপলিটন পুলিশের জন্য হালকা অলিভ রঙের শার্টের সাথে খাকি
ট্রাউজার নির্ধারণ করে নতুন ইউনিফর্ম চালুর প্রক্রিয়া চলছে।
*আধুনিকায়নের প্রস্তাব :পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে একটি “ডেডিকেটেড সাইবার ক্রাইম ইউনিট” গঠন, পুলিশ মেডিকেল সার্ভিস চালু এবং সিলেট ও বরিশালে নতুন দুটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনে প্রস্তাবনা রয়েছে।

৪.আস্হার সংকট বনাম উত্তরণের চেষ্টাঃ
*মাঠ পর্যায়ে পুলিশ এখন অনেকটাই নিজস্ব সক্ষমতায় কাজ শুরু করলেও জনগণের পূর্ণ আস্তায় ফেরানোর লড়াই এখনো চলছে.
*সরকারের পক্ষ থেকে পুলিশকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত হয়ে পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করার এবং (মব ভায়োলেন্স) গণ পিটুনি ও কিশোরগ্যাং দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তারপরও জুলাই গণ অভ্যুত্থানের দুই বছর পার হলেও এর রেশ এখনো কাটেনি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে। ছাত্র জনতার উপর গুলি বর্ষণের অভিযোগে বাহিনীর দেড় হাজারের কাছাকাছি সদস্য এখন ফৌজদারী মামলার আসামি। এর প্রভাবে পুলিশের বিভিন্ন স্তরে দেখা দিয়েছে ব্যাপক অস্থিরতা। কেউ কারাগারে,কেউ পলাতক আবার কাউকে পাঠানো হয়েছে বাধ্যতামূলক অবসরে।
পুলিশ সদর দপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী গণঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত মামলায় মোট ১৪৯০ জন পুলিশ সদস্যের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে ৬৮ জন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন আর ৫৭ জন এখনো পলাতক রয়েছেন। পাশাপাশি ১৪১জন সদস্যকে বাধ্যতামূলকভাবে অবসরে পাঠানো হয়েছে এবং ১৪২ জন কে ওএসডি বা বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছে। কর্মস্থল থেকে পালানোর অভিযোগে সাময়িক বরখাস্তের মুখে পড়েছেন আরও ৯৩
জন। এই ব্যাপক শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মধ্যে উঠে এসেছে ভিন্ন মতও।শাস্তি পাওয়া কর্মকর্তাদের একাংশের দাবি, ঘটনার সঙ্গে প্রকৃত সংশ্লিষ্টতা যথাযথভাবে যাচাই না করেই অনেককে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতেঃ কেউ কেউ ঘটনার দিন কর্মস্থলেই ছিলেন না কারো নাম ডিউটির তালিকাতেই ওঠেনি সম্পূর্ণ ভিন্ন ইউনিটে কর্মরত ছিলেন, তা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে মামলার রুজু করা হয়েছে।এই অংশের অভিযোগ, পুলিশের ভেতরকার দ্বন্দ্ব এবং রাজনৈতিক প্রভাব ও এসব মামলায় ভূমিকা রেখেছে।
অন্যদিকে বাহিনীর আরেকটি অংশ মনে করছেন,অতীতে ক্ষমতার অপব্যবহার বা আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত বল প্রয়োগে জড়িতদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি তবে তারাও একমত যে, শাস্তির প্রতিটি সিদ্ধান্ত যেন সঠিক তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে নেওয়া হয়। যাতে নির্দোষ কেউ ভুক্তভোগী কিংবা অপরাধী তালিকায় ওঠে না
আসে। গ্রেফতার হওয়া ৬৮ জনের তালিকায় রয়েছেন সাবেক মহা পরিদর্শক (আইজিপি), অতিরিক্ত আইজিপি, মহানগর পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং থানা পর্যায়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এর মত গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিরাও। পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সারাদেশে মোট ১৩৭ জন সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। যাদের মধ্যে ৮০ জন পরে কাজে ফিরে এসেছেন। বাকি ৫৭
জনের মধ্যে ডিআইজি থেকে শুরু করে কনস্টেবল পর্যন্ত বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন।
পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক( ক্রাইম এন্ড অপারেশনস)খন্দকার রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পলাতক সদস্যদের মধ্যে যাদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছরের কম তাদের কে বিভাগীয় মামলার মাধ্যমে বরখাস্তের প্রক্রিয়া চলছে।আর যাদের ২৫ বছরের বেশি চাকরির বয়স তাদের কে সরাসরি বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।
অভ্যুত্থানের পর থেকে ধাপে ধাপে ১৪১ জন পুলিশ সদস্যকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে এর মধ্যে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে পাঠানো হয় ৫৬ জনকে আর নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠনের পর আরো ৮৫ জনকে একই প্রক্রিয়ায় অবসরে পাঠানো হয়। সর্বশেষ গত ২৩ জুলাই আরো ১৭ জন কর্মকর্তাকে এই তালিকায় সংযুক্ত করা হয়।
খোন্দকার রফিকুল ইসলাম আরো জানান, মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং যাদের কারাদণ্ড হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক রেড নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান।
এছাড়াও বিভিন্ন পদের ৮২ জনকে ওএসডি করা হয়েছে সব মিলিয়ে ১৪২ জন কে বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী পলায়নের অভিযোগে ৯৩ জনকে সামরিক দরখাস্ত করা হয়েছে যাদের মধ্যে ৭ জন ডিআইজি, ১২ জন অতিরিক্ত ডিআইজি, ৩২ জন পুলিশ সুপার,২৫ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ১৭ জন সহকারী পুলিশ সুপার। এর বাইরে আরও ২৬ জন কে বিভিন্ন ইউনিট থেকে সাময়িক দরখাস্ত করা হয়েছে।
গত বছরের ৭ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, কর্মস্থল ছেড়ে পালানোর অভিযোগে ডিআইজি থেকে পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তাদের বিপিএম, পিপিএম পদক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বাহিনীর ভেতরে মত পার্থক্য রয়েছে। শাস্তি পাওয়া কয়েকজনের দাবি ঘটনার সময় তারা আদৌ ঘটনা স্হলে ছিলেন না, বা ডিউটিতেও ছিলেন না। তাদের অভিযোগ, তৎকালীন প্রভাবশালী কিছু পুলিশ কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাবে তাদের নাম মামলায় যুক্ত করা হয়েছে যার পরিণতিতে সিদ্ধান্ত আসে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, অভ্যুত্থানের সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার হিসেবে কর্মরত অতিরিক্ত ডিআইজি মশিউর রহমান সহ চারজন উপকমিশনার এবং সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের তিনজন পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তার নাম নাকি সেদিনের ডিউটি তালিকাতেই ছিল না। তারপরও তাদের নামে একাধিক মামলা হয়েছে এমন দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে মশিউর রহমান সহ দুজন কারাগারে দুজন রেঞ্জ কার্যালয় সংযুক্ত একজন পলাতক এবং আরেকজন নিয়মিত দায়িত্বে বহাল আছেন।
বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্তদের তালিকায় থাকা কয়েকজনের সহকর্মীরা দাবি করেছেন,এই কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেকেই কখনো জেলা পুলিশ সুপার বা কোন স্পর্শকাতর গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বই পালন করেননি। এই তালিকায় নাম উঠে এসেছে ডিআইজি কাজী জিয়াউদ্দিন ডিআইজি আব্দুল্লাহিল বাকি এবং অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানার।সহকর্মীদের ভাষ্যে দীর্ঘ পেশাদার জীবনে পরিচিত তাদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে সরাসরি জড়িত থাকার কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ নেই। বরং প্রতিদ্বন্দ্বী কর্মকর্তাদের প্রভাব বা অভ্যন্তরীণ পেশাগত দ্বন্দ্বই তাদের এই পরিণিতির কারণ বলে মনে করছেন তারা।
সাবেক আইজিপি মোঃ আব্দুল কাইয়ুম এ প্রসঙ্গে বলেন,যে কোন ব্যবস্থা নেওয়ার আগে যথাযথ অনুসন্ধান ও তথ্য যাচাই হওয়া জরুরী। যাতে একজন নির্দোষ ব্যক্তি ও শাস্তি না পান এবং কেউ যেন পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত বা অহেতুক চাকরিচ্যুত না হন।
পুলিশ৷ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে অবশ্য এসব প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।
সার্বিক চিত্র থেকে স্পষ্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিসংখ্যান প্রক্রিয়া একদিকে যেমন অতীতের বলপ্রয়োগ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের চেষ্টা করছে তেমনি অন্যদিকে তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে খোদ বাহিনীর অভ্যন্তরেই। প্রকৃত দোষীদের বিচারের পাশাপাশি নির্দোষ কর্মকর্তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে; এই ভারসাম্য বজায় রাখতে না পারলে বাহিনীর মনোবল ও কার্যকারিতা উভয়ই দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
আইনশৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্হিতি আরো অবনতির দিকে ধাবিত হতে পারে।

তথ্য সূত্র
# citizens voicebd.com
#crime watch24bd.com
#protidinerbartakantho.com
#Facebook.citizens voice
# voice Bangla
# bishow barta.com
#prothom alo
#bdnews24.com
# daily ittefaq
# daily Jugantor
#daily Amader Shomoy
প্রতিবেদক,
মাহবুবুর রহমান খান,
সম্পাদক -প্রকাশক
দৈনিক জনতার দেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category