শিরোনাম :
আহমদ ছফার বিয়ে ও শামীম শিকদার প্রসঙ্গ। যত চাপই আসুক ব্রিটেন কে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে নেয়া যাবেনা —- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। একটি শিক্ষনীয় গল্প এবং আমাদের মানবিক চরিত্র। ৯ম পদাতিক ডিভিশনের নিষ্ক্রিয়তা: ৪ আগস্টের রহস্য ঘিরে নতুন প্রশ্ন। আধুনিক বিকৃত ইসলাম এবং মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম। জন দুর্ভোগের সূতিকাগার নরসিংদী পৌরসভা হরমুজ প্রণালী কে ইস্যু করে তেহরানের নতুন পরিকল্পনা ৩ শ্রেণীতে বিভক্ত দেশ। কূয়াকাটায় ছাত্র হিযবুল্লাহর উদ্যোগে দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তৈরির আশঙ্কা, নিজ নিজ শর্তে ই*রান- আ*ম্রিকা দু’পক্ষই ছাড় দিতে নারাজ, সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি কোন পক্ষ। কুরআনের অপব্যাখ্যার অজুহাতে কুষ্টিয়ায় কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর কে পিটিয়ে হত্যার নেপথ্য কাহিনি।
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

এমপি-মন্ত্রীদের সম্পদ ব্যবসা বাণিজ্যের গোপন তদারকি করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া।

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

ফরিদ উদ্দিন রনি: সংসদ সচিবালয় থেকে এক রিপোর্টিংয়ে জানা গেছে, এমপি-মন্ত্রীদের সম্পদ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের খোঁজখবর নেওয়া এবং তাদের কার্যক্রম গোপনে মনিটরিং করতে গোয়েন্দাসংস্থাকে কাজে লাগিয়েছেন তারেক রহমান।

যেই গোয়েন্দা বাহিনীকে নজরদারির ও অনিয়মের রিপোর্ট তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা ঠিকমতো কাজ করছে কিনা, তা নিশ্চিতে তাদের ওপর তদারকি করতে গোয়েন্দা আরেকটি টিমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতি দুই সপ্তাহ পর পর তারা প্রধানমন্ত্রীকে আপডেট দিবে, দেড় কিংবা দুই মাস অন্তর অনিয়িম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগ-বাণিজ্যসহ অন্য যেকোনো অনিয়মের ওপর চুড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিবে।

তাদের রিপোর্ট আরেকটি গোয়েন্দা টিম দ্বারা ক্রসচেক করা হবে, ঘুষ, নিয়োগ-বাণিজ্য, কমিশন-বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ যেকোনো অনিয়মের যদি সত্যতা মেলে, তাহলে শাস্তির পেতে পারেন সেসব এমপি-মন্ত্রীদের। গুরুতর অভিযোগ প্রমাণ পেলে মন্ত্রীত্বও চলে যেতে পারে, যেকোনো সময়ে যেকারো।

যেটা মন্ত্রীদেরকে শপথ পড়ানোর দিন থেকে তারেক রহমান সবাইকে বলে আসছেন- বিশ্বাস রেখেছি, কাজ করে প্রমাণ করেন। ৬ মাসের মধ্যেই দৃশ্যত পরিবর্তন না আনতে পারলে মন্ত্রীত্ব ধরে রাখার সুযোগ নাই। নিশ্চিতভাবে আপনার স্থান অন্য একজন ডিজার্ভ করেন।

প্রথম দিন থেকে সবাইকে চাপে রাখছেন তারেক রহমান।

গোয়েন্দা প্রথম রিপোর্টে ২ জন মন্ত্রী, ৩ জন প্রতিমন্ত্রী এবং
২৩ জন এমপির ‘প্রশ্নবিদ্ধ কার্যক্রম’ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে। এ রিপোর্টটি ক্রসচেক করাতে আরেকটি টিমের হাতে দেওয়া হয়েছে। তাদের চুড়ান্ত রিপোর্টে পেলেই প্রয়োজনীয় এ্যাকশন যাবেন অনিয়মের ধরণ অনুযায়ী।

সচিবালয় ও মন্ত্রণালয়-কেন্দ্রিক তদবিরবাজদের তালিকাও করা হচ্ছে। মন্ত্রীদের পাশাপাশি তাদের পিএস-এপিএসরাও বিশেষ মনিটরিংয়ে আছেন; তাদের কক্ষে প্রবেশকারীদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে অতীত কর্মকাণ্ড সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদবিরবাজের তালিকায় নাম পাওয়া গেলেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা এমপিদের জানানো হচ্ছে। বিষয়টিতে তারা গুরুত্ব না দিলে বা উপেক্ষা করে গেলে সেগুলো রিপোর্টিং আকারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হচ্ছে। পুরো বিষয়টি মনিটরিং করছেন প্রধানমন্ত্রীর দুইজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি।

জিয়াউর রহমান বলছিলেন, আমি রাজনীতিবিদদের জন্য রাজনীতি কঠিন করে ফেলব।

তারেক রহমান সেটা আবার ফিরিয়ে আনবেন, যেটা আমি নির্বাচনের আগে থেকে বলে আসতেছি।

জাস্ট ৬টা মাস গেলে টের পাওয়া যাবে, এমন অনেক কিছু মানুষ দেখতে পারে, যেটা কেউ ঘূর্ণাক্ষরেও হয়ত ভাবেননি।
বি.দ্র.
*প্রতিবেদক একজন সমাজ চিন্তক ও রাজনীতি বিশ্লেষক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category