• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
Headline
সেন্ট মার্টিনে গিয়ে এক রাত থেকে ঘুরে আসতে কত টাকা খরচ হতে পারে! চ্যাম্পিয়নস লিগ, লা লিগাসহ সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলে সবশেষ আট ম্যাচের আটটিতেই জিতেছে জোসে মরিনিওর দল! রেকর্ড গড়া ইনিংস নিয়ে হৃদয় বললেন, ‘এটা আমার স্বপ্ন ছিল! গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন জোরদারে সহযোগিতার আশ্বাস! চোখ ভালো রাখতে প্রয়োজন ডায়াবেটিস-উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগে সচেতনতা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী! ঢাকাস্থ কলাপাড়া জাতীয়তাবাদী ফোরামের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত! নওগাঁয় কেডি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের পাশে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক সেবন অবস্থায় তিন যুবক গ্রেপ্তার! রাণীনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত! চট্টগ্রাম বিভাগে বিশেষ অভিযানে আটক ১১৫৪ কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে চট্টগ্রাম রেঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে! নরসিংদীর শিবপুরে ম্যাগাজিন ভর্তি ৫ রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্র সহ ৩ জন গ্ৰেফতার!

নিম্ন-মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে সব ধরনের মাছের দাম!

Reporter Name
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নিত্যপণ্যের বাজারে এখন মাছের দাম যেন সাধারণ ভোক্তার নাগালের বাইরে। ইলিশ, চিংড়ি, পাবদা, রুই, কাতলা থেকে শুরু করে পাঙ্গাশ কিংবা তেলাপিয়া, প্রতিটি মাছের দরই বাড়তি। ভোক্তারা বলছেন, প্রতিদিনের খাবারের তালিকা থেকে মাছ বাদ পড়ার উপক্রম হয়েছে।

বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘বাজারে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে কেনার মতো কোনো মাছ নেই। মাছের দাম আমাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।’

যাত্রাবাড়ীর এই পাইকারি আড়ত থেকে ঢাকার বিভিন্ন বাজারে মাছ সরবরাহ হয়। সরবরাহে ঘাটতি এবং পরিবহন খরচসহ নানা কারণে মাছের দাম এখন বাড়তি বলে জানান পাইকাররা।

দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বিক্রেতারা বলেন, ‘জেলেদের মাছ ধরার কাজে ডিজেল খরচ হয়। এরপর মাছ পরিবহনের ট্রাকেও ডিজেল খরচ রয়েছে। সব মিলিয়ে এসব খরচের কারণে মাছের দাম কিছুটা বেড়ে যায়। অন্যদিকে, সরবরাহের ক্ষেত্রে বাইরের দেশ থেকে মাছ আমদানি বন্ধ রয়েছে।’

পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে আসতে মাছের দাম অনেকটা বেড়ে যায়। কেজিতে পার্থক্য দাঁড়ায় ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। আবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাভেদেও দাম ওঠানামা করে। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, মাছের সরবরাহ কম হওয়ার কারণে দাম এখন বাড়তি।
তারা আরও বলেন, ‘নদীর মাছের দাম আমরা বেশি ওঠানামা করতে দেখি। তবে চাষের মাছের দাম খুব একটা ওঠানামা করে না। মাছের আমদানি বেশি হলে দাম কম থাকে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে খামারিদের ব্যয় বেড়েছে। বিশেষ করে মাছের খাদ্য বা ফিডের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি, দিন দিন উন্মুক্ত জলাশয় কমায় দেশি প্রজাতির মাছের পরিমাণ কিছুটা কমতির দিকে।

এদিকে মৎস্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ মৎস্য পরিচালক মো. মোতালেব হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে মাছের কোনো ঘাটতি নেই। তবে মাছের দাম কিছুটা বেশি হতে পারে। প্রস্তুত মাছের দাম নির্ভর করে এর উপকরণগুলোর দামের ওপর। মাছের খাবার তৈরির জন্য বিদেশ থেকে অনেক উপকরণ আমদানি করতে হয়। ফিড মিলে মাছের খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত এসব উপকরণের দামও অনেক বেশি। এছাড়া জলাভূমির পরিমাণ কমে গেছে। দূষণের কারণেও মাছের উৎপাদন কমে গেছে।’

ভোক্তা সংগঠন ক্যাব বলছে—বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা লাভের মানসিকতাই মাছের দাম এভাবে বাড়িয়ে রাখছে।

তবে ক্যাবের সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা দাদন দিয়ে আগেই মাছ কিনে নিচ্ছেন। এর পেছনে তাদের এক ধরনের কারসাজি রয়েছে। খুচরা বিক্রেতা কিংবা পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ কেনাবেচার কোনো রসিদ নেই। তারা কী দামে মাছ কিনছেন এবং কী দামে বিক্রি করছেন, তারও কোনো রেকর্ড নেই। ফলে তারা ইচ্ছামতো মুনাফা করছেন।’
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে মাছের উৎপাদন বাড়ছে। সরকারি পরিসংখ্যানমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মাছের উৎপাদন হয়েছে ৫১ লাখ মেট্রিক টনেরও বেশি।

তথ্য: বিভিন্ন গণমাধ্যম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category