স্টাফরিপোর্টার|জনতার দেশঃ
স্হানীয়দের ভাষ্য , গতকাল (২ নভেম্বর, ২০২৬) সোমবার সকালে বক্সানগরের আশাবাড়ি এলাকায় সীমান্তের কাছে জঙ্গল পরিষ্কার করার সময় হেফজুর রহমান নামের এক স্থানীয় যুবককে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে বিএসএফ। গ্রামবাসীর অভিযোগ, হেফজুরকে এমন মারধর করা হয় যে তাঁর একটি পা ভেঙে যায়।
আর এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষুব্ধ শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন, অবরোধ করেন আশাবাড়ি–রহিমপুর সড়ক। ঠিক সেই সময়ই অবরোধস্থলে এসে পড়ে বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের একটি গাড়ি। ভেতরে ছিলেন সহকারী কোম্পানি কমান্ডার রোহিত, চালক সুনীল কুমার ও জওয়ান মনজিত। মুহূর্তেই জনতা গাড়িটি ঘিরে ফেলে।
লাঠি-বাঁশ দিয়ে তিনজনকেই বেধড়ক পেটানো হয়, মাটিতে ফেলে চড়ে বসা হয় তাঁদের ওপর, এমনকি অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা চলে। ভাঙচুর হয় গাড়িটি।
এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে ভারতের একাধিক গণমাধ্যম। দ্য প্রিন্টের আজকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিপাহীজলা জেলার কলমচৌড়া থানার অধীন আশাবাড়ি সীমান্ত চৌকির কাছে এই হামলায় এক সহকারী কমান্ড্যান্টসহ বিএসএফের অন্তত তিন সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এরই মধ্যে তিন নারীসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা।
সীমান্তে বিএসএফের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ নতুন কিছু নয়—তবে এবার সেই ক্ষোভ প্রকাশ পেলো খোদ ভারতের মাটিতেই!
তথ্যঋণঃ
# আল জাজিরার সাংবাদিক জুলকার নাইন সায়ের।
ছবিঃ
সংগৃহিত।