• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
শো-বিজ অঙ্গনে কি সফল হতে পারবে নাজিফা তুষি?পাতার আড়ালে তার মুখাবয়ব লুকিয়ে রাখার রহস্য কি? গ্রামীন জনপদ আর সেই চিরচেনা হাট-বাজার! ! কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই লাখ টাকার ভেজাল পণ্য ধ্বংস। বলিউড অভিনেত্রী ‘ কৃতি শ্যানন’ এর রূপচর্চার রহস্য” ‎গাজীপুর পিবিআইয়ের এসআই আলতাফের বিরুদ্ধে আইজিপির দপ্তর ও অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পিবিআই প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগ! স্বাস্থ্য খাতে জাপানি ফাউন্ডেশনকে সহযোগিতা বাড়াতে আহ্বান জুবাইদা রহমানের! মহিপুরের খাজুরা বেসরকারি প্রা: বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন! বাংলাদেশ ক্রিকেট অঙ্গনে চলছে কানাঘুষাঃতামিমের জরুরী সভায় ৫ সিনিয়র ক্রিকেটারের মধ্যে কী কথা হলো? নাসিরনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের   ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব়্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত! সাউদিয়ানদের বিলাসী খাবার বনাম ফিলিস্তিনের ক্ষুধার্থ শিশু!

মহিপুরের খাজুরা বেসরকারি প্রা: বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন!

Reporter Name
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

ফোরকানুল ইসলাম , কলাপাড়া  (পটুয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতাঃ

পটুয়াখালীর ‘পশ্চিম খাজুরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে লেবুর বনসংলগ্ন সমুদ্রসৈকত এলাকার পশ্চিম খাজুরায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে শত শত নারী-পুরুষের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। তাদের দাবি, অবহেলিত জেলে পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে রাখতে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ ও একটি স্থায়ী ভবন নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, পর্যটননগরী কুয়াকাটার অদূরে সমুদ্র উপকূলের এই জনপদে দরিদ্র জেলে পরিবারের শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম ভরসা পশ্চিম খাজুরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠার ২৬ বছর পেরিয়ে গেলেও বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হয়নি। নেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধাও।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা, আর্থিক সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে এই উপকূলীয় জনপদের দরিদ্র পরিবারের অনেক শিশুর শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। দুর্গম উপকূলীয় পরিবেশ, দারিদ্র্য ও জীবিকার সংগ্রামের মধ্যে এসব শিশুর জন্য বিদ্যালয়টি শুধু পাঠদানের প্রতিষ্ঠান নয়, বরং স্বপ্ন দেখারও একমাত্র অবলম্বন। তাই চার কিলোমিটারের মধ্যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ এবং একটি স্থায়ী ভবন নির্মাণের দাবি জানান তারা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ রেবেকা সুলতানা বলেন, “প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ ব্যয় করে বিদ্যালয়টি চালিয়ে আসছি। কিন্তু এভাবে আর কত দিন চলা সম্ভব, তা জানি না। শিক্ষকতা করে জীবিকা নির্বাহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। তবু শিশুদের মুখের দিকে তাকিয়ে বিদ্যালয়টি চালিয়ে যাচ্ছি।”
তিনি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে আরও বলেন, “আমরা যদি আর্থিক সংকটের কারণে এ পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হই, তাহলে এই এলাকার শত শত শিশুর শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে পড়বে। অনেক শিশু হয়তো মাঝপথেই পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হবে। আমরা চাই না, দারিদ্র্যের কারণে কোনো শিশুর স্বপ্ন থেমে যাক। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন, বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের উদ্যোগ নিয়ে উপকূলের অবহেলিত শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হোক।”
কলাপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাহিদা বেগম বলেন, “২০১৩ সালে সারাদেশের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে পর্যায়ক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণ করা হয়েছে। ফলে ওই তিন ধাপের কোনো ধাপেই যেসব বিদ্যালয় জাতীয়করণের আওতায় আসেনি, সেগুলোকে বর্তমানে জাতীয়করণ করার সুযোগ নেই।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category