শিরোনাম :
কলাপাড়ায় (পটুয়াখালী) পড়া না পারায় অষ্টম শ্রেনীর শিক্ষার্থীকে মারধর, অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি । লালন ধর্মের অনুসারী কুষ্টিয়ার কথিত পীর শামীম ওরফে বাবা জাহাঙ্গীর হত্যার অন্ত:রালে। আহমদ ছফার বিয়ে ও শামীম শিকদার প্রসঙ্গ। যত চাপই আসুক ব্রিটেন কে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে নেয়া যাবেনা —- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। একটি শিক্ষনীয় গল্প এবং আমাদের মানবিক চরিত্র। ৯ম পদাতিক ডিভিশনের নিষ্ক্রিয়তা: ৪ আগস্টের রহস্য ঘিরে নতুন প্রশ্ন। আধুনিক বিকৃত ইসলাম এবং মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম। জন দুর্ভোগের সূতিকাগার নরসিংদী পৌরসভা হরমুজ প্রণালী কে ইস্যু করে তেহরানের নতুন পরিকল্পনা ৩ শ্রেণীতে বিভক্ত দেশ। কূয়াকাটায় ছাত্র হিযবুল্লাহর উদ্যোগে দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ।
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন

বাউল গানের বরেণ্য শিল্পী কেন্দুয়ার সুনীল কর্মকার চলে গেলেন পরপারে।

Reporter Name / ১৫৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ডেক্স রিপোর্ট :

সুনীল কর্মকার ১৫ জানুয়ারি ১৯৫৯ সালে নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া থানার বান্দনাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা দীনেশ কর্মকার ও মাতা কমলা কর্মকার।তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সর্বজেষ্ঠ। দ্বিতীয় ভাই দীলিপ কর্মকার একজন স্বর্নশিল্পী। সর্ব কনিষ্ঠ ভাই শ্রীমল কর্মকার।

আধুনিকতার পরশে ও ডিসকো গানের ভিড়ে বাউল গানের ঐতিহ্য আজ যখন হারাতে বসেছে তখন ঐতিহ্য রক্ষায় এগিয়ে এসেছেন বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার।

যার দুই চোখে কোনো আলো নেই, অথচ অন্তরে আছে হাজারো আলোকছটা। যার মাধ্যমে তিনি এখনো প্রাণবন্ত করে তুলেছেন আমাদের গ্রামবাংলার মানুষের মন ও বাউল সঙ্গীতকে।

৭ বছর বয়সেই গান তার রক্তের প্রতিটি বিন্দুতে দখল করে রেখেছিল। সেই সময়ে তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার জেলার কেন্দুয়া থানার বান্দনাল গ্রামের বিশাল গানের আসর বসতো।

তখন পাশের গ্রাম থেকে আসতো একসময়ের বিখ্যাত বাউলশিল্পী ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁ। যার গান শুনে ৭ বছরের সুনীল নামে ছেলেটি ঘরে মন বসাতে পারেনি। বার বার ছুটে যেত নদীর ওপাড়ে পাশের গায়েঁ, যেখানে ওস্তাদের বসবাস।

কিন্তু বিধিবাম হঠাৎ করে তার চোখের আলো নিভে যায়। সেই সঙ্গে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেলেন ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁ। কিন্তু নিয়তি তার মনোবলের কাছে হার মানলো।

অন্ধত্ব বরণ করলেও বাউলশিল্পী সুনীল কর্মকার গানের মায়া ছাড়েননি। বরং ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর প্রধান শিষ্য ওস্তাদ ইসরাইল মিয়ার কাছে শিষ্যত্ব গ্রহণ করল মাত্র ৮ বছর বয়সে।

বাবা দীনেশ কর্মকার এবং মা কমলা কর্মকার কখনও এই অন্ধ হয়ে যাওয়া ছেলেটি গান গাওয়ার জন্য নিষেধ করেননি। বরং বাবা -মার উৎসাহ ছিল বেশি। বা-মার মনের মধ্যে ছেলেকে নিয়ে যে শংকা ছিল ছেলের গান শোনার পর সেই শংকা দূর হলো।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category