আহমেদ বারাকি(তেহরান):
ওই অফিসার দীর্ঘ সময় শত্রুপক্ষের ভেতরে টিকে ছিলেন সার্ভাইভাল, ইভেশন, রেজিস্ট্যান্স, এস্কেপ প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে। এই প্রশিক্ষণে পাইলটদের শেখানো হয় কীভাবে ধরা না পড়ে লুকিয়ে থাকতে হয় এবং উদ্ধার পর্যন্ত বেঁচে থাকতে হয়।
পাইলট যেখানে লুকিয়ে ছিলেন, সেই এলাকায় ইরানের সামরিক কনভয় যাতে পৌঁছাতে না পারে সেজন্য মার্কিন বিমানগুলো ইরানি কনভয়গুলোর ওপর মনের মত করে হামলা চালায়।
এই অপারেশনের আরো চমকপ্রদ তথ্য সামনে আসবে এবং আসতেছে। অপারেশনটি ছিল খুবই হাই-রিস্ক, হাই-স্টেকস যেখানে রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বাহিনী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে রিপোর্টে এসেছে৷
F-15E ডাউনড হওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র এই বড় আকারের কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ অভিযানটি শুরু করে। তবে সঠিক সময়সীমা অফিসিয়ালভাবে প্রকাশ করা হয়নি। এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয় যুদ্ধবিমান, রিফুয়েলিং বিমান, উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার এবং এলিট ইউনিট যেমন ইউএস এয়ার ফোর্স প্যারারেসকিউ !
নিজেদের কয়েকটি বিমান ও হেলিকপ্টার খুইয়ে হলেও তারা দ্বিতীয় পাইলটকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। উদ্ধার কাজে ব্যবহৃত একটি সি১৩০ পরিবহন বিমানের চাকা কাদায় আটকে গেলে সেটি যাতে ইরানি বাহিনীর হাতে না পড়ে সেজন্য নিজেরাই বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয়।
ছবি ও তথ্য সূত্র:
#আহমেদ বারাকি
#তেহরান থেকে সংগৃহিত।
*নিউজ এডিট
মোঃ মাহবুবুর রহমান খান
সম্পাদক -প্রকাশক
#দৈনিক জনতার দেশ।