• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
Headline
OTP ও PIN নিজের কাছে রাখুন’—সাইবার প্রতারণা নিয়ে নওগাঁ পুলিশ সুপারের সতর্কবার্তা! মাদারীপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২! ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে! যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ, জ্যোতির মৃত্যুকে ঘিরে নতুন রহস্য উন্মোচনের পথে! নিখোঁজ ব্যক্তি উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর করল ১৬ এপিবিএন! ত্রিশালে এসআই নাহিদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ! ইত্যাদি’র জনপ্রিয় নানা-নাতি জুটি আজ স্মৃতির পাতায়! একই মাঠে সব বয়সীদের খেলার সুযোগ, নতুন দিগন্ত খুললো ‘কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া স্পোর্টস! বাংলাদেশ পুলিশের আপডেট নিউজ! টেকনাফে বিজিবি এবং এসআরবি’র যৌথ অভিযানে আ/সামীবিহীন ৩ লাখ ই/য়াবা উ/দ্ধার

ইরানের কাছে কোন পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবেনা আর ওমান যদি শান্তি চুক্তির পথে বাঁধা হয়ে দাড়ায় তাহলে বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়া হবে — ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Reporter Name
Update : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | জনতার দেশ :

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি চুক্তিতে সই করবেনা ইরান। স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়ায় ইরান এখন পুরোপুরি আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাবে। শান্তি চুক্তির নামে সই করে এখন ট্রাম্পের মরণ ফাঁদে পা দেবেনা ইরান।ইরান তার নিজস্ব গতিতেই সামনে অগ্রসর হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সোমবার বলেছেন,যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে তিনি যে ধরনের চুক্তি প্রয়োজন বলে মনে করেন ইরান তা করবে না। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা স্হবির হয়ে পড়ায় ট্রাম্প এখন জোর গলায় বলছে ইরানের এখন আত্মসমর্পণ করা উচিত।
ওভাল অফিসের সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমার কাছে যে চুক্তিকে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয় তারা সে ধরনের কোন চুক্তি করবে না। ইরানের কাছে কোন পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবেন না।
তেহরান বলেছে যুক্তরাষ্ট্র শর্ত না মানলে “হরমুজ প্রণালী” তারা খুলবে না।
ইরানের সঙ্গে কোন অন্তর্বর্তী চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছুক কী,না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন না। ( সূত্র ফক্স নিউজ).

গত জুনে সম্মত হওয়া ওই সমঝোতা চুক্তিতে সব ফ্রন্টে অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে চুক্তিটি দ্রুতই ভেস্তে যায়। ৭ জুলাই ট্রাম বলেন, চুক্তিটি শেষ হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চুক্তিটি স্থগিত ঘোষণা করে।
ওই সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত বিষয়ে আলোচনা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছিল। পারস্পরিক সম্মতিতে এর সময়সীমা বৃদ্ধির সুযোগ ছিল। গত সোমবার সমঝোতা স্মারক চুক্তির ৬০ দিন পূর্ণ হল।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদককে টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের আত্ম সমর্পণের সাদা পতাকা ওড়ানো উচিত।
অন্যদিকে হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক নৌ চলাচল আবার চালু করতে একটি চুক্তির জন্য ওমান ও ইরান আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের হামলা শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ৩৫ শতাংশ সরবরাহ এ প্রণালী দিয়েই হতো।
ফক্স নিউজকে ট্রাম বলেন, ওমান যদি বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় তবে আমরা তাদের বোমা মেরে উড়িয়ে দেব।
পড়ে ওভাল অফিসে ট্রাম কে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন ওমানের প্রতি তার ধৈর্যচ্যুতি ঘটেছে কিনা? জবাবে তিনি বলেন, “না আমি তা মনে করি না। তারা খু্ব একটা ভালো আচরণ করেছে। তবে আমরা অন্যান্য বিষয়ের মত তাদেরকেও খুব সহজে মোকাবেলা করব।”
হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে। পাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে।নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধ শেষ করতে তার উপর চাপ পড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে তার নির্ধারণ করবে এ নির্বাচন।
ফক্স নিউজ কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিষয়ে তার রণকৌশলে মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোন প্রভাব নেই। তিনি আরো বলেন, “আমার চিন্তা ভাবনার সঙ্গে মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোন সম্পর্ক নেই।”
এর আগে সোমবার ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্লাটফর্মে পোস্ট করেন,আমার বক্তব্য আমি স্পষ্ট করে দিয়েছি। ইরানের কাছে কোনভাবেই কোন পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবেনা। যুদ্ধের স্বপক্ষে তার দেওয়া একটি যুক্তি আবার পুনরাবৃত্তি করেন তিনি।

অবশেষে বন্ধই থাকছে হরমুজ প্রণালীঃ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জুনে সই হওয়া চুক্তির শর্তগুলো ওয়াশিংটন না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে। গতকাল ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত মন্তব্যে দেশটির শীর্ষ আলোচক স্পিকার, মোহাম্মদ গালিবাফ এ কথা বলেছেন।
পার্লামেন্টে গালিবাফ বলেন, এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে ইরানি সমুদ্র বন্দর গুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া অবরোধ প্রত্যাহার, তেল খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, তেহরানের অবরুদ্ধ করা সম্পদ মুক্ত করা এবং সব ফ্রন্টে হুমকি ও সামরিক অভিযান বন্ধ করা।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছিল অতীতে এর সময়সীমা বৃদ্ধির সুযোগ ছিল।
ইরানের একজ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন,যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়ায় ইরান এখন পুরোপুরি আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাবে।
তথ্য সূত্র:
# ফক্স নিউজ।
#তেহরান বার্তা সংস্হা।
#বিবিসি বাংলা।
# jago News24
#CNN news.


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category