• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
Headline
অপ্রিয় হলেও সত্য আজীবন বাঙ্গালী বিদ্বেষী ইতিহাসের ঘৃণ্যতম স্বৈরশাসক ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান এর শাসন আমলেই বাংলাদেশে উন্নয়ন হয়েছে সবচেয়ে বেশী। গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জন কে গলা কেটে হত্যা, মূল ঘাতক পলাতক। সন্দেহ ভাজন আটক-২। পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ভারতের, উদ্বেগ উৎকন্ঠায় বাংলাদেশ। মদ ও মাদকের অভয়ারণ্য নরসিংদীর পাট্টা এলাকা: ধ্বংসের মুখে তরুণ প্রজন্ম। এনসিপির নতুন নেতৃত্বে যোগ দিলেন মাওলানা মতিউর নিজামীর ছোট ছেলে ড. মোহাম্মদ নাদিমুর রহমান নাদিম সহ জুলাই বিপ্লবের অসংখ্য নেতা কর্মী। শিবপুর ( নরসিংদী) সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরিফ সরকার কে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফেরত এনেছে পিবিআই। বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকীর আত্মহত্যা ও ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসি সমাচার। কলমাকান্দা নেত্রকোণায় নিখোঁজের দুইদিন পর জান্নাতুল নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সিকদার গ্রুপের এমডি আজ পরপারে তার শেষ বিদায়ে রেখে গেলেন ৬হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ সাথে নিয়ে গেলেন শুধু ১ হাজার টাকা মূল্যের কয়েক টুকরা কাফনের কাপড় । বাউফলে টয়লেট নির্মাণে ‘দুই কোটি টাকা ব্যয়, তদন্তে মিলল ভিন্ন চিত্র।

অপ্রিয় হলেও সত্য আজীবন বাঙ্গালী বিদ্বেষী ইতিহাসের ঘৃণ্যতম স্বৈরশাসক ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান এর শাসন আমলেই বাংলাদেশে উন্নয়ন হয়েছে সবচেয়ে বেশী।

Reporter Name
Update : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

জনতার দেশ ডেস্ক রিপোর্ট : (সংগৃহীত)

১৭৫৭ থেকে ২০২৬, এই ২৭০ বছরের ইতিহাসে পূর্ব বাংলায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মাদ আইয়ুব খানের শাসন আমলে। বাংলাদেশে আমরা যা যা দেখি তার বেশির ভাগই হয়েছে আইয়ুব খানের শাসন কালে। নিচে একটা সংক্ষিপ্ত তালিকা দেয়া হলো—-

*উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান*

১. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২
২. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), ময়মনসিংহ ১৯৬১
৩. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৬৬
৪. চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট): ১৯৬৮
৫. রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট): ১৯৬৪
৬. ঢাকা আণবিক শক্তি কেন্দ্র: ১৯৬৪
৭. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)
৮. আইসিডিডিআরবি (icddr,b): ১৯৬০
৯. ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম: ১৯৬২
১০. জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউট
১১. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

*ক্যাডেট কলেজ*

১২. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম: ১৯৫৮
১৩. ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ: ১৯৬৩
১৪. মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, টাঙ্গাইল: ১৯৬৫
১৫. রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ: ১৯৬৬

প্রধান সাধারণ ও সরকারি কলেজসমূহ

১৬. আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ [সরকারিকরন]
১৭. কারমাইকেল কলেজ, রংপুর [সরকারিকরন]
১৮. পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ [সরকারিকরন]
১৯. বি এম কলেজ, বরিশাল [সরকারিকরন]
২০রেসিডেন্সিয়াল কলেজ
২১. নটর ডেম কলেজ, ঢাকা
২২. ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ

*কারিগরি ও বিশেষায়িত কলেজ*

২৩. ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
২৪. চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট: ১৯৬২
২৫. কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট: ১৯৬৪
২৬. বরিশাল, সিলেট ও পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট: ১৯৬২
২৭. টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (TTC): চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও ময়মনসিংহে সম্প্রসারণ।
২৮. কলেজ অব হোম ইকোনমিক্স, ঢাকা: ১৯৬১
২৯ শারীরিক শিক্ষা কলেজ, ঢাকা
৩০. মেরিন একাডেমি, চট্টগ্রাম: ১৯৬২
৩১.সার্ভে ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা: ১৯৬০

*চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান*

৩২ পিজি হাসপাতাল: ১৯৬৬।
৩৩. স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল: ১৯৬২
৩৪. রাজশাহী মেডিকেল কলেজ: ১৯৫৮
৩৫. ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ: ১৯৬২।
৩৬. সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ: ১৯৬২।
৩৭. নিপসম (NIPSOM)

*শিল্প ও খনিজ সম্পদ খাত*

৩৮.বিসিক (ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন)
৩৯. বিসিআইসি (তৎকালীন ইপিআইডিসি)
৪০. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা: ১৯৬১
৪১. জিয়া সার কারখানা (আশুগঞ্জ)
৪২. চন্দ্রঘোনা পেপার মিল
৪৪. ইস্টার্ন রিফাইনারি (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮
৪৪. ইস্টার্ন কেবলস (চট্টগ্রাম): ১৯৬৭
৪৫. মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (গাজীপুর): ১৯৬৭।
৪৬. চিটাগাং স্টিল মিলস: ১৯৬৭ (দেশের একমাত্র ইস্পাত কারখানা)।
৪৭. ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি: আধুনিকায়ন।
৪৮. উসমানিয়া গ্লাস শীট ফ্যাক্টরি, চট্টগ্রাম: ১৯৫৯।
৪৯. তিতাস গ্যাস ফিল্ড: ১৯৬২ (আবিষ্কার ও বিতরণ সূচনা)।
৫০. হবিগঞ্জ (১৯৬৩) ও বাখরাবাদ (১৯৬৯) গ্যাস ফিল্ড

*স্থাপত্য, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ প্রকল্প*

৫১. কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র (কাপ্তাই বাঁধ): ১৯৬২।
৫২. ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র
৫৩. জাতীয় সংসদ ভবন: ১৯৬৪
৫৪. ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন): ১৯৫৯।
৫৫. বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ: ১৯৬০-৬২
৫৬. কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন: ১৯৬৮
৫৭. তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর
৫৮. পতেঙ্গা বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম
৫৯ নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর, বরিশাল ও খুলনা স্টিমার ঘাট
৬০. আরিচা ও নগরবাড়ী ফেরি ঘাট

*প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান*

৬১. ওয়াসা (WASA): ১৯৬৩ (ঢাকা ও চট্টগ্রামে পানি সরবরাহ কর্তৃপক্ষ)।
৬২. বিআইটিএসি (BITAC): শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র।
৬৩. বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা: তৎকালীন পিআইসিআইসি (PICIC)।
৬৪. শাপলা চত্বর ও মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা: বাণিজ্যিক হাব হিসেবে বিকাশ।
৬৫. বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন: তৎকালীন স্টেট ব্যাংক ভবন।
৬৬. জীবন বীমা কর্পোরেশন ভবন: মতিঝিল এলাকার বহুতল ভবনসমূহ।

*সাংস্কৃতিক, গণমাধ্যম ও বিনোদন*

৬৭. বাংলাদেশ টেলিভিশন: ১৯৬৪
৬৮. বাংলা একাডেমি
৬৯. পাবলিক লাইব্রেরি (শাহবাগ): ১৯৫৮
৭০. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর (রাজশাহী)
৭১. বুলবুল ললিতকলা একাডেমি (BAFA)
৭২. জাতীয় চিড়িয়াখানা
৭৩. বোটানিক্যাল গার্ডেন
৭৪. বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম
৭৫. রমনা পার্ক
৭৬. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

৭৭. আদমজী জুট মিল
৭৮. কর্ণফুলি পেপার মিল
৭৯. বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, কুমিল্লা
৮০. বরিশাল মেডিকেল কলেজ
৮১. বাঙলা কলেজ ১৯৬২
৮২. রংপুর মেডিকেল কলেজ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরিকল্পনা, স্থান নির্ধারণ এবং রাশার সাথে আলোচনা শুরু করেন আইয়ুব খান।

আইয়ুব খান কোনরকম দুর্নীতি করেছে, পারসেন্টজ খেয়েছে, এমন দাবি শেখ মুজিব বা আওয়ামী লীগ কখনো করেনি।

তথ্যঋণ:

# বাংলাদেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প কলা,কৃষি অর্থনীতি, শিল্প কারখানা নির্মান  পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্হাপনের পরিকল্পনাকারী সহ ভৌত অবকাঠামো বিনির্মানে ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান এর অবদান শীর্ষক নিবন্ধ।

# নিউজ বাংলা বিডি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা