• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
Headline
দাউদকান্দিতে একদিনে পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার-১৯! কুমিল্লায় ভুয়া সিআইডি পরিচয়ে প্রতারণা, আটক-১! বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী চঞ্চল চৌধুরী এবং বিনোদন সংস্কৃতি! ভ্রমন পিপাসুদের জন্য উত্তম পর্যটন এরিয়া হতে পারে নরসিংদির ‘ হেরিটেজ রিসোর্ট ‘! কুষ্টিয়ায় ৬ হত্যা • হানিফসহ ৪ আসামির মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা! ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে, আমরা সেটাই করব। দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত পুলিশের প্রয়োজন, এটা স্বীকার করে নিয়ে আইন ও সংবিধান অনুযায়ী আমাকে দায়িত্ব পালন করতে দিন–কমিউনিটি ইসলামিক ব্যাংক সিস্টেম’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির! রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৫৪৩ জন গ্রেফতার! মহিউদ্দিন রনি এবার এনসিপি নতুন সংগঠনের দায়িত্বে! অ্যাপলের নতুন ভাঁজযোগ্য স্মার্টফোন ‘আইফোন ডুও’র’ স্ক্রিনে ফাটলের অভিযোগ! প্রযুক্তি যত উন্নতই হোক, ফসল উৎপাদনের জন্য মাটি, পানি, সূর্যের আলো, উপযুক্ত তাপমাত্রা, ঋতুচক্র এবং জীববৈচিত্র্যের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই!

চাপের মুখে বাংলাদেশঃবিদেশি উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ ৪২ শতাংশ কমিয়ে দিয়ে বকেয়া ঋণ পরিশোধের তাগাদা!

Reporter Name
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার| জনতার দেশঃ

বিদেশি উন্নয়ন সহায়তার অর্থছাড় কমেছে, বিপরীতে বেড়েছে আগের নেওয়া ঋণ পরিশোধের চাপ। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই ঋণ ও অনুদান আসার পরিমাণ ছিল ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে অর্থছাড় কমেছে ৪৮ কোটি ৬২ লাখ ডলার বা ৪২ শতাংশ। অথচ একই সময়ে পুরোনো ঋণের আসল ও সুদ বাবদ ১৩৫ কোটি ১৩ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে সরকারকে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) গতকাল সোমবার প্রকাশিত বৈদেশিক সহায়তাবিষয়ক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, বিদেশি সহায়তার অর্থছাড় কমে যাওয়ার পাশাপাশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণও বেড়েছে। ফলে নতুন অর্থায়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করার তুলনায় পুরোনো দায় মেটাতে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি ঋণের আসল বাবদ ৮৬ কোটি ডলার এবং সুদ বাবদ প্রায় ৪৯ কোটি ১৩ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ব্যয়ের পরিমাণ ১৬ হাজার ৬৪৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে আসল ও সুদ বাবদ পরিশোধ করা হয়েছিল ১২৭ কোটি ৯৯ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরে ঋণ পরিশোধ বেড়েছে প্রায় ৭ কোটি ১৪ লাখ ডলার।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ছাড় হয়েছে ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার। এর মধ্যে ঋণ ৫৪ কোটি ১৭ লাখ এবং অনুদান ১২ কোটি ৫ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্রকল্প সহায়তার অর্থছাড় ছিল ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ এবার উন্নয়ন প্রকল্পে বিদেশি অর্থায়নের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
প্রতিশ্রুতি বাড়লেও নেই বড় দাতারা
অর্থছাড় কমলেও নতুন ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৯১ কোটি ৬ লাখ ডলার। নতুন প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল ঋণ ১১৪ কোটি ৭৫ লাখ এবং অনুদান ১২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ৩৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার। তবে বড় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি আসেনি। বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), চীন, রাশিয়া ও ভারত এ সময়ে নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বড় সহযোগীদের মধ্যে শুধু জাপান ৩৫ লাখ ডলারের ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ছাড়ে এগিয়ে বিশ্বব্যাংক
নতুন প্রতিশ্রুতি না থাকলেও আগের চুক্তির আওতায় অর্থছাড় অব্যাহত রেখেছে কয়েকটি বড় উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থা। প্রথম তিন মাসে বিশ্বব্যাংক ছাড় করেছে ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। এডিবি দিয়েছে ১৬ কোটি ২১ লাখ ডলার। ভারত থেকে এসেছে সাড়ে ১০ কোটি ডলার। এ ছাড়া রাশিয়া ২ কোটি এবং চীন দেড় কোটি ডলার ছাড় করেছে।
এদিকে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ১ কোটি ডলার ছাড় করা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের সমান। তবে এই খাতে নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি।

তথ্যঋণঃ

# আজকের পত্রিকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category