ইন্টারনেট থেকে মাহবুবুর রহমান খান:
আলাউদ্দিন খিলজি ছিলেন প্রচণ্ড আত্মপ্রত্যয়ী ও দৃঢ়চেতা শাসক। নিজের শক্তি ও সামর্থ্যের ওপর তাঁর ছিলো অগাধ আস্থা।
১৩১০–১১ খ্রিষ্টাব্দে মঙ্গোল খান ওলজাইতু দূত পাঠিয়ে আলাউদ্দীন খিলজিকে তার প্রতি বশ্যতা স্বীকার করার নির্দেশ দেন এবং শর্ত হিসেবে দাবি করেন—খিলজি রাজপরিবার থেকে একজন রাজকুমারীকে স্ত্রী হিসেবে।
কিন্তু আলাউদ্দীন খিলজি বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি। তিনি আদেশ দেন, সেই ১৮ জন দূতকে হাতির পায়ের নিচে ফেলে পিষ্ট করে হত্যা করা হোক!
এই দৃশ্যই মঙ্গোলদের হৃদয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে তারা আর কখনো ভারত জয় করার স্বপ্ন দেখার সাহস করে উঠতে পারেনি।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—লেখক এখানে খিলজির বাহিনীকে “ইসলামের সেনাবাহিনী” বলেছেন। বাস্তবে, তাঁর সেনাবাহিনীতে বহু হিন্দু ধর্মাবলম্বী সেনাপতিও নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন। এমনকি তথাকথিত নিচু বর্ণের সেনাপতিরা প্রায়ই নেতৃত্ব দিতেন সেইসব রেজিমেন্টের, যাদের সৈন্যরা সমাজের অভিজাত শ্রেণির ছিলো।
তথ্যসূত্র:The Mughal Emperors —-Francis Robinson.