শিরোনাম :
মুঘল সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। বিতর্কিত ধনকুবের আজিজ মোহাম্মদ ভাই এবং তার রূপালী জগত। ভুয়া সংবাদ ও অপপ্রচার প্রতিরোধে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বেশ কিছু কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে — তথ্য মন্ত্রী। বাংলাদেশ যদি ইরান সংক্রান্ত ব্যাপারে নিজেদের অবস্হান পরিবর্তন না করে পরের বার হরমুজ প্রণালী পার হতে চেষ্টা করা হলে বাংলাদেশী জাহাজ কে অস্ত্রের ভাষায় জবাবা দেয়া হবে—–ইরান নৌবাহিনী। আমিরগঞ্জ (রায়পুরা,নরসিংদী) রেল স্টেশনের দক্ষিণ পাশে সরকারি জায়গায় নির্মিত সকল অবৈধ দোকান-পাট উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত আগামী ২৫ এপ্রিলের আগে নিজ দায়িত্বে মালামাল সরিয়ে নিতে ‘রোডস এন্ড হাইয়ের কড়া’নোটিশ। নরসিংদীতে সিএনজি যাত্রীকে নামিয়ে কু*পিয়ে হ*ত্যা। ইসলামী ব্যাংক দখলে নিতে রাজধানীতে এস আলম গ্রুপের শো-ডাউন। ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে সুন্নী খারেজী ও রাফেজী সম্প্রদায় —– মাকতুবাত শরীফ। শাপলা চত্বর গণহত্যা মামলা আসামি হচ্ছেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ- আল -মামুন। সংরক্ষিত নারী আসন এবং সমকালীন রাজনৈতিক প্রসঙ্গ।
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন

আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী।

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

দ্যা বেটার ইন্ডিয়া থেকে সংগৃহিত :

মাস্টারদা সূর্য সেন ১৮৯৪ সালের ২২ মার্চ চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়ায় দক্ষিণ রাঢ়ী কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সূর্য সেন ছেলেবেলা থেকেই খুব মনোযোগী ও ভাল ছাত্র ছিলেন।

১৯১৮সালে তিনি মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ থেকে বি.এ পাশ করেন এবং চট্টগ্রামে ফিরে এসে ব্রাহ্ম সমাজের প্রধান আচার্য্য হরিশ দত্তের জাতীয় স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন।

অসহযোগ আন্দোলনের সময় বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে গেলে তিনি দেওয়ানবাজারে বিশিষ্ট উকিল অন্নদা চৌধুরী প্রতিষ্ঠিত অধুনালুপ্ত ‘উমাতারা উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে’ অঙ্কের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। এসময় বিপ্লবী দলের সাথে তাঁর সম্পর্ক গভীরতর হয়ে ওঠে এবং শিক্ষকতা করার কারণে তিনি ‘মাস্টারদা’ হিসেবে পরিচিত হন।

বিপ্লবী ভাবধারায় দীক্ষিত সূর্য সেন দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগকে একমাত্র তপস্যা হিসেবে নিয়েছিলেন। ১৯১৬ সালে মুর্শিদাবাদের বহররমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজের ছাত্র থাকাকালীন সময়ে সূর্য সেন সরাসরি রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত হন।

বিভিন্ন বৈপ্লবিক কর্মকান্ডের পরে সর্বশেষ 18 এপ্রিল ১৯৩০সালে মাস্টার দা এবং তাঁর বিপ্লবী দল চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন করেন। এই আক্রমণে অংশ নেওয়া বিপ্পবীরা দামপাড়া পুলিশ লাইনে সমবেত হয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সূর্য সেন অস্থায়ী বিপ্লবী সরকার গঠনের ঘোষণা দেন। চট্টগ্রাম সম্পূর্ণরুপে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত ছিল চারদিন।

ইংরেজ প্রশাসন সূর্য সেনকে জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় ধরার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখে। 1933 সালের ১৬ ই ফেব্রুয়ারি রাতে অস্ত্রসহ সূর্য সেন এবং ব্রজেন সেন ধরা পড়েন।

১৯৩৪ সালের ১২ই জানুয়ারি মধ্যরাতে সূর্য সেনের ফাঁসী কার্যকর হবার কথা উল্লেখ করা হয়। সূর্য সেনকে ব্রিটিশ সেনারা নির্মম ভাবে অত্যাচার করে। ব্রিটিশরা হাতুড়ী দিয়ে তার দাঁত ভেঙ্গে দেয় এবং তাঁর হাড় ও ভেঙ্গে দেয়। হাতুড়ী দিয়ে নির্মম ভাবে পিটিয়ে অত্যাচার করা হয়। এরপর তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। নিষ্ঠুরভাবে তাঁর অর্ধমৃতদেহ দুটি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

মাস্টারদা সূর্য সেনের এই আত্মবলিদান ভারতের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তাঁর সম্মানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি করে আবাসিক হলের নামকরণ করা হয়। এছাড়া কলকাতা মেট্রো, সূর্য সেনের স্মরণে বাঁশদ্রোণী মেট্রো স্টেশনটির নামকরণ করেছে মাস্টারদা সূর্য সেন মেট্রো স্টেশন।

Reference:

*: Master da Surya Sen * Freedom Fighter  History *


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category