স্টাফ রিপোর্টার :
১ম ছেলে ড. আনিসুর রহমান একজন প্রভাবশালী আমলা, মংলা বন্দরে কর্মরত একজন যুগ্মসচিব। উনি বুয়েট গ্র্যাজুয়েট (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) এবং দক্ষিণ কোরিয়া হতে পিএইচডি ডিগ্রি প্রাপ্ত৷
২য় ছেলে ড. আশিকুর রহমান বুয়েটে কম্পিউটার বিজ্ঞানের অধ্যাপক। আশিক বুয়েট হতেই গ্র্যাজুয়েট, মাস্টার্স আর কানাডার আলবার্টা হতে পিএইচডি ডিগ্রিপ্রাপ্ত।
৩য় ছেলেও উচ্চশিক্ষিত, কানাডা প্রবাসী।
আর একমাত্র মেয়ে ফাতেমা নাসরিন সুলতানা মিরপুর ইম্পেরিয়াল স্কুলের শিক্ষিকা।
এরা সবাই উচ্চশিক্ষিত আর সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত।
এই ৪ ছেলে-মেয়ে মানুষ করতে ওদের মায়ের কি কোন অবদান ছিল না? সরি, মানুষ তো ওরা হয়নি, অন্তত বড় আর উচ্চশিক্ষিত করতে কি মায়ের কোন অবদান ছিল না? সব বাদ দিলেও, এই ৪ জনকে কি উনি গর্ভে ধারণ করেননি?
মা নূর জাহান বেগম (৭৩) নিজের ফ্ল্যাটে এক সপ্তাহ ধরে মরে, গলে, পচে পড়ে ছিলেন। কেউ খোঁজ নেয়নি। ৪ ছেলে-মেয়ের কেউই না। এই নরাধম ৪ সন্তান সমাজের কাছে কী জবাব দেবে?সন্তান নামক শব্দটি প্রতিটি বাবা-মায়ের কাছে এখন একটি ঘৃণিত উপাখ্যানে পরিণত হবে এতে কোন সন্দেহ নেই।
হায়রে অভাগা জননী! তুমি যদি জানতে তোমার বার্ধক্যে এমন পরিণতি অপেক্ষা করছে তাহলে তুমি
কি প্রত্যেকটি সন্তান কে আতুঁর ঘরেই গলা টিপে মেরে
ফেলতে না? রাষ্ট্রের কাছে এখন একটিই দাবি তাদের প্রত্যেক কে মায়ের অবহেলা অযত্নের দায়ে চাকরিচ্যুত করে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করা হোক।
এটি করা হলে কোন সন্তান মা-বাবার প্রতি এমন আচরণ করবেনা জোর করে মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর দু:সাহস দেখাবেনা।
ছবি: সংগৃহিত।