• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
Headline
তদন্তে সত্যতা নিশ্চিত ছাড়া কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার করা যাবেনা; বিএমএসএফ! সাজেকে দফায় দফায় গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ৯ বছরের শিশু সঞ্জিতাঃ সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের প্রতিবাদ! বাবার ফাইভ স্টার হোটেল ফেলে আজ আমেরিকায় পলাতক!—চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বিতর্কিত এমপি মাহবুব রুহেল এর দুর্নীতি লুটপাটের গোমর ফাঁস! ফুলবাড়ী (২৯) বিজিবি ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত! সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে ১৩ জেলেসহ ফিশিং বোট উদ্ধার! রাজধানী ঢাকার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি চিত্র! ইরাকের মরুভূমিতে একটি জমকালো বিয়েতে ১৪০০ ভেড়া ও ছাগল এবং ২৭০টি উট জবাই! মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত ৩৩! মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্ত রাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে চলে যেতে বাধ্য করা হবে — ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা মোজতবা আলী খামেনির হুশিয়ারি! বিদেশে সংসদ সদস্যদের সফর ঘিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত!

মালয়েশিয়া ও চীন সফর থেকে কী অর্জন করলেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।

Reporter Name
Update : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে আনা একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব শনিবার বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে।

“সফরকালে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি হয়েছে,” প্রস্তাবটি উত্থাপনের সময়ে বলেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জবাবে সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষ আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার জন্য। আমি যে কাজটি করার চেষ্টা করেছি আমার অবস্থান থেকে আমার দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলা ও সেই স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেছি। যদি ভালো কিছু অর্জন হয় এটি বাংলাদেশের অর্জন। এ সফরে দেশের মানুষের কোনো অর্জন হলে সেটি দেশের মানুষের অর্জন”।

গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর গত ২১ থেকে ২৬শে জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফর ছিল মি. রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। সফরকালে তিনি প্রথমে মালয়েশিয়া যান এবং পরে সেখান থেকে চীনে যান।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের আগে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা এবং চীনের সাথে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ কিছু বিষয় ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেশ দুটির শীর্ষ নেতাদের বৈঠকগুলোই বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির।

তাদের মতে, এই সফরে হওয়া সমঝোতাগুলোর ভিত্তিতে দুটি দেশের সাথেই সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সচল হলো।

বিশেষ করে তারা মনে করেন, মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার আবার চালু হওয়া, বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক করিডর এবং চীনের সাথে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষায় ‘টু প্লাস টু’ সমঝোতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হয়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই সফরের মাধ্যমে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category