• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
Headline
সমুদ্রপথে মালয়েশিয়াগামী বোটসহ ৭৬ জনকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী, আটক ১১! বিশ্বনাথে বিনামূল্যে সাড়ে ৫ শতাধিক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিল ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল! বারহাট্টায় নিবন্ধিত চিকিৎসক না হয়েও দাঁতের চিকিৎসা, একজনকে জরিমানা! কৃষক কার্ড’ বিতরণ কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ! গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেড এবং ওপিসিএ’র উদ্যোগে কক্সবাজারে আয়োজিত হল গোলটেবিল বৈঠক: সংযুক্ত, সমন্বিত ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ! নাসিরনগরে ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ এর শুভ উদ্বোধন! হকার উচ্ছেদ নিয়ে রণক্ষেত্র মিরপুর! পীরগঞ্জে এমপিও জালিয়াতির অভিযোগঃ সহকারী শিক্ষকই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক! টেকনাফে অপহৃত রোহিঙ্গা তরুণী উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর!

বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে চীনের কড়া বার্তা, তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত: চীনা রাষ্ট্রদূত।

Reporter Name
Update : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক |জনতারদেশ :
ঢাকা, ২ জুলাই: বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। একই সঙ্গে তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনাকে সম্পূর্ণ বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয় উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
বুধবার (২ জুলাই) রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন সবসময় অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চীন নিজেও দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে। তাই বাংলাদেশ বর্তমানে যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা চীন গভীরভাবে উপলব্ধি করে। যেকোনো বিদেশি চাপ বা হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়। অন্য কোনো দেশের অবস্থান বা উদ্বেগ চীনের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবে না। বাংলাদেশ যে ধরনের সহযোগিতা চাইবে, চীন সেই অনুযায়ী প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই ও কারিগরি সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করে রাষ্ট্রদূত জানান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ এবং “টু প্লাস টু (২+২)” সংলাপ চালুর বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে।
ফাইটার জেট বা অন্য কোনো সামরিক সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার মতো অবস্থানে তিনি নেই।
বাংলাদেশ–মিয়ানমার–চীন অর্থনৈতিক করিডোর (BCMEC) প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি একটি অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক সংযোগভিত্তিক উদ্যোগ। ভারত চাইলে এ উদ্যোগে অংশ নিতে পারে এবং চীন তা স্বাগত জানাবে।
এ ছাড়া ব্রিকস (BRICS), জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী ভূমিকা পালনের প্রতি চীনের পূর্ণ সমর্থনের কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, রাষ্ট্রদূতের এই বক্তব্য বাংলাদেশ–চীন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সহযোগিতা, আঞ্চলিক কূটনীতি এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

তথ্যসূত্র:

*প্রিন্ট এন্ড ইলেকট্রনিকস মিডিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category