স্টাফ রিপোর্টার|জনতার দেশঃ
মহান দেশ প্রেমিক। ৩২বতসর জেলে, ১১ বতসর আত্বগোপনে, নরসিংদীর, এক বিপ্লবী। নাম তার সতীশচন্দ্র পাকড়াশী।জন্ম ১৮৯১সনের ১৩ই ডিসেম্বর নরসিংদীর মাধবদীতে। ১৯১১ সনে এনট্রান্স পাশ করার পরই তিনি অস্ত্র আইনে বৃটিশ পুলিশ কতৃক গ্রেফতার হন। সেই ছাএ অবস্হাযই বিপ্লবী এৈলোক্যনাথ মহারাজের অনুপ্রেরনায়, মাএ ১৪ বতসর বয়সে যুগ দিয়েছিলেন, গুপ্ত সংগঠণ অনুশীলন সমিতিতে। ১৯২৯ সালে মাছুয়া বাজার বোমা হামলায় গ্রেফতার হয়ে ৩৩ সনে আন্দামান, সেলুলার জেলে ছয় বতসর কাটান। তার পর মুক্তি পেয়ে গৌহাটিতে সহকর্মীদের নীয়ে সংগঠিত হয়ে সারা বাংলায়, জনযুদ্ধ পরিচালনা শুরু করেন। বৃটিশ সরকার কম্বিং অপারেশনে তাদের গুপ্ত আস্তানা গুরিয়ে দেয়। তিনি এবং ললিনী দত্ত পালাতে সক্ষম হন। পদব্রজে কলকাতায় ফিরে আসেন। বৃটিশ চলে যাবার পর তিনি ভারতীয মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগদেন। পার্টি নিষিদ্ধ হলে তিনি আবার আত্বগোপনে চলে যান, তিনি ঢাকা, কলকাতা, সহ ভারতের বিভিন্ন জেল খানায় ৩২ বৎসর দেশ মাতৃকার মুক্তির জন্য বন্দীর জীবন কাটান।১১ বতসর আত্বগোপনে খেয়ে না খেয়ে কাটিয়ে পাড় করেন।স্বাধীন ও অনুশীলন পএিকায় তার অসংখ্য বিপ্লবী নিবন্ধ প্রকাশিত হয। সুকান্তের ভাষায় সবকাজ সেরে ১৯৭৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর তিনি পড়পারে পাড়ি জমান। এই মহান বিপ্লবীনেতার বিদেহী আত্বর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।তার লেখা একটি গ্রন্হ অগ্নিযুগের কথা, পড়তে পারেন।
ছবি ও তথ্যঃ
# সংগৃহিত।