মো: মাহবুবুর রহমান খান :
অদ্য ১১/৮/২০২৬ খ্রি.রোজ মঙ্গলবার সকাল অনুমান ০৬ ঘটিকার সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নরসিংদী জেলা (ক্রাইম এণ্ড অবস) মোঃ আশিকুর রহমান, রায়পুরা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, বায়েজিদ বিন মনসুর এর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খালেদ হোসেন শিমুলের উপস্থিতিতে জেলা পুলিশের একটি টিম,গোয়েন্দা শাখার একটি টিম এবং Rab-১১ নরসিংদীর একটি টিম যৌথভাবে রায়পুরা চরাঞ্চলের চাঁনপুর ইউনিয়নের সওদাগর কান্দি গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে।
সওদাগর কান্দি গ্রামে ফরিদ গ্রুপ ও মোমেন্ চেয়ারম্যান গ্রুপের মধ্যে স্থানীয় আধিপত্য কে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার আধিপত্য নিয়ে বিবাদ চলমান
রয়েছে। বিভিন্ন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাবাজ গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের এই প্রশাসনিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের নিকট মেসেজ আসে সওদাগর কান্দির লঞ্চঘাট সংলগ্ন কতিপয় অস্ত্রধারী অবস্থান করছে।
উল্লেখিত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগণ প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও দ্রুত সেখানে পৌঁছে ওই এলাকা কর্ডন করে দাঙ্গাবাজ সন্ত্রাসী ১.মনির হোসেন (৩৫) পিতা হাসান আলী, মাতা সুফিয়া বেগম ২.আলকাছ ( ৬০) পিতা মৃত :তালেব আলী ৩.সাইম ইসলাম (১৪)পিতা ফারুক মিয়া, মাতা আকলিমা বেগম সর্বসাং,ঠিকানা : গ্রাম–সওদাগর কান্দি, ইউপি – চাঁনপুর, থানা -রায়পুরা, জেলা –নরসিংদীগণ কে গ্রেফতার করেন এবং তাদের হেফাজত হতে উল্লেখিত আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র, ঝগড়া বিবাদ করার সরঞ্জামাদি সহ বিপুল পরিমান ককটেল উদ্ধার করা হয়।
*উদ্ধার কৃত মালামাল সমূহের তালিকা/ সিজার লিস্ট*
১.একটি এক নলা বন্দুক।
২.৯ রাউন্ড শর্ট গানের লাল রঙের কার্তুজ।
৩.১ টি হলুদ রঙের হেলমেট।
৪.৪ টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট।
৫.২ টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন।
৬.১ টি স্টিলের তৈরি ঢাল।
৭.টি দেশীয় তৈরি বললাম /টেটা
৮.১৪ টি লাল বালতিতে রাখা সর্বমোট ১৩৬ টি ককটেল।
৯.এক বালতি পাথর।
১০.একটি ইঞ্জিনের নৌকা।
তথ্যসূত্র:
# রায়পুরা থানা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
তথ্য ঋণ:
# মো: নাজমুল হোসেন (ওসি,অপারেশনস রায়পুরা থানা।
প্রতিবেদক–
সম্পাদক – প্রকাশক
দৈনিক জনতার দেশ।