কুয়েত থেকে মোঃ সোহেল|নিজস্ব প্রতিবেদক :
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের জীবনের নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষায় আবারও বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া এলাকায় পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন প্রবাসীদের জীবনে বিড়ম্বনা সৃষ্টি না করে, সে লক্ষ্যে দূতাবাস পুনরায় আবাসনের বৈধতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও দূতাবাসের পদক্ষেপ:
কুয়েত সরকারের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় বাংলাদেশ দূতাবাস শুরু থেকেই প্রবাসীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। দূতাবাসের কাউন্সেলর ও চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জনাব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং শ্রম কল্যাণ উইংয়ের দায়িত্বে থাকা কাউন্সেলর (শ্রম) জনাব শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরেজমিনে গিয়ে বাংলাদেশী প্রবাসীদের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। কুয়েত কর্তৃপক্ষ আশ্রয় নেওয়া প্রবাসীদের জন্য খাদ্য, পানি এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছিল।
সতর্কতামূলক বার্তা ও বিশ্লেষণ:
অভিযানের সময় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বৈধ কাগজপত্রধারী প্রবাসীরা যাচাই-বাছাই শেষে মুক্তি পেলেও, অবৈধ নথিপত্রধারী প্রবাসীদের ডির্পোটেশন সেন্টারের মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কলামিস্ট ও সাংবাদিক মোঃ সোহেল প্রবাসীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন:
”একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি সবসময়ই প্রবাসীদের আইন মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছি। কুয়েতের সাম্প্রতিক প্রশাসনিক পদক্ষেপগুলো একটি বড় বার্তা বহন করে—প্রবাস জীবনে নথিপত্রের কোনো বিকল্প নেই। আপনার আবাসনের বৈধতা এবং সিভিল আইডির হালনাগাদ তথ্য আপনার প্রবাস জীবনের সুরক্ষাকবচ। বাইরে চলাফেরার সময় সবসময় মূল পরিচয়পত্র সাথে রাখা এবং ঝুঁকিপূর্ণ বা অবৈধ আবাসন পরিহার করা একান্ত কর্তব্য। মনে রাখবেন, ব্যক্তিগত সচেতনতাই আপনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে মুক্তি দিতে পারে।”
প্রবাসীদের প্রতি চূড়ান্ত পরামর্শ:
দূতাবাসের নির্দেশনা অনুযায়ী:
সকল প্রবাসীকে তাদের আবাসনের বৈধতা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে হবে।
বাইরে চলাফেরার সময় অবশ্যই সিভিল আইডি বা বৈধ পরিচয়পত্র সাথে রাখতে হবে।
আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকালীন সময়ে কর্মস্থলে যোগ দেওয়া বা শেল্টার ত্যাগ করার ক্ষেত্রে কঠোর সরকারি বিধি-নিষেধ মেনে চলতে হবে।