• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
Headline
দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথর খনিতে পাথর উত্তোলনে জিটিসির সাফল্য! পুলিশের ৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা! ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিরোধী বিক্ষোভে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভকারীরা! পুলিশ কর্তাদের সম্পদে চোখ গোয়েন্দাদের! শ্রমিক আন্দোলনের নামে একটি রাজনৈতিক মহল দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে— শ্রমমন্ত্রী আজকের আবহাওয়া ও অন্যান্য বার্তা! বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির মৃ*ত্যু রহস্যের জট খুলছেনা সহসাঃ মৃত্যুর আগে উত্তরার ‘নেস্ট বার’ এ যাবার সময় তার সংগে থাকা অচেনা তরুনী টি কে ছিল? আইন পাশ হলেও, আইনের প্রয়োগ নেই, এতে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটছে! ফুলবাড়ীতে থানা শ্রম কল্যাণ উপকমিটির অফিস ভাংচুর ও মালামাল লুটপাটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও থানায় অভিযোগ! নারীর স্বাধীনতা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ!

অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি: ইসি বলছে, ‘পেছানো সম্ভব, কিন্তু আগানো কঠিন’।

Reporter Name
Update : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :
​স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। অক্টোবর মাসকে লক্ষ্য নির্ধারণ করে মাঠপর্যায়ের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তবে কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, সরকারের সাথে সমন্বয় এবং বিদ্যমান সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন সাপেক্ষে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
​সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) ফল উৎসবে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার।
​সরকারের সঙ্গে সমন্বয় ও আইনি বাধ্যবাধকতা
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে অনেক বিষয়েই সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে। তাই লিখিত ও অলিখিত আলোচনার আগে স্পষ্ট কোনো ঘোষণা দেওয়া কমিশনের জন্য যৌক্তিক হবে না। সীমানা নির্ধারণ ও সংশ্লিষ্ট জটিলতাগুলো দ্রুত নিরসনের জন্য আমরা সরকারকে চিঠি দেব।”
​বর্তমানে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ ও জেলা পরিষদের পদগুলো খালি থাকায় নির্বাচন আয়োজন করা আইনগত বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
​নির্বাচনের অগ্রাধিকার ও ধারাবাহিকতা
কোন নির্বাচন আগে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার জানান, একেকটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন অন্যটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি বলেন, “পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা পদাধিকার বলে উপজেলা পরিষদের সদস্য হন। তাই পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন না করে উপজেলা পরিষদ গঠন করা সম্ভব নয়। ফলে বাস্তব প্রেক্ষাপটে ইউপি ও পৌরসভা থেকে নির্বাচন শুরু হওয়া অধিক যৌক্তিক। অন্যদিকে সিটি করপোরেশনগুলো বর্তমানে প্রশাসক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, তাই সেগুলো আলাদাভাবে চিন্তা করা হচ্ছে।”
​তিনি আরও বলেন, এখন সব প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন একত্রে সামনে আসায় সবক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী সময়সূচি মেনে চলা চ্যালেঞ্জিং। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে যাতে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করা যায়।
​অক্টোবরের প্রস্তুতির মানসিকতা
অক্টোবরকে সামনে রেখে ইসি তাদের প্রস্তুতি গুছিয়ে আনছে জানিয়ে মি. মাছউদ বলেন, “নির্বাচনের তারিখ প্রয়োজনে পেছানো যেতে পারে, কিন্তু আগানো অসম্ভব। কারণ, এর সঙ্গে বিশাল কর্মযজ্ঞ ও জনবল জড়িত। অক্টোবরকে কেন্দ্র করে আমরা প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।”
​ইসি এখন এই নির্বাচনের তফসিল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারের দিকনির্দেশনা ও সীমানা জটিলতা কাটানোর প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category