শিরোনাম :
ইসলামী ব্যাংক দখলে নিতে রাজধানীতে এস আলম গ্রুপের শো-ডাউন। ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে সুন্নী খারেজী ও রাফেজী সম্প্রদায় —– মাকতুবাত শরীফ। শাপলা চত্বর গণহত্যা মামলা আসামি হচ্ছেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ- আল -মামুন। সংরক্ষিত নারী আসন এবং সমকালীন রাজনৈতিক প্রসঙ্গ। খুলনায় দায়িত্বরত অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবল নিজের অ*স্ত্র দিয়ে গু*লি করে আত্ম*হত্যা। টাইম ম্যাগাজিনের জরিপে ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান। দেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট পেট্রোল পাম্পে হাহাকার, সরকার বলছে মজুদ সন্তোষজনক, বাস্তব চিত্র ভিন্ন। পুলিশের তথ্য : ওসমান হাদী হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তল কেনা হয় ২ লাখ টাকায় শেষ পর্যন্ত পিস্তলটি উদ্ধার হয় নরসিংদী থেকে। কলাপাড়ায় (পটুয়াখালী) পড়া না পারায় অষ্টম শ্রেনীর শিক্ষার্থীকে মারধর, অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি । লালন ধর্মের অনুসারী কুষ্টিয়ার কথিত পীর শামীম ওরফে বাবা জাহাঙ্গীর হত্যার অন্ত:রালে।
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

জরাজীর্ণ ভবনে প্রাণভয়ে ক্লাস করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

Reporter Name / ১৮৮ Time View
Update : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

 

মো.আরিফুল ইসলাম, বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর বাউফলের চর রায় সাহেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিগত ২৫ বছরেও সংস্কার না হওয়ায় এখন মৃত্যু পরিণত হয়েছে। জরাজীর্ণ ভবনের নিচে প্রতিদিন প্রাণভয়ে ক্লাস করছে ১৯২ কোমলমতি শিক্ষার্থী।

উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ২৩০ নং চর রায়ে সাহেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে এবং ২০০০ সালে নির্মিত হয় চার কক্ষের একতলা ভবন। দীর্ঘ দুই যুগে কোনো সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় ভবনের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনের দেয়ালজুড়ে বিস্তীর্ণ ফাটল, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে টুকরো টুকরো করে, বিভিন্ন স্থানে বেরিয়ে এসেছে মরিচাধরা রড। সামান্য নড়াচড়ায় পুরো ভবন দুলে ওঠে, শ্রেণিকক্ষের দরজায় ধাক্কা লাগলেই দোদুল্যমান হয়। বর্ষায় ছাদ চুয়ে পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়, হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে বিদ্যালয় মাঠেও চলাচল করা যায় না।

শিক্ষার্থী সাইমুন ও লামিম জানায়, আমরা সবসময় ভয় পাই, কখন ছাদের প্লাস্টার মাথায় পড়ে যায়।

সহকারী শিক্ষক রিফাত মীন বলেন, দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে, ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই ক্লাস নিতে হয়।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জানান, বর্ষাকালে ক্লাসরুমে পানি জমে গেলে পাঠদান প্রায় অচল হয়ে পড়ে।

অভিভাবকদের ভাষায়, সন্তানদের এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠানো মানেই প্রতিনিয়ত প্রাণ হাতে নিয়ে স্কুলে পাঠানো। তাই দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানান তারা।

প্রধান শিক্ষিকা কলি আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ের নাজুক অবস্থা সম্পর্কে ইতোমধ্যে উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। বড় ধরনের মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কালাম হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবনের প্রস্তাব শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি আগামী মার্চ বা এপ্রিল মাসেই নতুন ভবনের কাজ শুরু হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category