• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন
Headline
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মাহবুবুল আলম হানিফের মৃত্যুদন্ড! পরকীয়া প্রেমের শেষ পরিণতিঃ গোলাম ফারুক অভির অভিসার থেকে সেদিন বাঁচতে পারেনি মডেল তারকা সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি! রাজপথ থেকে Wrexham University-এর মঞ্চে, MSc অর্জনের পরও ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে তানভীর আহমেদ! একটি মানসিক যন্ত্রণার অপর নাম সাইবার বুলিং! আধুনিক ঢাকাঃ ফ্লাইওভারে ঢেকে গেলেও যানজট নিরসন চিত্র একটুও বদলায়নি! শেখ হাসিনা পলায়নের দৃশ্য ধারণ করা বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে,এম তাহসিফ সাউরির লা*শ একদিন পর নদী থেকে উদ্ধার! পরাজয় মেনে না নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পলায়ন নিজেকে ব্রাজিলের ‘নেতা’ বললেন ফ্লাভিও বলসোনারো! ইরান যুদ্ধের দায় এড়াতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের সমাবেশে ট্রাম্পের সাফাই আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি! মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অনিয়মের অভিযোগঃ ৩ উপসচিবের বিরুদ্ধে জনপ্রশাসনের বিভাগীয়  ব্যবস্থা! হাসিনা সরকারের পতনের আগেই ড. ইউনূসের সাথে যোগাযোগের ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি কে করেছিলেন? বিষয়টি মিডিয়ার সন্মুকে প্রকাশ করলেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব  শফিকুল আলম!

একটি মানসিক যন্ত্রণার অপর নাম সাইবার বুলিং!

Reporter Name
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

সায়েন্স ডেস্ক|জনতার দেশঃ

সাইবার বুলিং হলো এমন এক ধরণের মানসিক নির্যাতন, যা ঘটে অনলাইনে — সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজ, কমেন্ট বা ছবি-ভিডিওর মাধ্যমে কাউকে অপমান, হেয় বা ভয় দেখানোর মাধ্যমে। বাস্তব জীবনের বুলিংয়ের মতোই এটি একজন মানুষকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে, পার্থক্য শুধু — এর আঘাত আসে পর্দার আড়াল থেকে। সাইবার ৭১ (বাংলাদেশ) বিশ্বাস করে, নিরাপদ ইন্টারনেট গড়ে তুলতে হলে প্রথম পদক্ষেপ হলো সচেতনতা ও দায়িত্বশীল ব্যবহার।

আজকের ডিজিটাল যুগে অনেকেই অজান্তে এমন আচরণে যুক্ত হয়, যেগুলো অন্যের জন্য কষ্টদায়ক। কখনো মজা করার ছলে কাউকে অপমান করা, কারো ছবি নিয়ে মিম বানানো, বা গোপন তথ্য প্রকাশ করা — সবই সাইবার বুলিংয়ের মধ্যে পড়ে। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীরা, নারী এবং শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি এই সমস্যার শিকার হয়।

সাইবার বুলিং শুধু অনলাইন অপমান নয়; এটি একধরনের মানসিক সহিংসতা, যার ফলে অনেকেই হতাশায় ভোগে, আত্মবিশ্বাস হারায়, এমনকি ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়ে। তাই এটি কেবল “ভার্চুয়াল সমস্যা” নয়, বরং সামাজিক ও মানবিক ইস্যু।

প্রতিরোধের জন্য আমাদের সবার আগে সচেতন হতে হবে। কাউকে নিয়ে নেতিবাচক বা অপমানজনক কিছু শেয়ার করার আগে ভাবতে হবে — এটা যদি আমার সঙ্গে হতো, কেমন লাগতো? ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানো, অপরাধীদের রিপোর্ট করা এবং নীরব না থাকা — এগুলোই হতে পারে সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।

স্মরণ রাখুন, অনলাইনও বাস্তবের মতোই একটি সমাজ। তাই সেখানেও শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ জরুরি। সাইবার ৭১ (বাংলাদেশ) সবসময় কাজ করছে একটি নিরাপদ, সম্মানজনক ও সচেতন অনলাইন সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে।
“সচেতন হোন, সম্মান দিন, সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ান।”

প্রতিবেদক-

মোঃ মাহবুবুর রহমান খান, সম্পাদক -প্রকাশক,দৈনিক জনতার দেশ।

ছবিঃ প্রতীকি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category