• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
Headline
যে সব উপাদান মিশ্রিত করলে অন্য রকম টেস্ট এনে দিতে পারে ‘ গ্রীণ টি’! রাজস্ব ফাঁকির সংবাদ প্রকাশে মামলা; জামিন পেলেন দুই সম্পাদক! বিতর্কিত শো-বিজ তারকা পরিমণি এবার তার জন্মদিনে নতুন সিনেমার ঘোষণা দিলেন! আধুনিক সমাজে মাদকের নেশায় যে ভাবে জড়িয়ে যাচ্ছে নারী! সীমান্তে ৩৫ তরুণকে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ৫৩ বিজিবি! ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আদালত অবমাননা করায় নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন দুই আইনজীবী! জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসী বাংলাদেশিরাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে—–মালয়েশিয়া সফরে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক! জরুরী নির্দেশে পুলিশের ৩ কর্মকর্তা বদলীর প্রজ্ঞাপন জারি! “এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ” জরিপে বিশ্বে দূষিত নগরীর তালিকায় রাজধানী ঢাকা ৫ম অবস্হানে! মাঝরাতে রাজধানীর গুলশান কিংফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান অবৈধ অ্যালকোহল জব্দ!

তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে বড় আশঙ্কাঃসমুদ্রের তলদেশে স্থাপিত ইন্টারনেট কেবল কেটে গেলে বিশ্বকে সচল রাখতে পারবে কি স্টার লিংক??

Reporter Name
Update : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

সায়েন্স ডেস্ক|জনতার দেশঃ

সমুদ্রের তলদেশের ইন্টারনেট কেবল কেটে গেলে মহাকাশের স্যাটেলাইট দিয়ে পুরো পৃথিবী সচল রাখা সম্ভব কি না, তা নিয়ে এখন বড় আলোচনা চলছে। ইলন মাস্কের ‘স্টারলিংক’ কি পারবে বিশ্বকে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেটের আলোয় রাখতে? এর সহজ উত্তর হলো, সংকটকালে স্টারলিংক জরুরি যোগাযোগ টিকিয়ে রাখতে পারবে ঠিকই, তবে সমুদ্রতলের বিশাল কেবল নেটওয়ার্কের বিকল্প হয়ে ওঠার ক্ষমতা এর নেই।
আমাদের আন্তর্জাতিক তথ্য আদান-প্রদানের ৯৯ শতাংশই ঘটে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে যাওয়া ফাইবার অপটিক কেবলের মাধ্যমে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ১৭ লাখ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নেটওয়ার্কে নানা কারণে প্রতি বছর প্রায় ২০০টির মতো দুর্ঘটনা ঘটে। একটি কেবল কাটা পড়লেই লাখ লাখ মানুষ ইন্টারনেট সংকটে পড়েন এবং দেশের আন্তর্জাতিক ডাটা চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে।
কেবল ও স্যাটেলাইটের এই ক্ষমতার তফাত বোঝা যায় সাধারণ অঙ্কের হিসাব থেকেই। সমুদ্রের একটি সাধারণ কেবল দিয়ে যদি প্রতি সেকেন্ডে ২০ টেরাবিট বা ২০ হাজার গিগাবিট তথ্য আদান-প্রদান করা যায়, তবে একটি ব্যাকআপ স্যাটেলাইট দিয়ে হয়তো যায় মাত্র ১ গিগাবিট। অর্থাৎ তথ্য সরানোর ক্ষমতায় কেবুলটি স্যাটেলাইটের চেয়ে প্রায় ২০ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। ফলে একটি মাত্র কেবলের সমপরিমাণ গতি বজায় রাখতে একই সঙ্গে হাজার হাজার স্যাটেলাইট লিংক চালু রাখতে হবে, যা বাস্তবিকভাবে সম্ভব নয়।
সমুদ্রের তলদেশে ক্ষতিগ্রস্ত কেবল মেরামত করতে অনেক সময় কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লেগে যায়। এই চরম সংকটের সময়ে স্টারলিংক বা অন্যান্য স্যাটেলাইট মূলত একটি বিকল্প নিরাপত্তা বলয় হিসেবে কাজ করে। এই প্রযুক্তি দুর্যোগের সময় হাসপাতাল, সরকারি জরুরি সেবা, সীমিত আর্থিক লেনদেন এবং বার্তা আদান-প্রদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সচল রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু পুরো জনগোষ্ঠীর একসাথে উচ্চমানের ভিডিও দেখা, বড় ডাটা ফাইল স্থানান্তর কিংবা বিশাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সার্বক্ষণিক ডাটা চাহিদা মেটানো স্যাটেলাইটের পক্ষে অসম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে পুরোপুরি সুরক্ষিত রাখতে হলে শুধু স্যাটেলাইটের ওপর ভরসা করলে চলবে না। সমুদ্রের তলদেশের কেবল, মাটির নিচের ফাইবার এবং মহাকাশের স্যাটেলাইট—এই তিন প্রযুক্তির যৌথ সমন্বয়েই কেবল বড় ধরনের ডিজিটাল বিপর্যয় এড়িয়ে পুরো বিশ্বকে সচল রাখা সম্ভব।
সূত্র: গালফ নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category