• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
Headline
৩০ লাখ টাকার প্রলোভন ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ গেল সাগর নামে এক যুবকের! সাংবাদিকের শত্রু যখন সাংবাদিকঃ তখন বাহিরের শত্রুর কোন দরকার পড়েনা! বাঞ্ছারামপুরে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ২০২টি পথকুকুরকে টিকাদান! নির্বাচিত হলে সার খোলা বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করবঃ মির্জা ফয়সল আমিন! সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন ও সমাবেশ! সৌদি রাষ্ট্রের উৎপত্তি ও রাজকীয় ক্ষমতার ক্রমবিকাশ! দুর্গাপূজা ঘিরে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের নজরদারি! দিনাজপুরের বিরামপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন! কালিগঞ্জের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাওছার আজিজ!

৫০ পিস ইয়াবা সহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার রায়পুরা উপজেলা (নরসিংদী) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক।

Reporter Name
Update : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

♦নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইসমাইল হোসেন রাজিবকে ৫০ পিস ইয়াবা সহ আটক করেছে পুলিশ।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সমাজের সর্বোত্তম পেশার অধিকারী ব্যক্তি হলেন একজন ডাক্তার বা চিকিৎসক। মানুষ রোগে,শোকে কাতর হয়ে মানসিক, শারীরিক যন্ত্রনায় ভুগে শেষ পর্য্ন্ত আরোগ্য লাভের প্রত্যাশায় একজন ডাক্তার বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয় একটু শান্তি স্বস্হির আশায়। কিন্ত সেই ডাক্তার যদি হয় মাদকাসক্ত, তাহলে ভুক্তভোগী তার কাছ থেকে কী চিকিৎসা সেবা পেতে পারে?

খবর টি শুনে আমি স্তম্ভিত! একজন ডাক্তার!!  না এটা হতে পারেনা।ঘটনার সত্যতা জানতে,আমার প্রিয় মানুষ জনবান্ধব পুলিশ অফিসার রায়পুরা থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মজিবুর রহমান কে আজ দুপুরে তার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কলটি তাৎক্ষণিক রিসিভ করে বিনয়ের  সাথে জানান,রায়পুরা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর,এম,ও) ডাঃ ইসমাইল হোসেন রাজিব কে ৫০ টি নিষিদ্ধ ঘোষিত নেশা জাতীয় ইয়াবা  ট্যাবলেট সহ থানা পুলিশ  হাতে নাতে গ্রেফতার করেছে।

খবরের সত্যতা পেলাম।একজন বিসিএস (স্বাস্হ্য) ক্যাডারের এমবিবিএস ডাক্তার যদি নেশা গ্রস্হ হয় দেশে চিকিৎসা সেবার কী হাল হবে? তার নৈতিক স্খলনতা কতটুকু নিম্নগামী তা ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য। এতদিন শুনে আসছি কোন মাদক সেবী গ্রেফতার হলে সকল দোষ অপরাধ গিয়ে বর্তায় উল্টো পুলিশের ওপর। কাঙ্ক্ষিত মাসোহারা না পেয়ে পুলিশ তাদের মাদক মামলায় আটক করে থানায়  নিয়ে এসেছে ইত্যাদি ইত্যাদি।

এখন দেখা যাবে ওই গুণধর ডাক্তার সাহেব এর স্ত্রী পরিবার-পরিজন তাঁর চাকরি বাঁচাতে সংবাদ সম্মেলন করে বলবে,আমার স্বামী কিংবা আমাদের লোকটি সম্পূর্ণ নির্দোষ।তাকে যড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। একটি পক্ষ  পুলিশ কে ম্যানেজ করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ইয়াবা নাটক সাজিয়েছে। তাকে ছাড়ানোর জন্য তাকে নির্দোষ, নিরপরাধ হিসাবে প্রমাণ করে কোর্ট থেকে জামিনে ছাড়িয়ে নিতে বটতলার উকিল সাহেব দের অভাব নেই। আমার জানামতে,সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডাক্তার কে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।।যুক্তিতে ধরে নিচ্ছি ডাক্তার কোন অপরাধী ব্যক্তি নন।তার নামে আগে পরে কোন মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাও নেই।।

তাহলে পুলিশের সাথে তার চুক্তির তো কোন প্রশ্নই আসেনা।সবচেয়ে বড় কথা,ডাক্তার সাহেব একজন ক্লাশ ওয়ান গেজেটেড অফিসার।তাঁর সাথে সেকেন্ড ক্লাশের একজন পুলিশ কর্মকর্তা সাপ-লুডু খেলতে যাবে কোন আক্কেলে?।

আমি মনে করি,পুলিশ যে কাজটি করেছে প্রশাসনিক দায়িত্ব নিয়েই করেছে।উধোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে লাভ নেই।মাদকের ব্যাপারে সারাদেশ সোচ্চার। প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া,নিজেই আইন পাশ করার ঘোষণা দিয়েছেন যে, মাদক ক্রেতা কিংবা বিক্রেতা সরবরাহকারী, উভয়ই সমান অপরাধী।তথ্য প্রমাণ সহ ধরা পড়লে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

আমাদের গণমাধ্যম এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল। কোন ছাড় নয়, সমাজ, রাষ্ট্র থেকে সকল মাদক ক্রেতা-বিক্রেতা,সরবরাহকারীর মূলোৎপাটন হোক, এটাই।আমাদের কাম্য।আমরা এ ব্যাপারে প্রশাসনের সাথে আছি ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ।

*উপসংহার *

আরো  গোয়েন্দা তথ্যে, ডাক্তার দায়ী ও দোষী প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুতির পাশাপাশি  তার কঠিন শাস্তি নিশিচত করা হোক।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category