ফাহিম রহমান খান পাঠানঃ
বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান সরকারের ৩০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি আর বিমানবাহিনীর বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে শুরু করায়! আজ এই ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট,তাহসিফ সাউরির এমন পরিনতি নয় তো?
এইতো কয়দিন আগেই তো, এই ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন যে বিমান আমরা ৫০ কোটি টাকায় কিনতে পারি!!সেটা কেনো পারচেজের সময় হয়ে যায়,৫০০ কোটি টাকা! আবার ১ টা ম্যাগনেটিক কম্পাসের দাম হয়ে যায় ৫ লাখ টাকা।
তিনি সাবেক বিমানবাহিনীর প্রধানের ৩০০০ কোটি টাকা দুর্নী-তি নিয়ে বলেন, তার বাংলাদেশে ৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে! দুবাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও সম্পদের অভাব নেই, একসময় আমি খুব প্রাউড ফিল করে বলতাম বিমানবাহিনীতে দু-র্নীতি নেই! কিন্তু এগুলো দেখার পর, জানার পর, বুঝার পর কিছুই আর বলার থাকে না।
আমাদের ফোর্সে সিনিয়র অলওয়েজ রাইট তাকে প্রশ্ন করার ও সুযোগ থাকেনা! সিনিয়রদের আমরা অন্ধ বিশ্বাস করি, তারা এমন করাটা দুঃখজনক।
এছাড়া বিগত ১৭ বছর বিমানবাহিনীর পিছিয়ে পড়া নিয়ে মুখ খুলে তিনি বলেছিলেন!তারা অনেকবার বলেছেন তাদের বিমান দরকার, আধুনিক মাল্টিরোল ফাইটার জেট দরকার! বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নও দরকার, কিন্তু সিনিয়ররা ভিজিটে গিয়ে এয়ার ফেয়ারে গিয়ে, ফিরে এসে হতাশ করেছেন!
যেনো ইচ্ছে করেই এই বিমানবাহিনীকে পিছিয়ে রাখা হয়েছিল! তিনি আপসোস করে বলেন যে আপনি যদি এখনো সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিমান চালাতে থাকেন! তাহলে কিভাবে একটা এয়ারফোর্স এগিয়ে যাবে?এছাড়া তিনি আপসোস করে এটাও বলেন এসবগুলো বিমানবাহিনীর পাইলটদের মধ্যেই, একটা ভীতির সঞ্চার করছে।
জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদি হত্যার মতো তাহসিফ সাউরির হত্যা কান্ড আইনি বেড়াজালে আটকে যাবেনা তো?
নোটঃ ফাহিম রহমান খান, দৈনিক জনতার দেশ এর একজন বিদগ্ধ পাঠক।যে কোন বিষয়ে পাঠকের মুক্ত চিন্তা মতামত এই পেজে প্রকাশিত হয়।