ক্রাইম ডেস্ক:
গতকাল ৯ মে শনিবার বিএসএফের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় নিহত ব্যক্তিরা চোরা চালানোর সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং আত্মরক্ষার্থে তারা গুলি চালিয়েছেন। খবর, ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।
এর আগে গত শুক্রবার ৮ মে গভীর রাতে ত্রিপুরার জেলার সীমান্ত ফাঁড়ি সংলগ্ন নবীন পাড়া ও বঙ্গবন্ধের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।কাঁটা তারের এপারে বাংলাদেশের অংশটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ধ্বজনগর সীমান্ত।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধ্বজ নগর বাতান বাড়ি এলাকার খেবজু মিয়ার ছেলে মোঃ মুরসালিন (২০)তিনি গুপীনাথপুর শাহা আলম ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন বলে জানা গেছে।আরেক নিহত নবীর হোসেন ৪০ এর বাড়ি মধুপুর গ্রামে। এই দুজনের লাশ আগরতলার জিবি হাসপাতালে রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত বারোটার দিকে ২০-২৫ জন চোরাকারবারি রাতে মুরসালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে যায়। একই সময়ে নবীর হোসেন সহ আরো কয়েকজন ওই সীমান্ত এলাকায় যান। এ সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে মুরসালিন ও নবীর হোসেন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ২০ জন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সবুর খান জানান, দুজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়েছে।
এ ব্যাপারে নবীর হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ তপন জানান, তার বাবা সন্ধ্যা থেকেই বাড়িতে ছিলেন না। তিনি সীমান্ত এলাকায় যাওয়ার পর বিএসএফ গুলি করে মর দেহ নিয়ে যায় বলে বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন তিনি।
ধ্বজ নগর গ্রামের বাসিন্দা রিপন পাঠান জানান, আমি যতটুকু জানি রাতে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল কাঁটা তারের সামনে গেলে বিএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।এতে মোরসালিন গুলি বিদ্ধ হয়ে মারা যায়, বাকিরা আহত হয়ে পালিয়ে যায়।
চন্ডিদ্বার বিওপি কমান্ডার সুবেদার মইনুদ্দিন জানান, মরদেহ দুটি ভারতীয় বিএসএফের নিকট রয়েছে। পতাকা বৈঠক শেষে বিএসএফ বিজিবির কাছে লাশ হস্তান্তর করবে। এ ব্যাপারে বিএসএফের নিকট চিঠি দিয়েছেন বলে বিজিবি জানান।
তথ্যসূত্র:
# bdnews24.com
#ATN Bangla News
#jagonews24.com
# দৈনিক ইত্তেফাক
# দৈনিক যুগান্তর
#RTV online news