শিরোনাম :
নরসিংদীতে আলোচিত মিজান মিয়া ওরফে হৃদয় হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার। সেহরির পরপরই সং/ঘ/র্ষে জড়ালো দুই গ্রুপ, বাবা ছেলেসহ প্রাণ গেল ৪ জনের। বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ক্যাপ্টেন এহতেশাম এবং তার চলচ্চিত্র জীবন। বিখ্যাত চলচ্চিত্রাভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় এর অজানা তথ্য। শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের শিক্ষাগত যোগ্যতা। মন্ত্রী পরিবারের সন্তান এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামানত হারালেন। বাউফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত। দুই ভাই এক সংগে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে। ১১৪ পটুয়াখালী ৪ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য  এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিসভার সদস্য করার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ ও সমকালীন রাজনৈতিক প্রসঙ্গ।
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন

নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার কবর ভারতের গঙ্গা নদীর তীরবর্তী পানিহাটি গ্রামে আবি:স্কৃত

Reporter Name / ১২৫ Time View
Update : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

সাহিত্য ও সংস্কৃতি ডেক্সঃ ১৮৯৮ সালে  স্বামীর সাথে বেগম রোকেয়া। অনেকেই হয়তো জানেন না বেগম রোকেয়াকে সমাহিত করা হয় ভারতের কলকাতায় এবং সেটি অনেক বছর সেখানেও অজানা ছিলো। অনেকটা অবহেলিত অবস্থাতেই ছিলো সেটি সেখানে।  পরবর্তীতে সেখানকার ইতিহাসের একজন অধ্যাপক সেটি আবিষ্কার করেন ও সেখানে পরবর্তীতে যথাযথ নামকরন করা হয়।

বেগম রোকেয়ার স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন একজন বিহারী। তাই বেগম রোকেয়ার বিয়ের পরের জীবনের অধিকাংশ সময় বিহার ও পশ্চিম বাংলার কলকাতায় কেটেছে।

তাকে সমাহিত করা হয় গঙ্গা নদীর তীরবর্তী পানিহাটি গ্রামে। এক সময় ছিল নিভৃত গ্রাম, এখন সেখানেও শহরের ছোঁয়া লেগেছে। রোকেয়া কলকাতায় বসবাস করতেন। কিন্তু কেন তাকে সে সময়ের মূল শহর থেকে অনেক দূরে পানিহাটিতে সমাহিত করা হয়েছিল?

এ নিয়ে দুটি মত রয়েছে- এক. সেখানে বেগম রোকেয়ার আত্মীয়-স্বজনের পারিবারিক কবরস্থান ছিল। রোকেয়ার ভাইয়ের পৌত্রী মাজেদা সাবের আমাকে বলেছেন, তার মায়ের কবরও ওই স্থানে রয়েছে। রোকেয়ার কবর কেন পানিহাটিতে- এ প্রশ্ন তাকে করায় তিনি আরও বলেন, স্যার আবদুল করিম গজনবী ছিলেন রোকেয়ার বড় বোনের বড় ছেলে। তিনিই সেখানে রোকেয়াকে সমাহিত করায় উদ্যোগী ছিলেন।

১৯৯৭ সালের ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমর রোকেয়ার কবরে উন্মোচন করেন একটি স্মৃতিফলক।

তবে রোকেয়াকে সেখানে সমাহিত করার কারণ হিসেবে আরেকটি মতও রয়েছে এভাবে- ১৯৩২ সালে বেগম রোকেয়ার মৃত্যুর পর কলকাতার রক্ষণশীল  সমাজের একটি অংশ তাকে কলকাতায় কবর দিতে আপত্তি জানায়। তাদের কাছে শিক্ষা ও জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ায় অনন্য অবদান রাখা এ নারী ধর্মদ্রোহিণী ছাড়া কিছুই নয়। তাদের অভিযোগ, মুসলিম নারীদের তিনি পাপের পথে চলতে উৎসাহ দেন।কারণ যাই হোক, বেগম রোকেয়া চিরনিদ্রায় শায়িত হয়ে আছেন পানিহাটিতে।

তবে বিশ্বে কত বিস্ময়ের ঘটনাই না ঘটে। রোকেয়ার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে পানিহাটিতে একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য জমি খোঁজা হচ্ছিল। উদ্যোক্তারা স্থানীয় পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সহায়তা চাইলেন। পৌরসভা থেকে তাদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল রোকেয়ার ওই আত্মীয়ের পারিবারিক সম্পত্তির একটি অংশ। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিংবা পৌরসভা কেউই জানত না যে, এ এলাকাতেই রয়েছে নারী শিক্ষার অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার কবর। পশ্চিমবঙ্গের স্পিকার মনসুর হবিবুল্লাহ নব্বইয়ের দশকে উদ্যোগী হন রোকেয়ার কবরস্থানটি সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে। সে সময়ে পানিহাটি পৌরসভার পুরনো নথিপত্র ঘেঁটে রোকেয়াকে সমাহিত করার স্থানটির সন্ধান মেলে।

উপমহাদেশের মুসলিম নারীরা তার সময় শিক্ষায় অনেক পিছিয়ে ছিলেন। মুসলিম নারীদের শিক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে তার ভূমিকা আজও জনগণ স্মরন রাখবে।

সূএ : সমকাল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category