চট্টগ্রাম প্রতিনিধি|জনতার দেশঃ
চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাং লিডার ওয়াকিল হোসেন বগার ৪ সহযোগী এবং এক নারীসহ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই অভিযানে নগর যুবলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুর এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার ৩ অক্টোবর দিবাগত রাতে খুলশী থানার জালালাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চট্টগ্রামের সন্দীপ উপজেলার সারিকা ইউনিয়নের গোলাম মোস্তফার ছেলে মনির হোসেন ইমন ঝাউতলা এলাকার হালিমের ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল হাসান ওরফে কালা হাসান ওয়ারলেস ৪নং লাইনের মোঃ জামিলের স্ত্রী সাব্বি বেগম ওরফে সাব্বু। জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটির মুরগী ফার্ম এলাকার লাল মিয়ার ছেলে মুহাম্মদ শাজাহান ও খুলশী থানার গরিবুল্লাহ শাহ মাজার কুসুমবাগ এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
এর মধ্যে মনির হোসেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জাহিদ হোসেন সাব্বির কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন নগর যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুর অনুসারী।
পুলিশ সূত্র জানায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াকিল হোসেন ও তার ছোট ভাই রকি হুসেন পিচ্চির কিশোর গ্যাং ৭ স্টার গ্রুপের ছুরিকাঘাতে তে ফাইভ স্টার গ্রুপের মোহাম্মদ হৃদয় নামের এক কিশোর নিহত হয়। এই হত্যাকান্ডের পর পরই নগরীতে কিশোর গ্যাং এর দৌরাত্ম্য অপতৎপরতা বাড়তে থাকে।পুলিশ ও স্হানীয় সূত্রে জানা গেছে,ওয়াকিল হোসেন ৭ স্টার গ্রুপ ছাড়াও একাধিক কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করেন। তার বিরুদ্ধে পুলিশের উপর হামলা সহ অন্তত ১৬ টি মামলা রয়েছে যদিও এখন পর্যন্ত ওয়াকিল হোসেন বগা কে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনারের বরাতে জানা গেছে পুলিশ সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওয়াকিল হোসেন বগার ৪ সহযোগী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুব লীগের এক নেতার অনুসারী কে গ্রেফতার করা হয়েছে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত হৃদয় হত্যার ঘটনায় বিশ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত সহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিএমপি পুলিশ ১২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে আট জনকে গ্রেপ্তার যারা হৃদয় হত্যাকান্ডের সাথে সরাসরি জড়িত।আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের সবাইকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে সিএমপি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
বি.দ্র.
ছবির ইনসেটে বামপাশে মনির হোসেন ইমন ও ডান পাশে কালা হাসান।