• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
Headline
নিখোঁজ ব্যক্তি উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর করল ১৬ এপিবিএন! ত্রিশালে এসআই নাহিদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ! ইত্যাদি’র জনপ্রিয় নানা-নাতি জুটি আজ স্মৃতির পাতায়! একই মাঠে সব বয়সীদের খেলার সুযোগ, নতুন দিগন্ত খুললো ‘কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া স্পোর্টস! বাংলাদেশ পুলিশের আপডেট নিউজ! টেকনাফে বিজিবি এবং এসআরবি’র যৌথ অভিযানে আ/সামীবিহীন ৩ লাখ ই/য়াবা উ/দ্ধার ব্রাক্ষণপাড়ায় জঙ্গলে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি, উদ্ধার ৩৬ কেজি গাঁজা। আশুগঞ্জে টোল প্লাজায় ২০ কেজি গাঁজাসহ ট্রাক উদ্ধার ০৩ মাদক কারবারী গ্রেফতার! মাঝির ৪৪ হাজার টাকা পাওনা ও হুমকির অভিযোগ অস্বীকার এসআই রফিকুল ইসলামের! ব্যবসা-বাণিজ্য,শান্তি নিরাপত্তায় বসবাস উপযোগী দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ দেশ!

মাঝির ৪৪ হাজার টাকা পাওনা ও হুমকির অভিযোগ অস্বীকার এসআই রফিকুল ইসলামের!

Reporter Name
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার| জনতার দেশঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে নৌকার মাঝির ৪৪ হাজার টাকা বকেয়া রাখা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, একজনকে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে রাখা এবং ২০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ট্যাকেরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই (নিঃ) রফিকুল ইসলাম।

সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে ‘মাঝির বকেয়া পাওনা ৪৪ হাজার টাকা! তাহিরপুরে মাঝিকে জেল হাজতে পাঠানোর হুমকি পুলিশ কর্মকর্তার’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে লিখিত প্রতিবাদলিপিতে তিনি এসব অভিযোগকে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন।

প্রতিবাদলিপিতে এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, সুজাহর হোসেন কিছু সময় তার ব্যবহারের জন্য নৌকা চালিয়েছেন। তবে নৌকা ভাড়া বাবদ তার কাছে ৪৪ হাজার টাকা বকেয়া থাকার তথ্য সঠিক নয়। তার দাবি, পারস্পরিক হিসাব অনুযায়ী বরং সুজাহর হোসেনের কাছেই তার আরও ৭ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। নৌকা ব্যবহারের সময়কার দৈনিক ভাড়ার হিসাব যথাসময়ে পরিশোধ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সুজাহর হোসেনের বড় ভাই ইকবাল হোসেনকে ডেকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি এবং প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে রেখে ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কাউকে জোরপূর্বক আটকে রাখিনি, কারও কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করিনি এবং কাউকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেল খাটানোর হুমকিও দিইনি।’

২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগটিকেও সম্পূর্ণ অসত্য দাবি করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদে তার বক্তব্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে যথাযথ তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রতিবাদলিপিতে এসআই রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, তিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করেন। ব্যক্তিগত লেনদেন ও নৌকা ভাড়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের ফলে তার পেশাগত সুনাম ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির একতরফা অভিযোগ যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে সংবাদে উপস্থাপন করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অভিযোগ করা এবং অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয় উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ, তথ্য-উপাত্ত যাচাই এবং তদন্তাধীন বিষয়কে অভিযোগ হিসেবেই উপস্থাপনের অনুরোধ জানান তিনি।

প্রতিবাদলিপির মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সংশ্লিষ্ট অংশের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে সংবাদে তার বক্তব্য যথাযথভাবে প্রতিফলিত না হওয়ায় একই গুরুত্ব ও যথাযথ স্থানে প্রতিবাদলিপি প্রকাশের অনুরোধ করেছেন এসআই রফিকুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category